1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ন
২৪শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৯শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
“জুতা সেলাই থেকে সংসদের স্বপ্ন” গাইবান্ধা-৫ আসনে কাস্তে প্রতীকে সিপিবি প্রার্থী নির্মল চন্দ্র রবি দাস পলাশবাড়ীতে ইউনিক কিন্ডারগার্টেন এন্ড হাইস্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ভারতের কাছে ফাইনালে পরাজিত হয়ে বাংলাদেশের স্বপ্নভঙ্গ ভারতীয় পণ্যে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক তুলে নিল যুক্তরাষ্ট্র পলাশবাড়ীর মহদীপুরে যুবদলের উদ্যোগে ধানের শীষের পক্ষে উঠান বৈঠক গাইবান্ধায় সেনা-র‌্যাব ছদ্মবেশী জালিয়াতির মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেফতার সাদুল্লাপুর প্রেস ক্লাবের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি সোহেল ও সাধারণ সম্পাদক পলাশ জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী বিএনপি, জোট সরকার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ভোটকেন্দ্র ও ভোটার তথ্য জানা যাবে ৪ উপায়ে : ইসি গাইবান্ধা-৩ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী সম্মিলিত শ্রমিক সমাবেশ

সুন্দরগঞ্জের তিস্তার অব্যাহত ভাঙনে দুইশত একর ফসলি জমি নদীগর্ভে

  • আপডেট হয়েছে : রবিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৮
  • ৩৩ বার পড়া হয়েছে

তিস্তার অব্যাহত ভাঙনে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন চরে দুইশত একর ফসলি জমি এবং ১০০টি পরিবারের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নদী ভাঙন অব্যাহত থাকায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে চরাঞ্চলের মানুষজন। উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত রাক্ষুসি তিস্তা নদীর কড়াল গ্রাসে চন্ডিপুর, শ্রীপুর, কাপাসিয়া, বেলকা ও হরিপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন চরাঞ্চলে তিস্তার ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। গত ৭ দিন ধরে ভাঙন তীব্রতা ব্যাপকহারে বেড়ে গেছে। অস্বাভাবিকভাবে ভাঙন অব্যাহত থাকার কারণে আধা পাকা ধান কেটে নিতে বাধ্য হচ্ছে কৃষকরা। ভাঙনের মুখে অনেক পরিবার তাদের ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে এবং আবাদি জমির ফসল অসময়ে কেটে নিচ্ছে। পানির স্তরে নিচে চলে যাওয়ায় ভাঙনের তীব্রতা ব্যাপক আকার ধারণ করে। বিশেষ করে উপজেলার চন্ডিপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়ে ব্যাপকহারে নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনের মুখে ঘরবাড়ি সরিয়ে নেয়া পরিবার গুলো খোলা আকাশের নিচে কন-কনে ঠান্ডায় মানবেতর জীবন যাপন করছে।

কথা হয় কাপাসিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলামের সাথে। তিনি সাংবাদিকদের বলেন ইতিমধ্যে দুই শতাধিক একর জমি ফসলসহ নদীতে বিলীন হয়েছে। যে হারে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে তাতে করে আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে সহ¯্রাধিক একর জমি নদীতে চলে যাবে। তিনি বলেন তারও ৫ বিঘা জমি নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। কাপাসিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন জানান, স্থায়ীভাবে নদী সংরক্ষণ ও শাসনের ব্যবস্থা না করলে প্রতি বছর এভাবে নদী ভাঙতে থাকবে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরুনবী সরকার সাংবাদিকদের জানান, নদী ভাঙনের বিষয়টি উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ২টি ইউনিয়নের ভাঙন কবলিত পরিবাদের মাঝে ঢেউটিন ও অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft