
বগুড়ায় প্রতিনিয়ত পানি বাড়ার ফলে প্লাবিত হচ্ছে অনেক নতুন এলাকা। আজ বৃহস্পতিবার সকালে যমুনা নদী আরও ভয়ানক হয়ে ধরা দেয়। সেখানে পানি প্রবাহিত হচ্ছে বিপদ সীমার ১২৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে।
জেলা প্রশাসনের হিসাব অনুযায়ী, সারিয়াকান্দি, সোনাতলা ও ধুনট উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের ১০২ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ৯০ হাজার মানুষ। প্রায় দুই হাজার পরিবার আশ্রয় নিয়েছেন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে। তাছাড়া নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছে ২০ হাজার পরিবার।
বন্যায় প্লাবিত হওয়ায় জেলার তিন উপজেলার ৬৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ১১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানান জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা।
বন্যায় তিন উপজেলার ৬৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ১১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্লাবিত হওয়ায় পাঠদান বন্ধ রয়েছে বলে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
বগুড়ার ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক রায়হান ইসলাম জানান, তিন উপজেলায় বন্যাদুর্গতদের জন্য চাল, শুকনা খাবার ও পানি বিশুদ্ধিকরণ ট্যাবলেট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান ভুঁইয়া জানান, আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হতে পারে।
তিনি আরো জানান, দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি ক্রমেই উন্নতি হচ্ছে।