
দেশে প্রতিষ্ঠিত টেস্টিং ল্যাবরেটরিগুলোর অনুকূলে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য পরীক্ষণ সনদ (অ্যাক্রেডিটেশন সার্টিফিকেট) প্রদানে সক্ষম এখন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) ।২০১৫ সালেই এ সক্ষমতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। ওই বছরের ৮ জানুয়ারি হংকংয়ে অনুষ্ঠিত এশিয়া প্যাসিফিক ল্যাবরেটরি অ্যাক্রেডিটেশন কো-অপারেশনের (এপিএলএসি) পারস্পরিক স্বীকৃতি বিষয়ক সভায় বিএবি এ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করে। বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস আজ।
এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হচ্ছে- ‘অ্যাক্রেডিটেশন : সাপ্লাই চেইনে মূল্য সংযোজন করে।’দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।প্রদত্ত বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বিশ্বায়নের এ যুগে পণ্য ও সেবা সরবরাহ শৃঙ্খলে অ্যাক্রেডিটেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।’তিনি দৃঢ় প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, উৎপাদক থেকে শুরু করে ভোক্তা পর্যায়ে সকলের আস্থা অর্জনে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড, বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও ব্যবসায়িক সম্প্রদায়সহ সংশ্লিষ্ট সকলে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।প্রদত্ত বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দৃঢ় আস্থা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড মান বিষয়ক নীতি নির্ধারণ, জাতীয় মান অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং টেকসই সাপ্লাই চেইন গড়ে তোলার মাধ্যমে রপ্তানি বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান সুসংহত করতে আগামী দিনেও ইতিবাচক অবদান রাখবে।তিনি বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০১৯ উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেছেন।বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে আজ দেশে ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস’ উদযাপিত হচ্ছে।