
অবশেষে প্রেম পরিণত হয়েছে পরিণয়ে। এক জমকালো আনন্দ-আয়োজনের মধ্যদিয়ে গাঁটছড়া বাধলেন থাইল্যান্ডের রাজা মহা বজিরালংকর্ন ও সুতিদা তিদজাই। স্ত্রীকে ‘রানী’ উপাধি দিয়েছেন রাজা। আনুষ্ঠানিকভাবে সিংহাসনে আরোহনের কয়েকদিন আগে বুধবার ( ১ মে) তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
রাজপরিবারের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। এছাড়া জাতীয় টিভি চ্যানেলে সম্প্রচারিত হয়েছে অনুষ্ঠানের ভিডিও ক্লিপস। বিবৃতিতে জানানো হয় এই বিবাহের অনুষ্ঠান ঘটা করে আয়োজনের কথা।
২০১৬ সলে বাবার মৃত্যুর পর থেকে ৬৬ বছর বয়সী বাজিরালংকর্ন সাংবিধানিক রাজা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আগামী শনিবার ব্রাহ্মণ ও বৌদ্ধ ধর্মমতে তার পরম্পরাগত অভিষেক হওয়ার কথা। অভিষেকের পরে তাকে নিয়ে ব্যাংকক শহরে বিরাট শোভাযাত্রা বেরোনোর কথাও রয়েছে।
রাজ পরিবারের এক বিবৃতিতে বলা হয়, রাজা বাজিরালংকর্ন সুথি না আয়ুদাকে তার রাজকীয় পরিবারে অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এখন থেকে রাজ পরিবারের সদস্য হিসেবে সবধরনের মর্যাদা তিনি ভোগ করবেন।
এর আগে থাই রাজা তিনটি বিয়ে করেছেন। তবে সেসব স্ত্রীদের তিনি আগেই তালাক দিয়েছেন। রাজার আগের স্ত্রীদের ঘরে সাত সন্তান রয়েছে।
২০১৪ সালে থাই এয়ারওয়েজের প্রাক্তন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট সুতিদা তিদজাইকে দেহরক্ষী বাহিনীর উপপ্রধান হিসেবে নিয়োগ করেন রাজা। ২০১৬ সালে তাকে পূর্ণ জেনারেলের মর্যাদা দেয়া হয়।