
স্টাফ রিপোর্টার: গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ হোসেনপুর ইউনিয়নের কিশামত চেরেঙ্গা বাঁধে। নবনির্মিত এ বাঁধের পাশে ড্রেজার মেশিন দিয়ে ২৪ ঘন্টা করতোয়া নদী হতে বালু উত্তোলন করছে একটি চক্র। বন্যা নিয়ন্ত্রন এ বাঁধটি এখন মারাত্মক হুমকির মূখে। ২০১৭ সালের বন্যায় বাঁধ ভেঙ্গে অত্র এলাকা ও গোবিন্দগঞ্জ এলাকায় ব্যাপক ফসলহানী ঘটে পরবর্তীতে বন্যনিয়ন্ত্রন বাঁধটি পূননির্মান করেন পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এবং এ কাজটি শেষ হয় ২০১৯ সালের মাঝা-মাঝি সময়ে এমন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা এবং নদীর একটি টারনিং পয়েন্টে ( পশ্চিম দিক হতে দক্ষিনে বাঁক নেওয়া করতোয়া নদী) এলাকাটি সংরক্ষনে সকলের দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন হলেও এলাকার সচেতন মানুষের সামনেই এ নবনির্মিত বাঁধের পাশেই নদীর গভির হতে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উতো্তলন করছে একটি চক্র। নদী হতে বালু উত্তলন করে বাঁধের পূর্ব পাশে বিশাল স্তুুপ তৈরি করেছে।
এ বিষয়ে হোসেনপুর ইউনিয়ন (ভূমি) তৌসিলদার হুমায়ন মিয়া “খবরবাড়ী২৪ ডট কম’কে জানান, এ বিষয়টি আমার জানা নাই, খোঁজ- খবর নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ইউপি ৬ নং ওয়াড সদস্য পল্লব মিয়া “খবরবাড়ী ২৪ ডট কম”কে জানান,করতোয়া নদী হতে বিভিন্ন সময়ে বালু উত্তলন ও পরিবহনের ফলে গ্রামীণ রাস্তা ও বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধটি ক্ষতিসাধন হচ্ছে। এ বিষয়ে মিজান মেম্বারের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
উল্লেখঃ নিদৃষ্ট বালুমহাল না থাকায় উপজেলার বিভিন্ন স্থানে করতোয়া নদীতে ও নদীর অপর পাশে দিনাজপুর জেলা অংশে করতোয়া নদী হতে বালু উত্তলন হচ্ছে। অবকাঠামো নির্মাণে বালুর প্রয়োজন থাকায় যেখানে সেখানে বালু উত্তোলন কাজের সাথে দিন দিন যুক্ত হচ্ছে মানুষ যা পরিবেশের উপর বিরুপ প্রভাবের আশংঙ্খা দেখা দিয়েছে।
নবনির্মিত এ বাঁধের পাশ হতে বালু উত্তোলনের বিষয়ে পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মেজবাউল হোসেন “খবরবাড়ী ২৪ ডট কম’কে জানান, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
গাইবান্ধা (পাউবো) কর্মকর্তা মাহাবুবর রহমান
“খবরবাড়ী ২৪ ডট কম’কে জানান,আমরা এ বিষয়ে ডিসি,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী ভূমি কমিশনার মহোদয়’কে পূর্বেও জানিয়েছিলাম এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন। তিনি আরও জানান,বালু উত্তোলন ও নদীর বিষয়ে আমাদের দ্বায়িত্বের মধ্য পরেনা, তারপরও আপনি জানালেন বিধায় দু একদিনের মধ্যে সহকারী কমিশনার (ভূমি)’ কে বিষয়টি অবহিত করা হবে #