1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন
২৮শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২২শে জমাদিউস সানি, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পলাশবাড়ী প্রেসক্লাবে সাংবাদিক পাপুল সরকারের জন্মদিন উদযাপন পলাশবাড়ীতে ডা. সাদিকের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ইনকিলাব মঞ্চের ওসমান হাদী গুলিবিদ্ধের প্রতিবাদে গাইবান্ধায় মশাল মিছিল গোবিন্দগঞ্জে দ্রুত ইপিজেড বাস্তবায়নের দাবীতে মানববন্ধন গাইবান্ধা নাট্য ও সাংস্কৃতিক সংস্থার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন ১২ ডিসেম্বর গোবিন্দগঞ্জ হানাদার মুক্ত দিবস তারাগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা দম্পতি খুনে টাইলস মিস্ত্রি গ্রেপ্তার তারাগঞ্জে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণায় আনন্দ মিছিল তারাগঞ্জে অধ্যক্ষ সালামের অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন সাদুল্লাপুরে মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদের পরিচিতি ও আলোচনা সভা

মাটির নিচে যুক্তরাষ্ট্রের ৬৩ কোটি ব্যারেল জরুরি তেলের ভান্ডার

  • আপডেট হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে

সৌদি আরবের দুটি তেল স্থাপনার ওপর ড্রোন হামলার পরই যখন তেলের দাম বেড়ে গিয়েছিল তখন আমেরিকান কর্মকর্তারা বলছিলেন, তেল সরবরাহে সংকট দেখা দিলে প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল জরুরি মজুতে থাকা তেল কাজে লাগানো হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প টুইট করেছিলেন, বাজারে তেলে সরবরাহ অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য সেই কৌশলগত মজুতের তেল ব্যবহার করতে পারেন তারা। খবর বিবিসি বাংলার

কিন্তু কোথায় সেই আমেরিকান তেলের ভান্ডার?
এই মজুত আছে টেক্সাস এবং লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যে মাটির নিচে লবণের স্তরের ভেতর তৈরি গুহায়। এখানে যুক্তরাষ্ট্রের কোন জরুরি প্রয়োজন সামাল দেবার জন্য জমা করে রাখা আছে ৬৪ কোটি ব্যারেল তেল।

আসলে সেই তেলের মজুত গড়ে তোলার ভাবনাচিন্তা করা হয়েছিল ১৯৭০-এর দশকে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময়কার তেল সংকটের পটভূমিতে।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি এজেন্সির সব সদস্য দেশকেই অন্তত ৯০ দিন ব্যবহারের মত পেট্রোলিয়ামের আমদানি ধরে রাখতে হয়। তবে জরুরি প্রয়োজন মোকাবিলার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে ভান্ডার গড়ে তুলেছে – তার মত বড় মজুত পৃথিবীর কোথাও নেই।

যুক্তরাষ্ট্রে মোট চারটি জায়গায় এই জরুরি তেলের মজুত রয়েছে। টেক্সাসের ফ্রিপোর্ট এবং উইনির কাছে, আর লুইজিয়ানায় লেক চার্লস আর ব্যাটন রুজে।

মাটির তিন হাজার তিনশ ফিট নিচে মানবসৃষ্ট অনেকগুলো গুহার মধ্যে এই তেল জমা করে রাখা আছে। ভূগর্ভস্থ লবণের স্তরের একটা অংশের লবণ গলিয়ে ফেলে তৈরি করা হয় এই গুহা – যাতে প্রাকৃতিক গ্যাস বা তেল মজুত রাখা যায়।

মাটির ওপরে ট্যাংকে তেল জমা রাখার চাইতে এই পদ্ধতি অনেক সস্তা, এবং নিরাপদ। ভূগর্ভস্থ লবণের রাসায়নিক গঠন এবং ভূতাত্বিক চাপ – দুই কারণেই এখান থেকে তেল বেরিয়ে যেতে পারে না।

ফ্রিপোর্টের কাছে ব্রায়ান মাউন্ডে যে গুহাটি আছে তাদের ২৫৪ মিলিয়ন বা ২৫ কোটি ৪০ লাখ ব্যারেল তেল জমা রাখা যায়।

কেন এই জরুরি তেলের মজুত?
উনিশশ সত্তরের দশকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর তেল নিষেধাজ্ঞা আরোপের ফলে সারা পৃথিবীতেই তেলের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে গিয়েছিল।

১৯৭৩এর আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের পক্ষ নেয়ায় ওপেকের সদস্য ইরাক,কুয়েত, কাতার ও সৌদি আরব আমেরিকায় তেল রপ্তানি করতে অস্বীকার করে।

আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ মাত্র তিন সপ্তাহেই থেমে যায় কিন্তু সেই নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল ১৯৭৪এর মার্চ পর্যন্ত।

ফলে তেলের দাম বেড়ে গিয়েছিল প্রায় চারগুণ – ব্যারেল প্রতি ৩ ডলার থেকে ১২ ডলারের কাছাকাছি। পেট্রোলপাম্পগুলোয় পড়ে গিয়েছিল গাড়ির দীর্ঘ লাইন।

এর পরই ভবিষ্যতের সংকট মোকাবিলার চিন্তা থেকে মার্কিন কংগ্রেসে একটি আইন পাস করে কৌশলগত পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ গড়ে তোলা হয় ।

কত দিন চলবে এই মজুতে?
যুক্তরাষ্ট্রের এই মজুতের যে তথ্য যে ওয়েবসাইটে আছে তাতে জানা যাচ্ছে – ১৩ই সেপ্টেম্বর সর্ব মোট তেল মজুত ছিল ৬৪ কোটি ৪৮ লাখ ব্যারেল।

মার্কিন জ্বালানি তথ্য প্রশাসনের এক হিসেবমতে আমেরিকানরা ২০১৮ সালে গড়ে প্রতিদিন ২ কোটি ৫ লাখ ব্যারেল তেল ব্যবহার করেছে।

সে হিসেবে এই জরুরি মজুতে আমেরিকার ৩১ দিন চলবে। ১৯৭৫ সালের এক আইন অনুযায়ী এই জরুরি মজুতের তেল ব্যবহারের নির্দেশ শুধুমাত্র প্রেসিডেন্টই দিতে পারেন।

অবশ্য এখান থেকে তেল বের করা সহজ নয়। প্রেসিডেন্টের আদেশ পেলেও এখান থেকে তেল বের করে তা বাজার পর্যন্ত পৌঁছে দিতে প্রায় দু সপ্তাহ লাগবে।

তা ছাড়া এখানে তেল জমা রাখা হয়েছে অশোধিত আকারে। গাড়ি, জাহাজ বা বিমানে ব্যবহার করতে হলে এই তেলকে আগে শোধনাগারে পাঠিয়ে প্রক্রিয়াজাত করাতে হবে।

এই তেল কি কখনো ব্যবহার হয়েছে?
সবশেষ এই জরুরি মজুতের তেল ব্যবহার করা হয় ২০১১ সালে, যখন আরব বসন্তের কারণে জ্বালানি সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছিল।

১৯৯১ সালে উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ সিনিয়র জরুরি মজুতের তেল ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন।

তার ছেলে প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ হারিকেন কাটরিনার পর জরুরি মজুতের ১ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল তেল বিক্রির অনুমতি দেন।

প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সময়ও বাজেট ঘাটতি কাটাতে ১৯৯৭ সালে ২ কোটি ৮০ লাখ ব্যারেল তেল বিক্রি করা হয়।

অনেকে অবশ্য এত বড় জরুরি মজুত রাখার আদৌ প্রয়োজন আছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০১৭ সালে জরুরি মজুতের অর্ধেক তেলই বিক্রি করে দেবার পরিকল্পনা করেছিলেন ফেডারেল ঘাটতি কমানোর লক্ষ্যে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft