1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন
১৩ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৯ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পলাশবাড়ীতে মেধার জয়: ট্যালেন্টপুলে প্রথম জান্নাতুল নেসা সাদুল্লাপুরে শিক্ষকদের সাথে নব-নির্বাচিত এমপির মতবিনিময় তারাগঞ্জে এতিমদের সঙ্গে ইফতার করলেন এমপি এটিএম আজহারুল ইসলাম লালমনিরহাটে অনলাইন জুয়া চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার ৮২টি সিম ও ২০টি অ্যাপ পলাশবাড়ীতে ভুয়া মালিক সাজিয়ে ১৮ লাখ টাকা উত্তোলনের অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে বিচার দাবি তরাগঞ্জে ইফতার পরবর্তী কিশোরদের মাদকের আসর: হুমকির মুখে তরুণ প্রজন্ম লালমনিরহাটে অটোরিকশা থেকে চাঁদা আদায়ের সময় হাতেনাতে গ্রেপ্তার-২ লালমনিরহাটে ভুট্টা ক্ষেত থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার পলাশবাড়ীতে শিক্ষকদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য ও ফিপচার্ট ব্যবহার সংক্রান্ত এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত “আমি আপনাদের পাশে খাদেম হয়ে থাকতে চাই”-এটিএম আজহারুল ইসলাম

এলাকার উন্নয়নে বেতনের একটি বড় অংশ দিবেন যে ব্রিটিশ এমপি

  • আপডেট হয়েছে : সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৪৮ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ব্রিটিশ সংসদের সর্বকনিষ্ঠ ২৩ বছর বয়সী নাদিয়া হুইটমোর তার বেতনের একটি বড় অংশ স্থানীয় সম্প্রদায়কে দান করার ঘোষণা দেয়ার পর আলোচনা তৈরি করেছেন সাধারণ মানুষের মধ্যে।

হুইটমোর জানান, ইংলিশ মিডল্যান্ডসের নটিংহ্যাম ইস্ট আসনে জয়ী হওয়ার আগে তিনি একটি অস্থায়ী চাকরি খুঁজছিলেন। খবর বিবিসি বাংলার

ছয় বছর আগে প্রথমবার রাজনীতিতে যোগ দেন নাদিয়া হুইটমোর। ব্রিটিশ সংসদের সর্বকনিষ্ঠ এই সদস্য এবারের নির্বাচনের আগে বলতে গেলে মানুষের কাছে অপরিচিতই ছিলেন।

তিনি ঘোষনা দিয়েছেন যে কর প্রদানের পর তার বাৎসরিক বেতনের অর্ধকেরও কম পরিমাণ অর্থ তিনি গ্রহণ করবেন এবং বাকি অর্থ দান করবেন।

বছরে ৮০ হাজার পাউন্ড বেতন পাওয়া এই সংসদ ৪৫ হাজার পাউন্ডই দান করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

একজন সাধারণ শ্রমিক গড়ে যেই বেতন পায়, আমি ততটুকুই নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বাকি অর্থ আমি আমার এলাকার উন্নয়নে ব্যয় করবো।

ঐ অর্থের মথ্যে দান, তহবিল গঠন, তৃণমূল পর্যায়ের প্রকল্প তৈরির মত কাজগুলোকে অর্থায়ন করবো।

হুইটমোর বলেছেন দমকল কর্মী, শিক্ষক ও সেবিকাদের যতক্ষণ না পর্যন্ত একদফা বেতনবৃদ্ধি হচ্ছে, তিনিও বর্ধিত বেতন গ্রহণ করবেন না।

শুধু সমাজসেবাই উদ্দেশ্য নয়
হুইটমোর মন্তব্য করেছেন, তার এই সিদ্ধান্ত শুধুই দান করা বা মানুষের সেবা করা উদ্দেশ্য থেকে নয়। অর্থনৈতিক মন্দার পর থেকে পাবলিক সেক্টরের যেসব কর্মীরা চাকরি থেকে ছাটাই হয়েছেন তাদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্দেশ্য থেকেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

