1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৪২ অপরাহ্ন
৫ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১লা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
‎দুলু কেবিনেট মন্ত্রী হওয়ায় লালমনিরহাটে বইছে আনন্দের জোয়ার, জেলা জুড়ে মিষ্টি বিতরণ প্রধান সড়কে তুলার দোকান, প্রকাশ্য তুলোধুনোতে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি যোগ্যতা অর্জনের জন্য চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশ ফুলছড়িতে নবজাগরণ পাঠাগারের আয়োজনে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা গাইবান্ধায় নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার : মিলল হাতে লেখা চিরকুট তারাগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ৫ মাসের জেল তারেক রহমানের রাষ্ট্রনায়ক হয়ে ওঠার পথপরিক্রমা ধানমন্ডিতে জোড়া খুন: গৃহকর্মী সুরভীর মৃত্যুদণ্ডের আদেশ পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে হামলায় নিহত ১৪

নতুন অর্থবছরের বাজেট পাস

  • আপডেট হয়েছে : রবিবার, ৩০ জুন, ২০১৯
  • ৪২ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় সংসদে পাস হলো প্রস্তাবিত ২০১৯-২০ অর্থ বছরের বাজেট। রোববার দুপুরে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এটি পাসের সুপারিশ করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়। এরপর সংসদ সদস্যরা অনেকক্ষণ ধরে টেবিলে চাপড়ে স্বাগত জানান। কাল সোমবার (১ জুলাই) থেকে কার্যকর হবে এ বাজেট।

রবিবার সকাল ১০টায় একাদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে পুনরায় শুরু হয়।

৩৫৫ জন সংসদ সদস্য ৫১ ঘণ্টা ৫২ মিনিট আলোচনার পর (৩০ জুন) বাজেট পাস হয়। এবার বাজেট আলোচনায় বিএনপি-জাতীয় পার্টি, গণফোরাসহ সকল বিরোধী দলীয় সদস্যরা তাদের মতামত তুলে ধরে সংসদে বক্তব্য রাখেন। এছাড়া সম্পূরক বাজেটের (২০১৮-১৯) ওপর ১৪ জন সদস্য আলোচনা করেন। সব মিলিয়ে বাজেটের ওপর ২৬৯ জন সংসদ সদস্য ৫৫ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট আলোচনা করেন। যা সংসদের ইতিহাসে একটি রেকর্ড।

এর আগে আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে কিছু সংশোধনী এনে অর্থবিল ২০১৯ শনিবার জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের টানা ১১ তম বাজেট অধিবেশন শুরু হয় গত ১১ জুন এরপর ১৩ জুন নতুন অর্থ বছরের ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। যদিও তার অসুস্থতার কারণে এবারই প্রথম সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতার অধিকাংশটুকুই পাঠ করেন।

‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ; সময় এখন আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের’ শীর্ষক শিরোনামে বাজেটটি পাস করা হয়।

গত ১৩ জুন ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট পেশ করা হয় সংসদে। এ বাজেট চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ১৮ শতাংশ বড়। নতুন অর্থ বছরের বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৮ দশমিক ২ শতাংশ। এছাড়া মূল্যস্ফীতির চাপ ৫ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৬৮৩ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত উন্নয়ন বাজেটের চেয়ে প্রায় ২২ শতাংশ বেশি। পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ১০ হাজার ২৬২ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৬০ হাজার ১০৯ কোটি টাকা ব্যয় হবে শুধু প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধে। বাজেটে রাজস্ব আহরণ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে কর ও কর-বহির্ভূত খাত থেকে রাজস্বের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা।

নতুন অর্থ বছরের বাজেটে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট থেকে সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এ খাত থেকে রাজস্ব নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৬৭ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের তুলনায় ১৭ দশমিক ২১ শতাংশ বেশি। এছাড়া আমদানি শুল্ক থেকে ৩৬ হাজার ৪৯৮ কোটি, সম্পূরক শুল্ক থেকে ৪৮ হাজার ১৫৩ কোটি, রফতানি শুল্ক থেকে ৫৪ কোটি, আবগারি শুল্ক থেকে ২ হাজার ২৩৯ কোটি এবং অন্যান্য কর ও শুল্ক থেকে ১ হাজার ৬৭৭ কোটি টাকা আয়ের প্রাক্কলন করা হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে। বাজেটে আয়ের উৎস হিসেবে বৈদেশিক অনুদানের ওপর নির্ভরতা রয়েছে। কিছুটা বেড়েছেও এ নির্ভরতা। অনুদানের পরিমাণ চলতি অর্থবছরের চেয়ে বাড়িয়ে ৪ হাজার ১৬৮ কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে।

বাজেটে জিডিপির ৫ শতাংশ ঘাটতি ধরা হয়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতি দাঁড়াবে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের চেয়ে ১৫ শতাংশ বেশি। ঘাটতি অর্থায়নে ৭৭ হাজার ৩৬৩ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে। এর মধ্যে ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ৪৭ হাজার কোটি টাকা অর্থায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে। সঞ্চয়পত্র থেকে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ব্যাংকিং খাত থেকে অর্থায়ন বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে বাজেটে। ঘাটতি অর্থায়নে বৈদেশিক উৎস থেকে প্রায় ৬৪ হাজার কোটি টাকার সংস্থান করা হবে। প্রস্তাবনায় সামগ্রিকভাবে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ চলতি অর্থবছরের চেয়ে ২১ হাজার ৫০৭ কোটি টাকা বেশি ধরা হয়েছে। মোট ৭৫ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণের মধ্যে ১১ হাজার ৫৪২ কোটি টাকা ব্যয় হবে আগের ঋণ পরিশোধেই।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!