1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন
২২শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৭ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
বেইমানদের ১২ তারিখ ‘লাল কার্ড’ দিয়ে বিদায় করে দিবে—– লালমনিরহাটে জামায়াত আমীর নির্বাচনি দায়িত্বে আচরণবিধি প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে ব্যবস্থা : ইসি মাছউদ নির্বাচনে সংশ্লিষ্টদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পলাশবাড়ীতে আইনজীবী ফোরামের উদ্যোগে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী ক্যাম্পেইন অবাধ নির্বাচন ও সুশাসনের অঙ্গীকারে গাইবান্ধায় এক মঞ্চে প্রার্থীরা গোবিন্দগঞ্জে আলু চাষে আধুনিক প্রযুক্তি শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন বরণ গাইবান্ধায় রেলওয়ের লোহার বাউন্ডারী কেটেছে দুর্বৃত্তরা : নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন পীরগঞ্জে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি,ন্যায্য মজুরির দাবিতে প্রশাসনিক প্রাঙ্গণে উচ্চকণ্ঠ পলাশবাড়ীতে চ্যানেল এস এর বর্ষপূর্তি পালিত

মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিলপাস

  • আপডেট হয়েছে : শনিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৮
  • ৪২ বার পড়া হয়েছে

ইয়াবা (অ্যামফিটামিন), কোকেন, হেরোইন পরিবহন, কেনাবেচা, ব্যবসা, সংরক্ষণ, উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, হস্তান্তর, সরবরাহ ইত্যাদি অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবনের বিধান রেখে সংসদে পাস হয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিল-২০১৮।

শনিবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের ২৩তম অধিবেশনে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

এর আগে, বিলের ওপর আনীত সংশোধনী, যাচাই ও বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। গত ২২ অক্টোবর সম্পূরক কর্মসূচিতে বিলটি উত্থাপন করা হয়।

আইনে মাদকদ্রব্যের নামে অপরাধের ৩৪টি ধরণ একটি তফসিলে বর্ণনা করা হয়েছে। এজন্য আইনে সর্বনিম্ন এক বছর থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। তফসিলের ৭ অনুচ্ছেদ থেকে ১৫ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত নয়টি ক্ষেত্রে ক শ্রেণিভুক্ত মাদকের বিভিন্ন পরিমাণ উল্লেখ করে তার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবনের বিধান রাখা হয়েছে।

আইনে অপরাধ সংঘটনে অর্থ বিনিয়োগ, সরবরাহ, মদদ ও পৃষ্ঠপোষকতা দিলেও একই ধরনের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। কোন গৃহে মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য কোনো যন্ত্রপাতি, ওয়াশ অথবা অন্যান্য উপকরণ পাওয়া গেলে তিনি সর্বনিম্ন ২ বছরের কারাদণ্ড ও সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালালে আইনে এক বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

আইনে কোকেন, কোকো মাদক চাষাবাদ, উৎপাদন বা প্রক্রিয়াজাতকরণের ক্ষেত্রে ২৫ গ্রামের বেশি হলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। আর ২৫ গ্রামের নিচে হলে কমপক্ষে দুই বছর ও সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান আছে। ইয়াবা বহনের ক্ষেত্রে ২০০ গ্রামের বেশি হলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। তবে ১০০ গ্রাম বা মিলিলিটার হলে সর্বনিম্ন ৫ বছল এবং সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। মাদকাসক্ত ব্যক্তির ডোপ টেস্টে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেলে কমপক্ষে ৬ মাস ও সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হবে।

আইনে দেশি মদ, মিথাইল অ্যালকোহল, অ্যাবসিলিউট অ্যালকোহল, রেকটিফাউড স্ফিরিট, হোমিও প্যাথি চিকিৎসার জন্য ৪০ লিটার প্রুফ, এক্সট্রা নিউট্রাল অ্যালকোহল ইথানল (ঔষধে ব্যবহারের জন্য) বাংলাদেশে প্রস্তুত বিলাতি মদ, ডিনেচারড স্পিরিট, ও টলুইন এই আট প্রকার মাদক ব্যবহারে শুল্ক আরোপের বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া লাইসেন্স ছাড়া কোনো ব্যক্তি অ্যালকোহল পান করতে পারবে না।

আইনে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে অপরাধ তদন্তের ব্যাপারে থানার ভারপ্রাপ্ত থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসারের ক্ষমতা থাকবে। মহাপরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। মাদক অপরাধ বিচারের জন্য গঠিত মাদক দ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে এর বিচার হবে। ট্রাইবুনালে মামলা স্থানান্তরের ৯০ দিনের মধ্যে মামলা নিষ্পতির বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া ক্যামারায় ধারণকৃত ছবি, অডিও ফুটেজ মামলার সাক্ষ্য হিসেবে গৃহীত হবে।

আইনের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ১৯৯০ সনে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণীত হয়। এরপর ২০০০, ২০০২ ও ২০০৪ সনে আইনটি সংশোধিত হয়। এরপর আইনে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী সব মাদক দ্রব্য অর্ন্তভূক্ত করা প্রয়োজন। সাম্প্রতিককালে ইয়াবার ভয়াবহ আগ্রাসন আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মাদক মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করা প্রয়োজন। মাদক ব্যাবসায়ীর পাশাপাশি মাদক ব্যবসার পৃষ্ঠপোষকদেরও আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। সেজন্য মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ প্রণয়নের প্রয়োজন। বিলের সঙ্গে সরকারি অর্থ ব্যয়ের প্রসঙ্গ জড়িত থাকায় বিলে রাষ্ট্রপ্রতির অনুমোদন রয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft