
নিউজ ডেস্ক
সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলে তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে এবং বয়স হতে হবে অন্তত ২৫ বছর।
তাকে বাংলাদেশের যেকোনো নির্বাচনী এলাকার ভোটার হতে হবে। প্রার্থী যে এলাকার ভোটার বা বাসিন্দা তাকে সে এলাকারই প্রার্থী হতে হবে এমন কোনো কথা নেই। কিন্তু প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবক এবং সমর্থক স্থানীয় ভোটার হতে হবে।
মনোনয়নপত্রে দুইজনের স্বাক্ষর লাগবে। প্রস্তাবক এবং সমর্থক, যারা বাংলাদেশের ভোটার হতে হবে।
স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে তার নির্বাচনী এলাকার ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর দিতে হবে। দলভুক্ত হলে এই তালিকা লাগবে না তবে দলের প্রত্যয়ন পত্র লাগবে। আগে নির্বাচিত হওয়া প্রার্থীদের এই তালিকা লাগবে না।
প্রার্থীকে একটি হলফনামার মাধ্যমে হলফনামায় নিজের এবং পরিবার সম্পর্কে আটটি তথ্য দিতে হবে, যার মধ্যে শিক্ষাগত যোগ্যতা, ঋণ খেলাপি বা বিল খেলাপি কিনা, ফৌজদারি বা দুর্নীতি মামলায় দুই বছরের বেশি দণ্ড আছে কিনা, সম্পদের হিসাব দিতে হবে, আয়ের উৎস ইত্যাদি বিষয় রয়েছে।
কোন স্থানীয় সরকারে বা সরকারি লাভজনক পদে দায়িত্বরত ব্যক্তিগত নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।
আদালত যদি কোন ব্যক্তিকে অপ্রকৃতস্থ ঘোষণা করে বা দেউলিয়া ঘোষণা করলে তিনি অব্যাহতি লাভ না করা পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। এছাড়া বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন বা ফৌজদারি অপরাধে দুই বছরের বেশি দণ্ডপ্রাপ্ত হলে মুক্তির পাঁচবছরের মধ্যে নির্বাচন করতে পারবেন না।
মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় প্রার্থী নিজে বা তার সমর্থক বা প্রস্তাবক রিটার্নিং অফিসার বা সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দিতে পারবেন। এছাড়া অনলাইনেও জমা দেয়া যাবে।
মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জামানত হিসাবে ২০হাজার টাকা জমা দিতে হবে।