1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৬:৩০ অপরাহ্ন
২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৫ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
কৃত্রিম সংকট তৈরির দায়ে তারাগঞ্জে সার ডিলারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা গাইবান্ধায় ধর্ম অবমাননার প্রতিবাদে হেফাজতের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন সাদুল্লাপুরের ইদিলপুরে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল মুমূর্ষু ধতরা বিল; পীরগঞ্জের কৃষি, পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদের মৃতপ্রায় উৎস ! গাইবান্ধায় রংপুর বিভাগীয় লেখক পরিষদের সাহিত্য পাঠের আসর তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষে গাইবান্ধায় প্রীতি নারী ফুটবল ম্যাচ অতিরিক্ত ফি আদায় নিয়ে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সতর্কতা স্থানীয় ক্লিনিক রক্ষায় সন্তান জন্মদানে ১ হাজার ইউরো বোনাস দিচ্ছে ফরাসি শহর জুলাই হত্যাকাণ্ডের খুনিদের ফিরিয়ে আনা সরকারের প্রধান লক্ষ্য : প্রেস সচিব চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা চুক্তি বাতিলের দাবীতে ঢাকার কর্মসূচিতে হামলার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ ও সমাবেশ

সাঘাটার কালুরপাড়া ও কুমারপাড়া চরের বানভাসিদের ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগ

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ২৪ জুলাই, ২০১৯
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের কালুরপাড়া ও কুমারপাড়া চরের ৪ শতাধিক বানভাসি ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে সরকারিভাবে দেয়া চাল অথবা শুকনা খাবার ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

বন্যাকালিন ও বন্যা পরবর্তী সময়ে ওই এলাকার ইউপি সদস্য, চেয়ারম্যান বা সরকারি কোন কর্মকর্তা তাদের কোন খোঁজ খবর না নেয়ায় ভুক্তভোগিরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

সাঘাটা উপজেলা ত্রাণ ও প্রকল্প কর্মকর্তা অফিস সুত্রে জানা গেছে, হলদিয়া ইউনিয়নের বন্যাকবলিত পরিবারদের জন্য ২৩ জুলাই পর্যন্ত সরকারিভাবে ৪৫ মে.টন চাল ও ১৫০ কার্টুন শুকনা খাবার বিতরণ করলেও ওই ইউনিয়নের কালুরপাড়া ও কুমারপাড়ার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর ভাগ্যে কোন প্রকার ত্রাণ সহযোগিতা জোটেনি।

কুমারপাড়া ও কালুরপাড়া গ্রামের ছাত্তার, আজিজ, মনোয়ারা বেগম,সাফিয়া বেগম,আমেনা বেগম, জেসমিন আক্তার, রুপভান বেগম, আলেফা বেগম, মানিকজান বেওয়া,তাছলিমা বেগমসহ অনেকেই অভিযোগ করেন, বন্যায় তাদের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হলেও কেউ তাদের পাঁশে দাড়ায়নি।

ইউপি সদস্য আব্দুল মজিদ সরকারের সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমার নিজের বাড়ি পানির স্রো ভেসে গেছে। সেই ঘরবাড়ি টানতে গিয়ে আমি পরিষদে একদিন যাইতে পারি নাই। তাই চেয়ারম্যান আমার ওয়ার্ডের কাউকে কোন প্রকার ত্রাণ সামগ্রী দেয় নাই। ত্রাণ না দেয়ার ফলে আমি আমার ওয়ার্ডে জনগণের মাঝে যাবার সাহস পায়নি।

হলদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলীর সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমি ওই গ্রামের জন্য ৮০টি টোকেন দিয়েছিলাম, মজিদ মেম্বর নেয়নি। পরে সেই টোকেনগুলি ডেপুটি স্পিকার মহোদয় উত্তর দিঘলকান্দি গ্রামের মানুষের মাঝে বিতরন করেছে। যার কারনে তারা ত্রাণ বঞ্চিত হয়েছে।

এদিকে সাঘাটা উপজেলা প্রকল্প ও ত্রান কর্মকর্তা মিঠুন কুন্ড সাংবাদিদের জানান, কালুরপাড়া ও কুমারপাড়ার প্রতিটি পরিবারেই ত্রাণ পেয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft