
বাংলাদেশের পাবনায় নির্মাণাধীন রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক এলাকায় আসবাবপত্র কেনাকাটা এবং সেগুলোর বহন খরচ নিয়ে যে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, সেটির প্রতিবাদে ঢাকায় একটি অভিনব বিক্ষোভ হয়েছে।
ঢাকার প্রেসক্লাবে সামনে গণঐক্য এবং নাগরিক পরিষদ নামে দুটি সংগঠনের কিছু ব্যক্তি বালিশ হাতে নিয়ে এই বিক্ষোভ করেন। এই বিক্ষোভে ১৫ জনের মতো অংশ নেন। খবর বিবিসি বাংলার
বিক্ষোভের নাম দেওয়া হয়েছে বালিশ বিক্ষোভ।
সম্প্রতি একটি দৈনিক পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়েছে যে পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকার জন্য নির্মিত বহুতল ভবনের ফ্ল্যাটগুলোর জন্য ১,৩২০টি বালিশ কেনা হয়েছে, যার প্রতিটির মূল্য দেখানো হয়েছে প্রায় ছয় হাজার টাকা।
প্রতিটি বালিশ নিচ থেকে উপরে বহন করার খরচ দেখানো হয়েছে ৭৬০ টাকা।
নাগরিক পরিষদের আহবায়ক মো: শামসুদ্দিন বলেন, যেখানে একটি বালিশের বাজার মূল্য ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা, সেখানে একটি বালিশের মূল্য দেখানো হয়েছে ছয় হাজার টাকা।
তিনি বলেন, দেশে যে সীমাহীন দুর্নীতি চলছে এটি তার একটি নমুনা মাত্র। এ বিষয়টিকে ইতিহাসের সেরা লুট বলে আখ্যায়িত করেছে বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা।
বিক্ষোভকারীদের বহন করা একটি পোস্টারে লেখা ছিল, কে দেখবে এই দুর্নীতি? কে থামাবে এই মহামারি? আরেকটি পোস্টারে লেখা ছিল, কৃষক পায়না ফসলের দাম, চারিদিকে লুটপাটের জয়গান।
ব্যাপক এই দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখার জন্য দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
রবিবার এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সব ধরণের পাওনা বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।