1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:১৪ অপরাহ্ন
৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৩০শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
আজ শহীদ জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে হাসপাতালে অনুপস্থিত থেকেও বহাল তবিয়তে কর্মকর্তা। মুক্তিযোদ্ধার অভিযোগে নড়েচড়ে বসেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হ্যাঁ ভোটের প্রচারণায় প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের বাধা নেই : আলী রীয়াজ পলাশবাড়ীতে ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সমাবেশ ও নির্বাচনী আলোচনা সভা পলাশবাড়ীতে আমীরে জামায়াতের জনসভা সফল করতে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় গাইবান্ধায় কালোবাজারে বিক্রির সময় ২০ বস্তা সার জব্দ পলাশবাড়ীতে শৈত্যপ্রবাহে হলদে বিবর্ণ বোরো বীজতলা নিয়ে মহাদুশ্চিন্তায় ভূক্তভোগী কৃষক ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা ! নারীই সমাজ গঠনের মূল চালিকা শক্তি: এটিএম আজহারুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও-৩ সংসদীয় আসন; সব ক্ষেত্রে উপেক্ষিত নৃগোষ্ঠী, উন্নয়নের নামে এক দীর্ঘ প্রতীক্ষা

ভারতে নির্বাচনী প্রচারে ‘ধর্মীয় ঘৃণা’ ছড়ানোর দায়ে মুসলিম লীগ নেতার নির্বাচন বাতিল

  • আপডেট হয়েছে : শনিবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৮
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ধর্মকে ব্যবহার করে ঘৃণা ছড়ানোর দায়ে ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলীম লীগ নামে একটি রাজনৈতিক দলের একজন বিধায়কের নির্বাচন বাতিল ঘোষণা করেছে ভারতের কেরালা হাইকোর্ট।

কে এম শাজি নামে যুব মুসলিম লীগের প্রধান ওই নেতা কেরালায় ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারাভিযানের সময় ধর্মীয় ঘৃণা ছড়িয়েছিলেন – এ অভিযোগ এনে তার বিরোধী প্রার্থী মামলা দায়ের করেছিলেন। কে এম শাজি অভিযোগ অস্বীকার করছেন। খবর বিবিসির।

কে এম শাজির নির্বাচন বাতিল করে তাকে ছয় বছরের জন্য কোনও নির্বাচনে দাঁড়াতেও দেয়া হবে না বলে শুক্রবার জানিয়েছে আদালত। সে আসনে নতুন করে ভোট করার আদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

কে এম শাজি রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করার কথা বলেছেন।

তার বিরোধী প্রার্থী মামলায় অভিযোগ করেছিলেন: কে এম শাজির কর্মীরা প্রচার চালিয়েছে যে ‘তিনি মুসলমান বলেই তাকে ভোট দেওয়া উচিত।’

কিছু প্রচারপত্রও বিলি করা হয়েছিল, যেখানে ‘ইসলামে অবিশ্বাসীদের ভোট না দিতে’ আহ্বান জানানো হয়েছিল।

তবে কে এম শাজি বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন, ‘পুরোটাই মিথ্যা অভিযোগ। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কোনওদিন সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করিনি আমি। তাই যদি করতাম, তাহলে মৌলবাদীদের হুমকির মুখে পড়তাম না আমি। ওই হুমকির কারণে সরকার আমাকে পুলিশী নিরাপত্তা দিয়েছিল। সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করলে নিশ্চই মৌলবাদীরা আমার ওপরে চটে যেত না!’

কে এম শাজির কথায়, তার রাজনৈতিক জীবনে এটা একটা বড় ধাক্কা, তবে তিনি উচ্চতর বেঞ্চে এবং শেষমেশ সুপ্রীম কোর্টে যাবেন এই রায়ের বিরুদ্ধে।

ভারতের আইনে ভোটে ধর্মকে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

অভিযোগ প্রমাণিত হলে নির্বাচন বাতিল করার ব্যবস্থা যেমন রয়েছে, তেমনই দোষী ব্যক্তিকে ছয় বছর কোনও ভোটে প্রতিদ্বন্দিতা না করতে দেওয়ারও বিধান রয়েছে।

তবে ভারতের নির্বাচনী রাজনীতির ওপরে দীর্ঘদিন ধরে নজর রাখে যে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি, সেই অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফমর্স বা এ ডি আর বলছে – ধর্মকে ব্যবহার করা এবং সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ছড়ানোর বহু ঘটনা ঘটলেও কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা সচরাচর নেওয়া হয় না।

নির্বাচনের সময়ে যে হলফনামা প্রার্থীরা জমা দেন, সেগুলি বিশ্লেষণ করে এডিআর বলছে, ১৫ জন সংসদ সদস্য এবং ৪৩ জন বিভিন্ন রাজ্য বিধানসভাগুলির সদস্যদের বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক ভাষণ দেওয়ার অভিযোগ লিপিবদ্ধ করে পুলিশ।

১৫ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ১০জনই বিজেপির এবং বাকিদের মধ্যে যেমন রয়েছেন আসামের মুসলিম প্রধান দল এ আই ইউ ডি এফ বা দক্ষিণের এম আই এম, তেমনই আছেন হিন্দুত্ববাদী শিবসেনার সংসদ সদস্যও।

এ ডি আরের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক জগদীপ ছোকান বিবিসিকে বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনক হলেও এটাই বাস্তব যে ঘৃণামূলক ভাষণ দেওয়াটা একটা সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেউ আর মনেই করে না যে এটা ভুল, বেআইনী। হয়তো পত্রপত্রিকায় ছাপা হয় ওই ঘৃণামূলক ভাষণের কথা, কিন্তু কেউ আর সেটার বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার আগ্রহ দেখায় না।’

এক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেবার দায়িত্বটা মূলত নির্বাচন কমিশনের ওপরে, সেটা মনে করিয়ে দিয়ে অধ্যাপক জগদীপ ছোকার বলছিলেন, ‘তাদের মূল লক্ষ্যটা থাকে শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনটা পার করিয়ে দেওয়ার। তাই কিছু ক্ষেত্রে সতর্ক করা ছাড়া বিশেষ কিছু করা হয় না।’

তিনি বলেন, কমিশনের লোকবলও তেমন নয় যাতে তারা দীর্ঘদিন ধরে এই আইনী প্রক্রিয়াগুলো চালাতে পারে।’

ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলীম লীগের কাজকর্ম মূলত দক্ষিণ ভারতের কেরালা পাশ্ববর্তী তামিলনাডু রাজ্যের কিছু অঞ্চলে বিস্তৃত। দলটি কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোটের অংশীদার।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft