
গাইবান্ধা জেলার সাদুল্যাপুরের বাসিন্দা একই জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার দুর্গাপুর মসজিদের পেশ ইমাম আবুল কালাম আজাদ হত্যা মামলার আসামী শাহারুল মন্ডলের মা তাহেরা বেগম তার নিজ বসতবাড়ীতে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। ২২ অক্টোবর মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শাহারুল মন্ডলের ছোট ভাই ফরহাদ হোসেন মন্ডল।
সংবাদ সম্মেলনে জানাযায়, গত ১৯ অক্টোবর- ২০১৯, সকাল ১১টায় সাদুল্লাপুর উপজেলার গোবিন্দরায় দেবত্তর এলাকার একটি আম গাছ হতে ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় আবুল কালাম আজাদ নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় শাহারুল ইসলামসহ ৩ জনকে আসামী করে নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে সাদুল্যাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।
সাহারুল মন্ডল নম্র-ভদ্র, একজন ব্যবসায়ী, হাট কালেকটর ও উদ্যোক্তা, কালীবাড়ী হাটে তার একটি গার্মেন্টেস্-এর দোকান রয়েছে। এছাড়াও সে কালীবাড়ী কাঁচামাল হাটের একজন নিয়মিত কালেকটর, পাশাপাশি একজন উদ্যোক্তা এ ছাড়াও তার ছেলের নিজস্ব একটি গরু ও ছাগলের খামার রয়েছে। সম্পুর্ণ সৎ উপার্জনের মধ্য দিয়ে আমার ছেলে ব্যবসা-বানিজ্য পরিচালনা করে আসছিল। এদিকে নিহত ইমাম আবুল কালাম আজাদ ধার্মিক একজন মানুষ ছিলেন। সেই সুবাদে আমার ছেলের সাথে বন্ধুত্বের সুবাদে তিনি ৫ হাজার টাকা ধার স্বরূপ গ্রহণ করেন। দীর্ঘদিন টাকা প্রদান না করায় আমার ছেলে তার নিকট পাওনা টাকার জন্য ২দিন তার বাড়ী গিয়ে তাগিদ দিয়ে আসে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৯ অক্টোবর ২০১৯ আম গাছ থেকে ফাঁসিতে ঝুলানো অবস্থায় আবুল কালাম আজাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এঘটনায় নিহতের পরিবার সম্পুর্ণ পরিকল্পিত ভাবে আমার ছেলে শাহারুলকে আসামী করে একটি হয়রানীমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করে। আমি ও আমরা নিজেও চাই রহস্যজনক এই ঘটনার সুস্থ বিচার হোক। পুলিশ প্রশাসন সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার রহস্য উদঘাটন করুক। পাশাপাশি আপনাদের মাধ্যমে আমার ছেলের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
উল্লেখ্য,গত ১৯ অক্টোবর শনিবার সকালে মসজিদের ইমাম আবুল কালাম আজাদের সাদুল্যাপুর উপজেলার গোবিন্দরায় দেবত্তর এলাকার একটি আম গাছ হতে ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।