1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন
২২শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৭ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
বেইমানদের ১২ তারিখ ‘লাল কার্ড’ দিয়ে বিদায় করে দিবে—– লালমনিরহাটে জামায়াত আমীর নির্বাচনি দায়িত্বে আচরণবিধি প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে ব্যবস্থা : ইসি মাছউদ নির্বাচনে সংশ্লিষ্টদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পলাশবাড়ীতে আইনজীবী ফোরামের উদ্যোগে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী ক্যাম্পেইন অবাধ নির্বাচন ও সুশাসনের অঙ্গীকারে গাইবান্ধায় এক মঞ্চে প্রার্থীরা গোবিন্দগঞ্জে আলু চাষে আধুনিক প্রযুক্তি শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন বরণ গাইবান্ধায় রেলওয়ের লোহার বাউন্ডারী কেটেছে দুর্বৃত্তরা : নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন পীরগঞ্জে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি,ন্যায্য মজুরির দাবিতে প্রশাসনিক প্রাঙ্গণে উচ্চকণ্ঠ পলাশবাড়ীতে চ্যানেল এস এর বর্ষপূর্তি পালিত

সৌদির প্রতি তুরস্ক-যুক্তরাষ্ট্র ‘খাসোগিকে হত্যার কথা আপনারা স্বীকার করলেন, কিন্তু তার মৃতদেহটি কোথায়?’

  • আপডেট হয়েছে : শনিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৮
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে অবস্থিত সৌদি আরবের কনস্যুলেটে সৌদি ঘাতকদের দ্বারা সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যাকাণ্ডের ২৪ দিন পরেও তুর্কি এবং যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা এখনো একটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজে চলছেন, আর তা হচ্ছে জামাল খাসোগির মরদেহটি কোথায়?

শুক্রবার তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগান জামাল খাসোগির মৃতদেহ সম্পর্কে তথ্য দিতে সৌদি সরকারের প্রতি চাপ প্রয়োগের কথা বলেন।

এরদোগান বলেন, ‘খাসোগিকে হত্যা করা হয়েছে এ বিষয়ে আপনারা ঘোষণা দিয়েছেন, কিন্তু তার মৃতদেহটি কোথায়? আপনারা নিশ্চয় জানেন।’

যদিও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প খাসোগির মৃতদেহটি খুঁজে বের করার জন্য সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন কিন্তু খাসোগি হত্যাকাণ্ডের ইস্যু নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের যে সকল কর্মকর্তা কাজ করছেন তাদের মতে এ বিষয়ে ওয়াশিংটনের ভূমিকা এখনো অন্ধকারেই রয়ে গেছে।

সম্প্রতি সৌদি আরবের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, খাসোগির মৃতদেহটি গালিচায় মুড়িয়ে একজন স্থানীয় সহযোগীকে দিয়ে দেয়া হয়েছে কিন্তু তুর্কি কর্মকর্তাদের মতে খাসোগির মৃতদেহটিকে বেশ কয়েক টুকরো করে তা লুকিয়ে ফেলা হয়েছে।

ব্রুকিন্স ইনস্টিটিউশনের তুর্কি বিশেষজ্ঞ আমান্ডা সোলাত বলেন, ‘তুর্কি কর্মকর্তারা যেরকমটি মনে করছেন যদি ঠিক সেরকম ভাবে খাসোগির মৃতদেহটি পাওয়া যায় তাহলে তা সৌদি রাজত্বের প্রতি একটি বিরূপ ধারণার জন্ম দিবে।’

বৃহস্পতিবার ‘সিআইএ’ এর পরিচালক গিনা হাসপেল তার তুর্কি সফর সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অবগত করান। গিনা হাসপেল তুর্কি সফরের সময় খাসোগি হত্যাকাণ্ডের সময় ধারণ করা অডিও বার্তা শুনেন।

এতকিছুর পরেও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাগণ জানিয়েছেন যে, খাসোগি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করতে তাদের আরো অনেক তথ্যের প্রয়োজন।

যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, ‘খাসোগির মৃতদেহের অবশিষ্টাংশ অবশ্যই তার পরিবারের নিকটে ফিরিয়ে দিতে হবে যাতে করে তারা একটি সম্মানজনক সৎকার অনুষ্ঠান করতে পারেন।’

আরেক বার্তায় তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগান বলেছেন, খাসোগি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তুরস্কের হাতে ‘আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে।’ তিনি খাসোগি হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে আটক ১৮ জন সৌদি নাগরিককে তুরস্কের নিকট সোর্পদ করতে সৌদি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

