1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন
২৫শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২০শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
“জুতা সেলাই থেকে সংসদের স্বপ্ন” গাইবান্ধা-৫ আসনে কাস্তে প্রতীকে সিপিবি প্রার্থী নির্মল চন্দ্র রবি দাস পলাশবাড়ীতে ইউনিক কিন্ডারগার্টেন এন্ড হাইস্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ভারতের কাছে ফাইনালে পরাজিত হয়ে বাংলাদেশের স্বপ্নভঙ্গ ভারতীয় পণ্যে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক তুলে নিল যুক্তরাষ্ট্র পলাশবাড়ীর মহদীপুরে যুবদলের উদ্যোগে ধানের শীষের পক্ষে উঠান বৈঠক গাইবান্ধায় সেনা-র‌্যাব ছদ্মবেশী জালিয়াতির মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেফতার সাদুল্লাপুর প্রেস ক্লাবের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি সোহেল ও সাধারণ সম্পাদক পলাশ জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী বিএনপি, জোট সরকার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ভোটকেন্দ্র ও ভোটার তথ্য জানা যাবে ৪ উপায়ে : ইসি গাইবান্ধা-৩ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী সম্মিলিত শ্রমিক সমাবেশ

আজ ৮ ডিসেম্বর পলাশবাড়ী হানাদার মুক্ত দিবস

  • আপডেট হয়েছে : শনিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৮
  • ৪১ বার পড়া হয়েছে

আজ ৮ ডিসেম্বর পলাশবাড়ী পাক হানাদার মুক্ত দিবস। এদিনে পাক হানাদার বাহিনীর দখল থেকে মুক্ত হয়েছিল এ উপজেলা। সারাদেশব্যপী ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা যুদ্ধে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীবাসী যুদ্ধে শত্রু মোকাবেলায় ব্যাপক ভুমিকা রাখে। এর ফল হিসাবে শক্রমুক্ত হয় এ দিনে।

এ এলাকায় স্বাধীনতা যুদ্ধের সংগঠক ছিলেন, সাবেক সংসদ তোফাজ্জল হোসেন সরকার, মোয়াজ্জেম হোসেন সরকার, আজিজার রহমান বিএসসি। পলাশবাড়ী পাক হানাদার মুক্ত করতে কয়েকটি যুদ্ধ হয় তবে ১৭ এপ্রিলে সম্মখ যুুদ্ধে ১৬ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন এবং এসময় মুক্তিযোদ্ধা সহ সাধারণ মানুষ নিখোঁজ হয়। তবে এর সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি।

৮ ডিসেম্বর সকাল ১১ টায় মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনী স্থল ও আকাশ পথে একযোগে পলাশবাড়ীতে প্রবেশ করে এবং চারিদিকে বিজয়ের আনন্দঘন পরিবেশ তৈরি হয়। স্বাধীন পতাকা মাথায় নিয়ে মুক্তিবাহিনী পলাশবাড়ীর কেন্দ্রস্থলে আসতে থাকে। এম.এন. নবী লালু কোম্পানী ১২০ জন মুক্তিবাহিনী (সড়ক ও জনপথ বিভাগ) পাকবাহিনীর ক্যাম্পে আক্রমণ করে। তবে পাকবাহিনীর কাউকে এখানে পাওয়া যায়নি। তবে অপহৃত বাঙ্গালী আমজাদ পাহারী নামে একজনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে মুক্তি বাহিনী। পরে গোটা বাহিনী বর্তমান ডাক বাংলোয় অবস্থান নেয়। এম,এন,নবী লালুর নির্দেশে প্লাটুন কমান্ডার মোজাম্মেল হক, রিয়াজুল হক ও বজলার রহমানের নেতৃত্বে ৩ ভাগে বিভক্ত হয়ে উপজেলার ফকিরহাট, মাঠেরহাট ও সদরে অবস্থান নেয়। ফলে গোটা উপজেলায় পাকবাহিনী না থাকার একটি শুন্য পরিসংখ্যান উঠে আসে। এই দিনে উত্তরবঙ্গ থেকে সুজা মিয়ার কোম্পানী মুক্তিযোদ্ধার এক বিশাল বহর স্বাধীন পলাশবাড়ী উপর দিয়ে অতিক্রম করে দক্ষিণে চলে যায়।

৮ ডিসেম্বর এই দিনের পর পালিয়ে যাওয়া মুক্তিকামী নারী-শিশু ও পুরুষ স্বদেশে বা ফিরে আসতে শুরু করে। কিন্তু ইতিমধ্যে যুদ্ধকালিন অবস্থায় বদ্ধভূমিতে পরিণত হয় মোট ২টি স্থান। যথাক্রমে কাশিয়াবাড়ী ও পলাশবাড়ী সদর । এছাড়াও, বৈরিহরিণমারী, সদর, ঝাপড়, মেরীরহাট,বাশকাটা, জামালপুর অগ্নিসংযোগ ও হত্যাকান্ড চালায় হানাদার বাহিনী।

পলাশবাড়ীতে পাক হানাদার বাহিনী প্রতিরোধ কমিটি গঠন ও ১৯৭১ সালে ১২ মার্চ এবং পাকিস্তানি পতাকার স্থলে স্বাধীন বাংলা পতাকা উত্তোলন করা হয়। ১৪ মার্চ ঢাকা হতে হানাদার বাহিনীর যানবাহন অবাধে চলাচলে বাঁধা সৃষ্টির জন্য রাস্তায় গাছ কেটে প্রতিরোধ সৃষ্টি করা হয়। ফলে ক্ষুব্ধ পাক বাহিনী এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে ফলে এসময় অনেকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পরে। ৯ জুন শুক্রবার দুপুর ১২ টায় কাশিয়াবাড়ীতে হানাদার বাহিনী ব্যাপক হত্যালীলা চালায় এখানে তর্থ্যমতে ১১০ জনকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পলাশবাড়ী উপজেলায় রাজাকারের সংখ্যা ১২৮ জন ও পিছ কমিটির সদস্য ছিলো ৬৭ জন।

১৯৭১ সালে ৮ ডিসেম্বর সকাল ১১ টায় বিজয়ীবেসে বিভিন্ন শ্লোগানে মূখরীত করে যুদ্ধে অংশগ্রহনকারীরা আনন্দ উৎসবের মধ্যা দিয়ে এ এলাকায় ফিরে আসে। আর যারা আর ফিরে আসেনি সন্তান হারানো জ্বালা বুকে লালন করে স্মৃতি আকরে আছে। তাদের মধ্য আজও অনেকেই জীবিত। সন্তানহারা বাবা মায়ের চোখের অশ্রু, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার রক্ত, মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে বিশ্ব দরবারে লাল সবুজের পতাকার স্থান গড়নে এ দিনটির ভূমিকা ব্যাপক।

এ উপলক্ষে (৮ ডিসেম্বর) পলাশবাড়ী উপজেলা প্রশাসন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহন করেছে #

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft