1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন
৩রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৮শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
কারাগারে অসুস্থ অবস্থায় মেডিকেলে মৃত্যু পলাশবাড়ী উপজেলা আ’লীগ সভাপতি লিপন সরকারের দাফন সম্পন্ন নির্বাচনে বিএনপি ৪৯.৯৭ শতাংশ, জামায়াত ৩১.৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে : ইসি মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ-১ আসনে পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবীতে বিএনপির দলীয় প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন তিন নেতার হাতে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন বার্তা ট্রাম্পের বর্ণবাদী ভিডিও বিতর্কে ‘রাজনীতির শালীনতা হারাচ্ছে’ : ওবামা কারাগারে অসুস্থ হয়ে রংপুর মেডিকেলে মৃত্যু: পলাশবাড়ী মহিলা ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ সামিকুল ইসলাম লিপন আর নেই গাইবান্ধার ৫টি সংসদীয় আসনে ২ নারীসহ ২৮ প্রার্থীর জামানত হারালেন গাইবান্ধা–২ আসনে পুনর্ভোটের দাবি বিএনপি প্রার্থীর গাইবান্ধা–৪-এ ভোটে অনিয়মের অভিযোগ। পাঁচ কেন্দ্রে পুনঃভোট ও সব কেন্দ্রের পুনর্গণনার দাবি

কে হচ্ছেন ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট হয়েছে : শুক্রবার, ২৪ মে, ২০১৯
  • ৩৭ বার পড়া হয়েছে

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে পদত্যাগের পর কে হচ্ছে নতুন প্রধানমন্ত্রী তা গোটা ইউরোপ তথা সারাবিশ্বেই আলোচনা হচ্ছে। আর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাজিদ জাভিদ ছাড়াও এগিয়ে রয়েছেন বরিস জনসন, জেরেমি হান্ট, ডোমেনিকান রব, মাইকেল গভ ও আন্দ্রে লিডসাম।

সাজিদ জাভিদ
প্রথম ব্রিটিশ মুসলিম প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে দেশটির বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভিদের। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে পদত্যাগের পর তিনি নতুন করে আলোচনায় এসেছেন।

সাজিদ জাভিদ যদি তেরেসা মে’র স্থলাভিষিক্ত হন, তবে তিনিই হবেন দেশটির প্রথম কোনো মুসলমান প্রধানমন্ত্রী।

বৃটেনের প্রভাবশালী সংবাদ মাধ্যম গার্ডিয়ান ও ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির মতো আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর তালিকায় তার নাম এসেছে।

২০১৮ সালের এপ্রিলে ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান সাবেক এ বিনিয়োগ ব্যাংকার। ক্যারিবীয় অভিবাসী শিশুদের ওপর একটি কেলেঙ্কারি ভালোভাবে সামাল দিয়ে ৪৯ বছর বয়সী এ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সবার প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

এএফপির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, পাকিস্তানি অভিবাসী বাস-চালকের সন্তান সাজিদ জাভিদ একটি আধুনিক, বহু-সংস্কৃতি ও মেধাভিত্তিক ব্রিটেনের প্রতিচ্ছবি।

অর্থনৈতিকভাবে উদারপন্থী সাজিদ জাভিদ ২০১৬ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকার পক্ষেই ভোট দিয়েছিলেন।

তবে সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসে যোগ দিতে যাওয়া এক কিশোরীর নাগরিকত্ব কেড়ে নিয়ে তিনি উদারপন্থীদের সমালোচনার শিকার হয়েছেন।

বরিস জনসন
লন্ডনের সাবেক মেয়র বরিস জনসন নিশ্চিত করেছেন, লড়াইয়ের দৌড়ে তিন থাকছেন। যা ওয়েস্টমিনিস্টারের অল্প কয়েকজনকেই অবাক করেছে।

২০১৬ সালের ব্রেক্সিট প্রচারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ছিলেন তিনি। কিন্তু তখন শেষ মুহূর্তে এসে মাইকেল গভ সমর্থন প্রত্যাহার করে নিলে রাষ্ট্রীয় শীর্ষ পদটি পেতে তিনি ব্যর্থ হন।

জনসনকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন তেরেসা মে। কিন্তু কূটনৈতিক হঠকারিতা ও ঠুনকো কারণে তিনি সমালোচনার মুখোমুখি হন।

গত জুলাইয়ে পদত্যাগের আগে ব্রেক্সিট ইস্যুতে তিনি অস্বস্তি বোধ করতে থাকেন। কনজারভেটিভ দলের তৃণমূলে তিনি একজন ক্যারিশম্যাটিক ও জনপ্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত। ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় সাপ্তাহিক কলামের মাধ্যমে তিনি নিজের জনপ্রিয়তা ধারাকে ধরে রাখতে চেষ্টা করছেন।

ব্রেক্সিটপন্থী প্রভাবশালী ব্যাকবেঞ্চার জ্যাকব রিইস-মগের সমর্থন থাকায় এবার তার আশান্বিত হওয়ার কারণ আছে। কিন্তু নিজের বাজে ব্যবহারের জন্য দলের ভেতরেই তার বহু শত্রু তৈরি হয়ে গেছে।

গত সেপ্টেম্বরে তিনি দ্বিতীয় স্ত্রীর কাছ থেকে আলাদা হয়ে যান। এখন নতুন এক বান্ধবীকে সঙ্গী করেছেন তিনি। ইতিমধ্যে নিজের ওজন কমিয়েছেন এবং ছুলের ছাঁটও পরিবর্তন করেছেন।

জেরেমি হান্ট
২০১৬ সালের গণভোটে ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকার পক্ষে নিজের সমর্থন জানিয়েছিলেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হান্ট। কিন্তু ব্রাসেলসের নেয়া পদক্ষেপগুলোকে ঔদ্বত্যপূর্ণ বলে আখ্যায়িত করেছেন তিনি।

সাবেক এই ব্যবসায়ী অনবরত জাপানি ভাষায় কথা বলতে পারেন। তিনি স্থিতিশীল রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত।

গত বছরে জনসনের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন জেরেমি হান্ট। কথা ও আচরণেও পরিমিতবোধ সম্পন্ন। শান্ত মেজাজের হান্ট ব্রিটিশ মন্ত্রিপরিষদে আস্তে আস্তে নিজের প্রভাব আরও মজবুত করেছেন।

তেরেসা মে’র পদত্যাগের পর নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়ার ঘোষণা দেন হান্ট।

ডমিনিক রব
কারাতে প্রতিযোগিতায় ব্ল্যাক বেল্ট পাওয়া ডমিনিক রব ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রভাবের বিরোধী। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামরনের অধীন ২০১৫ সালে সরকারে যোগ দেয়ার পর নিজের মন্ত্রিত্বের সিড়ি দ্রুতই অতিক্রম করেছেন ডমিনিক।

তিনি ব্রেক্সিটের সমর্থক এবং ২০১৬ সালে গণভোটের পর নতুন মন্ত্রিসভায় বিচারমন্ত্রীর হন।

পরবর্তীতে ২০১৮ সালের জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ব্রেক্সিট সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে তিনি পদত্যাগ করেন।

কিন্তু সরকারের বাইরে থাকলেও নিজের প্রচারমুখী অবস্থান এখনো বজায় রেখেছেন। কর্মীদের ভাড়া করে বিভিন্ন গণমাধ্যমে একের পর এক সাক্ষাতকার দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

মাইকেল গভ
বেক্সিট প্রচারক মাইকেল গভ ২০১৬ সালের নেতৃত্বের লড়াইয়ে প্রাথমিকভাবে জনসনকে সমর্থন জানিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে এসে নিজের প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা জানিয়েছেন তিনি। এতে দুজনই তেরেসা মে’র কাছে হেরে যান।

এ প্রতিযোগিতায় তৃতীয় হওয়ার পর তিনি বলে, ক্যারিশমা বলতে যা বোঝায়, তার আমার নেই।

২০১৭ সালের জুনে তিনি পরিবেশমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান। পরিবেশবান্ধব কর্মসূচি ঘোষণার কারণে বিভিন্ন সময়ে তিনি পত্রিকার শিরোনাম হয়েছেন।

তেরেসা মে’র পতনের পর ইউরোপবিরোধী ৫১ বছর বয়সী গভও তার স্থলাভিষিক্ত হওয়ার কথা ভাবছেন।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!