
প্রবীণ সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহ আর নেই। রবিবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাহি রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর।
বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত ৩ এপ্রিল রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) আংশিক লাইফ সাপোর্টে রাখা হয় তাকে। পরে জ্যেষ্ঠ এ সাংবাদিক ও কলামিস্টকে ব্যাংককে পাঠানো হয়।
সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহ এ দেশের একজন প্রথিতযশা সাংবাদিক। ছাত্রজীবনে বাম রাজনীতি করা মাহফুজউল্লাহ ষাটের দশকে ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন।
তিনি সাংবাদিকতা ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করেছেন। সর্বশেষ ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগে শিক্ষকতায় নিয়োজিত ছিলেন।
সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহর ইন্তেকালে সাংবাদিক সমাজে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী ও মহাসচিব মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ।
এছাড়া ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, রাজশাহী, খুলনা ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ পৃথক শোকবার্তায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ মরহুমের রুহের মাগফেরাত এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
এদিকে সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিবৃতিতে তিনি মরহুমের রুহের মাগফেরাত এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।