
সরকারের শুদ্ধি অভিযানে বহুল সমালোচিত ক্যাসিনো কেলেঙ্কারিতে সম্পৃক্ততার পরে সৃষ্ঠ পরিস্থিতি মোকাবেলা আসন্ন জাতীয় সম্মেলন বাস্তবায়নের আওয়ামী যুবলীগের নীতি নির্ধারণী শীর্ষ ফোরামের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে সংগঠনের চেয়ারম্যান ছাড়াই। আর এই সভায় চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতি নিয়ে যেমন ক্ষোভ প্রকাশ করেছে নেতারা, তেমনি চেয়ারম্যানের আস্থাভাজন দপ্তর সম্পাদককেও বহিষ্কার করা হয়েছে। সেই সাথে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে সাংগঠনিক প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে।
যুবলীগের একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য জানিয়েছেন, নেত্রীকে দেওয়া ওই চিঠিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হলেও যুবলীগের প্রায় সব প্রেসিডিয়াম সদস্যই চান জাতীয় কংগ্রেসের আগেই চেয়ারম্যানের বহিষ্কার। তার বিভিন্ন নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ওঠায় চেয়ারম্যানকে বহিষ্কারের দাবি ওঠে বৈঠকেই।
বৈঠকে উপস্থিত অধিকাংশ সদস্য চেয়ারম্যানের বহিষ্কারে ঐকমত্য পোষণ করলেও সাধারণ সম্পাদকের আপত্তির কারণে তা সম্ভব হয়নি। এতে উপস্থিত নেতারা সাধারণ সম্পাদকের ওপর ক্ষুব্ধ হন। তবে যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক সর্বোচ্চ ব্যবস্থা (বহিষ্কার) নিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বৈঠকে।
বঙ্গবন্ধু এভিনিউর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রেসিডিয়াম বৈঠক হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ।
উপস্থিত ছিলেন শহিদ সেরনিয়াবাত, শেখ শামসুল আবেদীন, আলতাফ হোসেন বাচ্চু, সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, মজিবুর রহমান চৌধুরী, ফারুক হোসেন, মাহবুবুর রহমান হিরন, আবদুস সাত্তার মাসুদ, আতাউর রহমান, বেলাল হোসাইন, আবুল বাশার, মোহাম্মদ আলী খোকন, অধ্যাপক এবিএম আমজাদ হোসেন, আনোয়ারুল ইসলাম, নিখিল গুহ, শাহজাহান ভূঁইয়া মাখন, মোখলেছুজ্জামান হিরু, শেখ আতিয়ার রহমান দিপু প্রমুখ।
বৈঠক শেষে হারুনুর রশিদ বলেন, দফতর সম্পাদক আনিসকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়াও আসন্ন কংগ্রেস নিয়ে বেশকিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেগুলো লিখিত আকারে নিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।