1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন
৬ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
সরকারের প্রতি সবার অধিকার সমান: প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল থেকে রমজান মাস শুরু, ১৬ মার্চ দিবাগত রাতে শবে কদর সুজন মহুরীর হত্যার প্রতিবাদে গাইবান্ধা আইনজীবী সহকারি সমিতির মানববন্ধন ও বিক্ষোভ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন তারেক রহমান শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিশ্বমানে উন্নীত করাই প্রধান লক্ষ্য : শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন সাংবাদিকদের সমস্যা সমাধান ছাড়া গণমাধ্যমের উন্নয়ন সম্ভব নয় : তথ্যমন্ত্রী যুবদল নেতার ওপর সশস্ত্র হামলার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত ‎দুলু কেবিনেট মন্ত্রী হওয়ায় লালমনিরহাটে বইছে আনন্দের জোয়ার, জেলা জুড়ে মিষ্টি বিতরণ প্রধান সড়কে তুলার দোকান, প্রকাশ্য তুলোধুনোতে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি যোগ্যতা অর্জনের জন্য চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশ

তলিয়ে গেছে ১৫০ গ্রাম, পানিবন্দি লাখো মানুষ

  • আপডেট হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই, ২০১৯
  • ৪৬ বার পড়া হয়েছে

কয়েকদিন দরে টানা ভারী বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে নদ-নদীর পানি বেড়ে গেছে। এতে প্লাবিত হয়েছে ৫ জেলার অন্তত ১৫০ গ্রাম। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সুনামগঞ্জ জেলা। সুরমা নদীর পানি বেড়ে ৫ উপজেলায় শতাধিক গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

বাঁধ ছাপিয়ে প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা । যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে তাহিরপুর-সুনামগঞ্জে। প্রায় ২০টি প্রাথমিক স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে। কুড়িগ্রামে চার দিনের টানা বৃষ্টিতে নদ-নদীর পনি বাড়ায় নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

এদিকে পানি বাড়ার সাথে সাথে তীব্র হচ্ছে ভাঙন। তিস্তার ভাঙনে বিদ্যানন্দ, ধরলার ভাঙনে কালুয়ারচর, ধনিরাম, ভোগডাঙা, ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে হাতিয়া, জোড়গাছসহ কয়েকটি এলাকায় শতাধিক পরিবার গৃহহীন হয়েছে।

বেড়ে চলছে ফেনীর মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর পানি। এরই মধ্যে অন্তত ১০ জায়গার বাঁধ ভেঙে প্লাবিত ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলার ১২ গ্রাম। ভারী বর্ষণ ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা, ধরলা ও সানিয়াজান নদীর পানি ক্রমেই বৃদ্ধি পেয়ে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের চর অঞ্চলগুলোতে বন্যা ও জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে মানুষ।

বুধবার রাত ৯টায় তিস্তার পানি ৫২.৩৫ বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।। তিস্তা ব্যারেজ দোয়ানী পয়েন্টে তিস্তা পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ৫৫ সেন্টিমিটার। আর তাই ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

জানা গেছে, গত দুই দিন ধরে ভারী বর্ষণের কারণে তিস্তা নদীর চর এলাকাগুলোতে লোকজন পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। চর এলাকাগুলোর যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। উজানের পানি ও ভারী বর্ষণের কারণে বন্যা ও জলবন্ধতা দেখা দিয়েছে।

এদিকে হাতীবান্ধা উপজেলার, গড্ডিমারী, সানিয়াজান, সিঙ্গীমারী, সিন্দুর্না, পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নে জলাবন্ধতার কারণে বেশ কিছু পরিবার পানিবন্দি হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে দোয়ানী ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, উজানের পানি ও থেকে বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। বিপদসীমা অতিক্রম করে নাই। তবে বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই। খুলে দেয়া হয়েছে তিস্তা ব্যারেজের সব গেট। এতে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!