এরদোগান বলেন, ‘তাদেরকে আমাদের নিকট সোর্পদ করুন। হত্যাকাণ্ডটি ইস্তাম্বুলে ঘটেছে। আমরা তাদের বিচার করবো।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তুরস্কের একজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা বলেছেন, খাসোগি হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটানোর জন্য যেসব সৌদি নাগরিক ইস্তাম্বুলে এসেছিলো তাদেরকে তুরস্কের নিকট সোর্পদ করার জন্য সৌদি সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে কারণ ‘এ বিষয়ে তুরস্কের আদালত তাদের প্রতি ন্যায় বিচার করতে চায়।’

তুরস্ক এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের নিজস্ব কূটনৈতিক চ্যানেলে খাসোগি হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটির যুক্তিযুক্ত ব্যাখ্যা দেয়ার জন্য মধ্যপ্রাচ্যের সুপার পাওয়ার সৌদি আরবের প্রতি চাপ প্রয়োগ অব্যাহত রেখেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে বলা হয়, খাসোগি হত্যাকাণ্ডটি যে সব সৌদি নাগরিক ঘটিয়েছেন তারা সৌদি রাজত্বের অগোচরে এমন ঘটনা ঘটয়নি।

খাসোগি হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে সৌদি সরকারের একেক সময় একেক ধরনের বিবৃতি সম্পর্কে এরদোগান বলেন, ‘সৌদি সরকারের এসব শিশুতোষ বিবৃতি এ কথাই প্রমাণ করে যে, এ বিষয়ে দেশটি অতোটা আন্তরিক নয়।’

এরদোগান যিনি ২০০৩ সাল থেকে তুরস্কের ক্ষমতায় রয়েছেন খাসোগি হত্যাকাণ্ডের ইস্যুতে তিনি তুরস্কের আঞ্চলিক শত্রু সৌদি আরবকে দুর্বল করার একটি গ্রহণযোগ্য ইস্যু পেয়েছেন বলে অনেক বিশেষজ্ঞ মত দিয়েছেন।

এদিকে ক্রাউন প্রিন্স সালমান এবং তার পিতা সৌদি বাদশা সালমান সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ষ্টেট সেক্রেটারি মাইক পম্পেওকে জানিয়েছেন যে, হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি সৌদি সরকারের অগোচরে ঘটানো হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব ধরে রাখার এবং ইরানের উপর চাপ প্রয়োগের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সৌদি আরব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়া স্বত্বেও খাসোগি হত্যাকাণ্ডের ইস্যুটি নিয়ে সৌদি সরকারের উপর চাপ প্রয়োগের জন্য ট্রাম্প প্রশাসন বিশ্বের অন্যান্য দেশসমূহ থেকে চাপের মধ্যে রয়েছে।

গত শুক্রবার এক সাক্ষাৎকারে মাইক পম্পেও বলেন, ‘সৌদি আরবের আইন কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন যে, খাসোগি হত্যাকাণ্ডটি একটি পূর্ব-পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ছিল, এবং আমরা এ বিষয়ে আরো তথ্য উদঘাটনের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে বদ্ধপরিকর। কিন্তু একই সাথে সৌদি আরব আমাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত মিত্র। আমরা একই সাথে আমরা আমাদের স্বার্থের বিষয়টি দেখবো এবং দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবো।’
প্রসঙ্গত, সাংবাদিক খাসোগি তার তুর্কি বাগদত্তা হাতিস চেঙ্গিসকে বিয়ে করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আনতে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অবস্থিত সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশ করে আর বের হয়ে আসেন নি।

সাংবাদিক খাসোগি সৌদি সরকারের একজন কট্টর সমালোচক ছিলেন যিনি সৌদি সরকারের ভয়ে স্বেচ্ছায় যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় নির্বাসিত জীবন যাপন করছিলেন।

তুরস্কের টিভি চ্যানেল হাবেরতুর্ক এ দেয়া এক সাক্ষাত্কারে হাতিচ চেঙ্গিস বলেন, সেপ্টেম্বরের ২৮ তারিখে তুরস্কে আসার সময় খাসোগিকে খুবই উৎসাহিত দেখাচ্ছিল।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া আরেকটি সাক্ষাৎকারে চেঙ্গিস বলেন, ‘খাসোগি মনে করেছিলেন যে, তুরস্ক তার জন্য একটি নিরাপদ দেশ হবে এবং যদি তাকে আটকও করা হয় তবে এখানে এই সমস্যার দ্রুত সমাধান হবে।’

এদিকে জামাল খাসোগির বড় ছেলে সালাহ খাসোগি চলতি মাসের ২৫ তারিখে সৌদি আরব থেকে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে পৌঁছিয়েছেন। সালাহ খাসোগি একই সাথে যুক্তরাষ্ট্র এবং সৌদি নাগরিক। খাসোগির চার সন্তানের সকলেই বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন।

সূত্রঃ ওয়াশিংটন পোস্ট।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft