
সোমবার পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে বৈঠকের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, “আমি পাকিস্তানকে বিশ্বাস করি। আমি চাই যে কাশ্মীরে সবাই ভাল থাকুন। প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে যেমন আমার ভাল সম্পর্ক, তেমনই পাক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও আমার সম্পর্ক ভাল। যদি দু’জনেই বলেন, আমাদের একটা সমস্যা রয়েছে তা সমাধান করে দিন। আমি তক্ষুণি রাজি হয়ে যাব। আমি মনে করি, আমি খুব ভাল মধ্যস্ততা করতে পারি।”
ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পর যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে এক পাক সাংবাদিক মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বলেন, “আপনি যদি এই সমস্যার ( পড়ুন কাশ্মীর সমস্যার ) সমাধান করতে পারেন, তাহলে আপনি নোবেল পুরস্কার পাওয়ার একজন যোগ্য দাবিদার।”
এ কথা শোনার পর নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে ট্রাম্প উত্তর দেন, “আমি মনে করি, আমি অনেক কিছুর জন্যই নোবেল পুরস্কার পেতে পারি। তবে যদি সেটা ঠিকভাবে দেওয়া হত তবে। কিন্তু ওরা দেয় না।”
এই প্রসঙ্গে আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রসঙ্গও টেনে আনেন ট্রাম্প। ২০০৯ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওবামাকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল। পারমাণবিক যুদ্ধ বন্ধ করা ও এক নতুন পরিবেশ তৈরি করার তাঁর প্রচেষ্টাকে সম্মান জানাতেই এই পুরস্কার দেওয়া হয় তাঁকে।
কিন্তু ট্রাম্প কটাক্ষ করে বলেন, “আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ওবামাকে নোবেল দেওয়া হয়। কী জন্য এই পুরস্কার ওকে দেওয়া হয়েছে, তার ধারনাও ওর নেই। এই একটা বিষয়ে আমি ওবামার সঙ্গে একমত।”
অবশ্য এই প্রথম নয়, এর আগেও অনেকবার নোবেল পুরস্কার পাওয়ার ব্যাপারে মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। তাঁর যুক্তি উত্তর কোরিয়াকে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করতে না দেওয়ার জন্য তাঁকে নোবেল দেওয়া উচিত। ট্রাম্প মনে করেন, পৃথিবী জুড়ে সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখার ক্ষেত্রে ওবামার থেকেও তাঁর অবদান অনেক বেশি। সূত্র- দ্যা ওয়াল।