
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনসহ ১৮ হাজার ১৯১ কোটি টাকা ব্যয়ে সাতটি প্রকল্প একনেকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলানগর এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়।
এর আগে ১২ মার্চ জামলাপুরে শেখ হাসিনা নকশী পল্লীসহ ছয় প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে ২ হাজার ৬৫০ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। এর পুরো অর্থায়ন সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে আসবে।
ওই দিন সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী প্রকল্পের বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
তিনি বলেন,‘দেশের নকশী শিল্পী ও শিল্প পুনর্বাসনে জামালপুরে ৩০০ একর জমিতে নির্মাণ করা হবে শেখ হাসিনা নকশী পল্লী। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৭২২ কোটি টাকা। নানা প্রতিকূলতা ও পুনর্বাসনের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে দেশের এই ঐতিহ্যবাহী শিল্পী ও শিল্প।তাই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এসব শিল্পীদের একই ছাদের নিচে আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’
পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন এখন থেকে যেসব হাসপাতাল তৈরি করা হবে,সেখানে অবশ্যই বর্জ্য শোধনাগার বা ইটিপি স্থাপন করতে হবে। পাশাপাশি হাসপাতালে যাতে আলো-বাতাস চলাচল করতে পারে সেভাবে নকশা তৈরির নির্দেশনা দিয়েছেন।
একনেক সভায় অনুমোদিত অন্য প্রকল্পসমূহ হলো-সরকারি কর্মচারী হাসপাতালকে ৫০০ শয্যায় উন্নীতকরণ প্রকল্প, এর খরচ ধরা হয়েছে ৩৭৯ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। বরিশাল-ভোলা-লক্ষীপুর জাতীয় মহাসড়কের বরিশাল হতে ভোলা হয়ে লক্ষ্মীপুর পর্যন্ত যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৩১২ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। শরীয়তপুর-ইব্রাহিমপুর ফেরিঘাট পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৫৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। নীলফামারী-ডোমার সড়ক ও বোদা-দেবীগঞ্জ সড়ক এবং ফুলবাড়ী-পার্বতীপুর যথাযথ মানে উন্নীতকরণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ২৫০ কোটি ২৪ লাখ টাকা এবং লেবু জাতীয় ফসলের চাষের সম্প্রসারণ, ব্যবস্থাপনা ও উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পে ব্যয় হবে ১২৬ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।
এদিকে,পরিকল্পনামন্ত্রী ব্রিফিংয়ে জানান,চলতি অর্থবছরে (২০১৮-১৯) আট মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন হয়েছে ৩৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। এতে মোট ব্যয় হয়েছে ৭০ হাজার ৭৭২ কোটি টাকা।সূত্র- আরটিএনএন