সাংসদদের এত বেতন প্রাপ্য না – এই মানসিকতা থেকে আমার বেতনের অংশ দান করছি না আমি। আমি বিশ্বাস করি আমাদের শিক্ষক, সেবিকা ও দমকল কর্মীদেরও আরো বেতন পাওয়া উচিত।

যেদিন তাদের প্রাপ্য বেতন বৃদ্ধি হবে, সেদিন আমিও আমার পুরো বেতন নেবো। আমি আশা করি আমার সিদ্ধান্ত আয়ের বৈষম্যের বিতর্কটিকে উস্কে দেবে।

নাদিয়া হুইটমোর একসময় বিদ্বেষের শিকার হওয়া ভুক্তভোগীদের সহায়তা প্রদানের কাজ করতেন। আইন বিষয়ে তার একটি ডিগ্রি রয়েছে এবং নটিংহাম ইস্ট আসনের জন্য এবারের নির্বাচনে লেবার পার্টির মনোনীত প্রার্থী ছিলেন তিনি।

গত কিছুদিনের ঘটনার আকস্মিকতা তাকে বিস্মিত করেছে।

কয়েকমাস আগেও যখন বড়দিনের জন্য ন্যুনতম বেতনের অস্থায়ী কাজ খুঁজছিলাম, তখন চিন্তাও করতে পারিনি যে ঐ কাজ আমার প্রয়োজন হবে না, কারণ আমি সাংসদ হয়ে যাবো।

পরিবর্তনের প্রত্যাশা
একজন অভিভাবক পরিচালিত পরিবারে বড় হয়েছেন হুইটমোর। কৈশোরেই তিনি সিদ্ধান্ত নেন রাজনীতিতে যোগ দেয়ার। সেসময় অর্থনৈতিক মন্দার জের ধরে সরকার বেশকিছু খাতে অর্থ বরাদ্দ দেয়া কমিয়ে দেয় – যার ফলে অনেক ক্ষেত্রেই সাধারণ মানুষের জীবনযাপনের ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে পড়ে।

নাদিয়া হুইটমোর বলেন, আমি নিজের চোখে দেখেছি আমার প্রতিবেশী ও বন্ধুদের মধ্যে অনেকেই তাদের প্রতিদিনকার খাবারও ঠিকমতো জোগাড় করতে পারছে না

নিউ ইয়র্ক থেকে এই নটিংহাম পর্যন্ত পুরো পশ্চিমা বিশ্বেই প্রগতিশীল কিছু রাজনীতিবিদ আলোচনার কেন্দ্রে আসছেন। আমাদের মত রাজনীতিবিদরা কর্মজীবী শ্রেণী থেকে এসেছে। আমরা জানি অত্যাচারিত হতে এবং বিদ্বেষের শিকার হতে কেমন লাগে।

নির্বাচনে তার জয় নিশ্চিত হওয়ার পর অনেক ভোটার সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

তবে তার বেতনের বড় অংশ দান করে দেয়ার সিদ্ধান্তকে সবাই সহজভাবে নিতে পারেনি।

লেবার পার্টির সাবেক সাংসদ মেলানি অন টুইট করে নাদিয়া হুইটমোরকে ব্যঙ্গ করেছেন। তিনি লিখেছেন, লোক দেখানো সৌজন্যের রীতি এখনো বিদ্যমান। গুরুত্বপূর্ণ একটি দায়িত্বের জন্য ঠিকভাবে বেতন পেলেও যেন কর্মজীবী শ্রেণীর সহ্য হয় না।

কিন্তু হুইটমার বলেন, সাংসদদের কাজ ছোট করে দেখানোর কোনো প্রশ্নই আসে না। কিন্তু এই একই অঙ্কের অর্থে একজন দমকল কর্মী, সেবিকা বা শিক্ষক স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন চালাতে পারেন। তাহলে সাংসদ কেন পারবেন না?

আমি এখন পর্যন্ত মানুষের কাছে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!