
আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নতুন সড়ক পরিবহন আইন পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে দুর্ঘটনা কমে যাবে ও সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। পহেলা নভেম্বর থেকে আইন কার্যকর করা হয়েছে। তবে নতুন আইনে প্রথম সাতদিন কোনো মামলা করা হচ্ছে না বলে জানান তিনি।
আজ শনিবার সকালে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় নতুন সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান ড. আহসানুল করিম, হাইওয়ে পুলিশের পুলিশের অতিরিক্ত আইজি ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, পুলিশ সুপার মো. হারুন-অর-রশিদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ১ নভেম্বর থেকে নতুন সড়ক পরিবহন আইন কার্যকর করা হয়েছে। তবে এখন সারাদেশ সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। প্রথম সাতদিন এই প্রচারণা চলবে। এই সময় কোনো পরিবহনের বিরুদ্ধে নতুন আইনে মামলা দায়ের না করার জন্য নির্দেশ দিয়েছি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, সারাদেশে তৃণমূল পর্যায়ে শুদ্ধি অভিযান চলছে। এরইমধ্যে জেলা ও তৃণমূল পর্যায়ে ভূমিদস্যু, মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। আ.লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সম্মেলনে এসব ভূমিদস্যু, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজরা যাতে স্থান না পায় সেজন্য তৃণমূলের নেতাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিএনপি রাজনীতি করছে উল্লেখ করে আ.লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের বক্তব্যের সঙ্গে দলীয় নেতাদের বক্তব্যের কোনো মিল নেই। উনার শারীরিক অবস্থার এমন কোনো অবনতি হয়নি যে তাকে বিদেশ পাঠাতে হবে। মেডিকেল বোর্ডে খালেদা জিয়ার পছন্দের ডাক্তার রয়েছেন। সেই মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা বলছেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ভালো আছে এবং তিনি সুচিকিৎসা পাচ্ছেন।