1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন
২৬শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২১শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
উত্তরবঙ্গের মাঠে নতুন কণ্ঠস্বর,প্রভাত সমীর ও পীরগঞ্জের মানুষের প্রত্যাশা তারাগঞ্জের ইকরচালী ইউপি চেয়ারম্যান মো: ইদ্রিস আলী গ্রেপ্তার ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার আহ্বান — অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম সাঘাটায় বিএনপির নির্বাচনী অফিসের সামনে ককটেল উদ্ধার : জনমনে আতঙ্ক ভোটাধিকার আন্দোলনে কারানির্যাতনের স্মৃতি তুলে ধরে পলাশবাড়ীতে ধানের শীষের পক্ষে সহধর্মীনিদের গণসংযোগ উন্নয়ন ও নিরাপদ সমাজ গঠনের অঙ্গীকার: পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুরে বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা সংস্কার উদ্যোগ নিয়ে সরকারের ‘রিফর্ম বুক’ প্রকাশ সংসদ নির্বাচন: আজ থেকে মাঠে সেনাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী “জুতা সেলাই থেকে সংসদের স্বপ্ন” গাইবান্ধা-৫ আসনে কাস্তে প্রতীকে সিপিবি প্রার্থী নির্মল চন্দ্র রবি দাস পলাশবাড়ীতে ইউনিক কিন্ডারগার্টেন এন্ড হাইস্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

গাইবান্ধা ৩ আসনের ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ড.টি আই এম ফজলে রাব্বী চৌধুরী আর নেই

  • আপডেট হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১৮
  • ৪৬ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা ৩ (পলাশবাড়ী সাদুল্যাপুর) আসনের ৬ বারের এমপি একাদশ জাতীয় সংসদের ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী ও জাতীয় পার্টি (জাফর) এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী ড.টি আই এম ফজলে রাব্বী চৌধুরী ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ভোরে মারা গেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহির রাজিউন) ফুসফুসে সংক্রমনসহ নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন।আজ হতে নির্বাচনী এলাকায় প্রচার প্রচারণায় নামার কথা ছিলো।

মৃত্যকালে তিনি স্ত্রী, ৩ ছেলে ও ২ মেয়েসহ অসংখ্য গুণাগ্রাহী রেখেগেছেন।

উল্লেখ্য,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-০৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর)মনোনীত ও ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ড. টিআইএম ফজলে রাব্বী চৌধুরী। ১৯৩৪ সালে ১ অক্টোবর গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার তালুকজামিরা গ্রামে এক মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ছিলেন একজন স্কুল শিক্ষক।

ড. রাব্বী ১৯৫৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে এ্যানিম্যাল হ্যাজব্যনট্রিতে ২য় স্থান অধিকার করে বি.এস.সি (অনার্স) ডিগ্রী লাভ করেন ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের সরকারি চাকুরিতে যোগদান করেন। ১৯৬০ সালে আমেরিকা সরকারের বৃত্তি নিয়ে ১৯৬৩ সালে টেকসাস এন্ড এস হতে এম.এস.সি এবং ১৯৬৫ সালে পি.এইচ.ডি ডিগ্রী লাভ করেন এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ময়মনসিংহে এ্যাসিসট্যান্ট প্রফেসর হিসেবে চাকুরিতে যোগদান করেন। তিনি ১৯৬৭ সালে এসোসিয়েট প্রফেসর হিসেবে এবং ১৯৬৯ সালে প্রফেসর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীকালে ১৯৭১ সালে বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। এছাড়াও ডীন, ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা ও বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৬ সালে ইংল্যান্ডের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি উলফসন কলেজের ফেলো নির্বাচিত হন। পারিবারিক জীবনে তিনি ৩ পুত্র ও ২ কন্যা সন্তানের জনক।

জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে পর্যায়ক্রমে ৬ (ছয়) বার তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বাংলাদেশে তিনিই একমাত্র সাংসদ যিনি কেবলমাত্র বিরতিহীনভাবে গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসন হতে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

ড. রাব্বী একজন সদালাপী ও স্বাধীনচেতা মানুষ। ১৯৮৪ সালে তিনি তৎকালীন প্রেসিডেন্ট এইচ.এম এরশাদের জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেন। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপাতি হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের রাজনৈতিক উপদেষ্টা ছিলেন। পরবর্তী সময় তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রী, ত্রাণ ও পূনর্বাসন মন্ত্রী ও সংস্থাপন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ড. ফজলে রাব্বী ১৯৮৬ সালে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন নিয়ে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ এর দায়িত্ব পালন করেন।

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন তিনি হাঁস-মুরগীর সংক্রামক মরণব্যাধি “রাণীক্ষেত” রোগ নিরসনে নতুন ভ্যাকসিন উদ্ভাবন করেন। যার ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশে রাণীক্ষেত রোগের প্রকোপ কমে গেছে। তিনি পীরগঞ্জ উপজেলায় তার পিতার নামে আহসান উদ্দিন চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। গাইবান্ধা আদর্শ কলেজের প্রতিষ্ঠাতা তিনি। হরিণাথপুরে ড. ফজলে রাব্বি দাখিলী মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠাসহ তিনি সাদুল্লাপুর ও পলাশবাড়ী উপজেলায় বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজ করার চেষ্টা করছেন। জনসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ “জাতীয় ব্যক্তিত্ব স্মৃতি পরিষদ” কর্তৃক ২০০৫ সালে সাবেক মূখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার স্মৃতিপদক লাভ করেন। তিনি বাংলাদেশ সরকারের মুখপাত্র হিসেবে বিভিন্ন সময়ে ইরাক, ইরান, সিরিয়া, জর্ডান, মিশর, ওমান, সৌদি আরাবিয়া, জার্মানি, অস্ট্রোলিয়া, কানাডা, আলজেরিয়া এবং আমেরিকাতে পার্লামেন্টে ডেলিগেট হিসেবে গমন করেন।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft