
শপথ না নিয়ে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট পুরোনো ভুলের পুনারাবৃত্তি করছে বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ৩০ ডিসেম্বর জনগণ যে রায় দিয়েছে, যেটুকু রায় দিয়েছে এটা তাদের সম্মান করা উচিত। সেটা তারা সম্মান করতে ব্যর্থ। ব্যর্থতার গণ্ডিতে বারে বারে আটকে থাকতে হচ্ছে তাদের।
শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
আওয়ামী লীগ বিএনপির নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের শপথ নেয়ার আহবান জানিয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমি আমাদের পার্টির পক্ষ থেকে, সরকারের পক্ষ থেকেও আমি আমন্ত্রণ করেছিলাম। তাদেরকে অনুরোধ করেছিলাম যে, জনগণের রায়কে অসম্মান করা উচিত হবে না।
ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে ভোট বাতিল দাবিতে স্মারকলিপি দেয়া প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, এসব হচ্ছে বিরোধী দল সুলভ আচরণ। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে প্রতিবার যে সিনারিও, হেরে গেলেই যে সিনারিও হয়, যে দৃশ্যপট জন্ম নেয় সেই দৃশ্যপটের পুনরাবৃত্তি আমরা বারে বারে দেখি। তো এটা এক সময় থেমে যাবে। কারণ দেশের মানুষ স্বতস্ফুর্তভাবে ভোট দিয়েছে।
শেখ হাসিনার ম্যাজিকে এই জনরায় মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, উন্নয়নের পক্ষে এবং আমাদের নেত্রীর ব্যক্তিগত সততা এবং ক্যারিশমার পক্ষে এই জনরায়। এটা নিঃসন্দেহে বলা যায়, এই নির্বাচনের বিজয়ের মূল চালিকা শক্তি হচ্ছে ‘হাসিনা ম্যাজিক’। এটাই হলো বাস্তবতা। লিডারের প্রতি তার উন্নয়ন, তার রাজনীতি, তার স্বচ্ছতা, তার সততা, তার যোগ্যতা-দক্ষতা প্রতি সমর্থন দিয়েছে দেশের মানুষ।
ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তাদেরকে দায়িত্বে কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সংগঠনটির সাবেক সভাপতি কাদের বলেন, ছাত্রলীগ সময়ের চাহিদা পূরণে দায়িত্ব পালন করবে।উন্নয়নের পক্ষে বাংলাদেশের তরুণ সমাজকে সংগঠিত করবে। ছাত্রলীগ তো তারুণ্যের প্রতীক, এনার্জির প্রতীক।