
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে আসার ঘোষণা দেয়ায় অনিশ্চয়তায় পড়েছে সরকার।’
ড. কামাল ভোটকেন্দ্রে সব ধরনের কারচুপির মোকাবেলা করতে সতর্ক করে বলেন, ‘জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে ভোটকেন্দ্র পাহারা দিতে হবে।’
বুধবার বিকেলে পুরানা পল্টনে ঐক্যফ্রন্টের নতুন কার্যালয়ের উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন ড. কামাল হোসেন।
ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ‘২০১৪ সালে যেনতেন নির্বাচন করে আওয়ামী লীগ পাঁচ বছর ক্ষমতা ভোগ করেছে। কথা ছিল মধ্যবর্তী নির্বাচনের। কিন্তু তা তারা দেয়নি।’
ড. কামাল আরো বলেন, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ নির্বাচন সুষ্ঠু করার মাধ্যমে জনগণ রাষ্ট্রের মালিকানা ফিরে পাবে। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে জনগণকে পাহারাদার হতে হবে।’
গণফোরাম সভাপতি বলেন, ‘সাংবাদিকরাও অবাধ নির্বাচনের পাহারাদার হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারেন। যখনই আমরা নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম, তখন থেকেই আওয়ামী লীগ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যায়।’
এ সময় তিনদিনের মধ্যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হবে বলে জানান ড. কামাল হোসেন।
ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে একক ইশতেহার ঘোষণা করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আগামী ৮ ডিসেম্বরের মধ্যে ইশতেহার ঘোষণা করা হবে।’
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর প্রমুখ।