
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসায় প্রভাবশালী রাজনীতিবদরা জড়িত কি না, তা তদন্তের বিষয়। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রশাসনের কেউ এই কারবারে প্রশ্রয় দিয়ে থাকলেও তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু ক্যাসিনো নয়, সব অবৈধ ব্যবসার বিরুদ্ধে অভিযান চলবে। আমরা বিভিন্ন বারের যেমন লাইসেন্স দিয়ে থাকি তেমনি ক্যাসিনো চালাতে গেলে সরকারের অনুমোদন লাগবে। যারা এ ব্যবসা করছে তারা সরকারের কাছ থেকে অনুমোদন নেয়নি। তারা অবৈধভাবে এ কাজটি চালাচ্ছিলো। সেজন্য তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়েছে।’
ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে হঠাৎ করে কেন এ অভিযান, আপনারা কি আগে থেকে এ বিষয়ে জানতেন না? এ প্রশ্নের জবাব মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য ছিল। সে তথ্যের আলোকে এ অভিযান চালানো হয়েছে।’
এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘শুধু এখন না, আমরা আগেও এ রকম অভিযান চালিয়েছি।’ উদাহরণ হিসেবে তিনি কলাবাগান ও কাওরানবাজারের দু’টি ক্লাবে অভিযানের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘অভিযানে ওই ক্লাব দু’টির অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছি।’
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর আপনারা তৎপর হয়েছেন কিনা এ প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পরিষ্কার। সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে তার জিরো টলারেন্স নীতি আমরা অনুসরণ করছি। উনি যেভাবে নির্দেশনা দেন সেভাবে আমরা কাছ করছি।’
ক্যাসিনোর কর্মকাণ্ডে প্রশাসনের লোকও জড়িত ছিল এমন তথ্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ রকম কেউ জড়িত থাকলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে। এসব বিষয়ে তদন্ত চলছে।’
যুবলীগ নেতার অবৈধ ক্যাসিনোতে অভিযান প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অনুমতি ছাড়া ক্যাসিনো চালানো হয়েছে, এজন্য অভিযান চালানো হয়েছে। প্রশাসন যখন জেনেছে, তখনই অভিযান চালানো হয়েছে।