
রংপুর জেলার পীরগঞ্জ ও মিঠাপুকুর উপজেলায় প্রাইভেট ও কোচিং ব্যবসা জমজমাট হয়ে উঠেছে। ফলে শিক্ষার মান নিম্নমুখী হয়ে পড়েছে। শিক্ষক শিক্ষিকারা ক্লাসের চেয়ে প্রাইভেট পড়াতে বেশী মনোযোগী। তেমনি অভিভাবক মহল মনে করেন প্রাইভেট না পড়লে তাদের ছেলেমেয়ে ভাল শিক্ষা পাবেনা এবং পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করতে পারবেনা।
পীরগঞ্জ ও মিঠাপুকুর উপজেলার বিভন্ন বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক শিক্ষিকা অনেককেই সংশ্লিষ্ট ক্লাস রুম ও বিভিন্ন স্থানে প্রাইভেট পড়াতে দেখা যায়। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষিকারা প্রাইভেট পড়ানোর ফলে ছাত্র ছাত্রীরা অনেক সময় শিক্ষকদের কুনজরে না পড়ার জন্য, বাধ্য হয়ে প্রাইভেট ও কোচিং পড়তে যায়। উপজেলার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক ও কলেজগুলোতে সব বিষয়ে প্রাইভেট না পড়ালেও নির্ধারিত কোচিং সেন্টারে কোচিং করানো হয়।
উপজেলা গুলোর অধিকাংশ বাজারে ও স্কুল,কলেজ, মাদ্রাসা, এবং শিক্ষকদের বাড়ীতে চলছে, জমজমাট প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্য।
কয়েক জন অভিভাবক জানান ছেলে মেয়েদের এখন প্রাইভেট না পড়ালে পরীক্ষায় পাশ করতে পারেনা, ভাল রেজাল্ট হয় না। বছরে ১২ মাসেই ছাত্র ছাত্রীরা প্রাইভেট ও কোচিং নিয়ে ব্যস্ত।
এসব প্রাইভেট পড়ানো নিয়ে বেশী নিম্ন আয়ের পরিবার পড়েছেন বিপাকে। মধ্যবিত্ত পরিবার কষ্ট করে তাদের সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ বহন করলেও প্রতিমাসে ছাত্র ছাত্রীদের প্রাইভেট পড়াইতে খরচ হয় প্রায় ৫০০ থেকে ২০০০ হাজার টাকা।
কয়েকটি প্রাইভেট ও কোচিং সেন্টারে সরেজমিনে দেখা গিয়ে যায় শতকরা ৮৫ ভাগ ছাত্র ছাত্রীরা প্রাইভেট ও কোচিং এর উপর নির্ভরশীল।
সচেতন মহলের মতামত, আমাদের ছেলে মেয়েদের ভবিষৎ যদি প্রাইভেট ও কোচিং নির্ভর হয়, তাহলে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাসে মাসে কোটি কোটি টাকা শিক্ষকের পেছনে খরচ করছে , সেই টাকা না দেওয়ায় শ্রেয়।
বিষয়টি প্রতিকারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।