1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:২৯ পূর্বাহ্ন
২০শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৫ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
অবরোধ শিথিলের পর রাফাহ পুরোপুরি খোলার অপেক্ষায় ফিলিস্তিনিরা তুরস্কে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ১৬ জনের মৃত্যু, আহত ৩০ শবে বরাতে দেশ ও জাতির কল্যাণে প্রার্থনার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার পেশাদারিত্বের বিষয়ে সাংবাদিকদের আপসহীন হতে হবে: তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা গাইবান্ধা-৩ আসনে এমপি প্রার্থী বাইসাইকেলের কাঁধে ঢেঁকি রেখে একক প্রচারণা গাইবান্ধায় ধানের শীষের সমর্থনে দলিল লেখক সমিতির বিশাল মিছিল পলাশবাড়ীতে ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত পীরগঞ্জে বেকার যুবক-যুবতীদের চাকুরী মেলা উদ্বোধন পলাশবাড়ীর কালীবাড়ি বাজার মুরগি হাটিতে সহিংসতা, আহত ব্যবসায়ী রংপুর মেডিকেলে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: উপজেলা প্রশাসনের ভূমিকা ও জবাবদিহিতার প্রশ্ন

আকাশ সংস্কৃতির ডামাডোলে গা ভাসিয়ে দিলে চলবে না: রাষ্ট্রপতি

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৮
  • ৪৫ বার পড়া হয়েছে

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, বহিঃবিশ্বে আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরতে দেশব্যাপী ছড়িয়ে থাকা সংস্কৃতির বিভিন্ন উপাদান দেশে বিদেশে পৌঁছে দিতে হবে।

রাষ্ট্রপতি নেত্রকোনার মুক্তারপাড়া মাঠে প্রথম আন্তর্জাতিক লোকসংস্কৃতি উৎসব-২০১৮ উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন। তিনি আন্তর্জাতিক লোকসংস্কৃতি উৎসব ২০১৮-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। খবর বাসসের।

বৃহত্তর ময়মনসিংহ সংস্কৃতি ফোরাম বিভিন্ন দেশের বিশিষ্ট লোকগীতি গবেষকদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তিমন্ত্রী এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহ সাংস্কৃতিক ফোরামের সভাপতি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন অধ্যাপক যতীন সরকার।

যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক প্রধান সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. সাজ্জাদুল হোসেন, বিশ্ব ভারতী বিশ্ব বিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর সবুজ কলি সেন এবং বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট সচিবগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পরে রাষ্ট্রপতি শেখ কামাল আইটি পার্কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ বলেন, আকাশ সংস্কৃতির ডামাডোলে গা ভাসিয়ে দিলে চলবে না। বরং তা থেকে ভাল দিকগুলো গ্রহণ করে মন্দ দিকগুলো বর্জন করতে হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলার সংস্কৃতি দেশে-বিদেশে পৌঁছে দিতে কবি, সাহিত্যিক, নাট্যকার, নির্মাতা, গবেষকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসবে।

রাষ্ট্রপতি তার ভাষণে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধিকার ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের স্মরণ করে বলেন, জাতিসত্তা বিকাশে বৃহত্তর ময়মনসিংহের রয়েছে অনন্য ভূমিকা।

স্বাধিকার ও মহান মুক্তিযুদ্ধসহ তিনটি ক্ষেত্রেই এই অঞ্চলের জনগণের সাহসী ভূমিকা ইতিহাসে অমর হয়ে আছে। মনসা মঙ্গল কাব্যের রচয়িতা কবি দ্বিজ বংশীদাস, বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি চন্দ্রাবতী, শিশু সাহিত্যিক উপেন্দ্র কিশোর রায়, সুকুমার রায়, বিখ্যাত ফার্সীগ্রন্থ শাহনামা অনুবাদক মনির উদ্দীন ইউসুফ, সাহিত্যিক অধ্যাপক নিরোদ চন্দ্র চৌধুরী, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন, চলচ্চিত্রকার সত্যজিত রায়সহ বহু গুণী এ ভূখন্ডে জন্মেছেন।

তিনি বলেন, এ অঞ্চল থেকেই ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’র মতো বিশ্বসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদের উদ্ভব ও বিকাশ ঘটেছে। ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ প্রকাশিত হওয়ার পর তা আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ব্যাপক সাড়া জাগায়। বাংলার সাধারণ মানুষের জীবনালেখ্য হয়ে উঠে বিশ্ব সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ।

বাংলার বিদগ্ধ জনসহ ইউরোপ, আমেরিকা ও প্রাচ্যদেশীয় অনেক জ্ঞানী-পন্ডি ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’র বিভিন্ন পালা মহুয়া, মলুয়া, দেওয়ানা মদিনা ও বীরাঙ্গনা সখিনার সাহিত্যিক সুষমায় মুগ্ধ হয়েছেন। ফরাসী সাহিত্যিক ডক্টর সিলভ্যাঁ লেভি অভিমত ব্যক্ত করে বলেন, ‘মহুয়া পড়িয়া মনে হইলো এই শীতের দেশে থাকিয়াও যেন আমি ভারতবর্ষের বসন্ত ঋতু উপভোগ করিতেছি। শুধু পূর্ববঙ্গই নয়, দেশের রংপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলেও এখনো অনেক পালাগান অবিচল ধারায় গীত হয়ে আসছে।

লোকসাহিত্য সংগ্রাহক ড. মনসুরউদ্দীন ও কবি জসীমউদ্দীন এসব পালাগানের সংকলন প্রকাশ করেছেন। লোকগানের চলমান ধারা বহতা নদীর মতো, আজো বাংলার পথে প্রান্তরে ভাওয়াইয়া-ভাটিয়ালি, মুর্শিদী, বাউলগীতি ও পালাগান ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলা সাহিত্য সংস্কৃতির বিশাল প্রান্তরে আমাদের অমূল্য গাঁথাগুলো জাতিসত্ত্বার প্রয়োজনে সংরক্ষণ করা দরকার। বিশেষ করে বাংলার প্রাচীন লোক সাহিত্যসহ আধুনিক লোকগীতি ও লোক সংস্কৃতির গবেষণার জন্য একটি লোক সংস্কৃতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা প্রয়োজন।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় বৃহত্তর ময়মনসিংহ সাংস্কৃতি ফোরাম ময়মনসিংহ বিভাগীয় শহরে তিন একর জমিতে একটি আন্তর্জাতিক লোকসংস্কৃতি ইনস্টিটিউট গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে জেনে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতিতেও এই উন্নয়নের ছোঁয়া আজ স্পষ্ট। এমনি যুগসন্ধিক্ষণে দেশি-বিদেশি লোকসংস্কৃতি গবেষক ও শিল্পীদের নিয়ে আজকের আন্তর্জাতিক লোকসংস্কৃতি উৎসব নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এর মাধ্যমে বাংলার মান, বাংলার জান ও বাংলার লোকসংস্কৃতি আবারো চাঙ্গা ও গতিশীল হবে। বিশ্ব সাংস্কৃতিক ধারায় সম্পৃক্ত হবে এদেশের সংস্কৃতির অনন্যগাঁথা।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft