1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৩০ অপরাহ্ন
১৮ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৩ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
সাদুল্লাপুরে জামায়াতের বিশাল জনসভা ও গণমিছিল মেধায় অনন্য দৃষ্টান্ত পলাশবাড়ীর মেয়ে মাইশার গাইবান্ধায় জিইউকে-এর উদ্যোগে তিন মাসব্যাপী কারিগরি প্রশিণের উদ্বোধন জামায়াতের নেতাদের ওপর ইচ্ছাকৃত সাইবার আক্রমণের অভিযোগ ‘গভীর ষড়যন্ত্রের’ দায়সারা স্বভাবে আটকে আছে পীরগঞ্জ উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিকগুলোর কাগুজে কাজ, বৈধ কাগজ ছাড়াই চলছে যাবতীয় কার্যক্রম! তারাগঞ্জে জাতীয় ছাত্র সমাজের অর্ধশত নেতা-কর্মীর জামায়াতে যোগদান সাদুল্যাপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত সাদুল্লাপুরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে সংবর্ধনা গোবিন্দগঞ্জে ৪২০ রাউন্ড কার্তুজসহ ৬৮টি আগ্নেয় অস্ত্র জমা সব দলকে নিয়ে নির্বাচন করলে রাজনৈতিক সমাধান ও স্থিতিশীলতা আসত-শামীম হায়দার পাটোয়ারী

স্বাধীন সাংবাদিকতার পথ রুদ্ধ করছে মায়ানমার: জাতিসংঘ

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
  • ৩৯ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুক্ত সাংবাদিকতার পথ রুদ্ধ করতে মায়ানমারের সেনাবাহিনী ও সরকার একজোট হয়ে রাজনৈতিক আক্রমণ শুরু করেছে। সে লক্ষ্যেই অস্পষ্ট আইনে বহু সাংবাদিককে গ্রেপ্তার বা বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে বলে মনে করছে জাতিসংঘ।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে কারাদণ্ড দেয়ায় সাম্প্রতিক ঘটনাসহ পাঁচটি ঘটনা পর্যালোচনা করে মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এই পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন।

মায়ানমারে রোহিঙ্গা নিপীড়নের তথ্য সংগ্রহের সময় গ্রেপ্তার রয়টার্সের সাংবাদিক ওয়া লোন (৩২) ও কিয়াও সো ওকে (২৮) গত ৩ সেপ্টেম্বর ঔপনিবেশিক আমলের রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে সাত বছরের কারাদণ্ড দেন ইয়াঙ্গুনের একটি আদালত।

রাখাইনের সেনা অভিযানের সময় ইনদিন গ্রামে ১০ রোহিঙ্গাকে হত্যা করে লাশ পুঁতে ফেলার একটি ঘটনা বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছিলেন ওই দুই সাংবাদিক।

ওই ঘটনাকে মায়ানমারে সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে বিচারিক হয়রানির ভয়ঙ্কর এবং হাইপ্রোফাইল উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে মানবাধিকার কমিশনের প্রতিবেদনে।

মায়ানমারে মত প্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করে কীভাবে গ্রেপ্তার-হয়রানি চালানো হচ্ছে, তার বিস্তারিত বিবরণ ওই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।

রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে মুক্তি দিতে আন্তর্জাতিক আহ্বান উপেক্ষা করে মায়ানমার বলে আসছে, আদালত আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে ওই রায় দিয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের প্রতিবেদনের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি মায়ানমারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মিন্ট কিয়াও।

তবে নোবেল বিজয়ী অং সান সু চির অধীনে মায়ানমারে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সঙ্কুচিত হওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন তার প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

মানবাধিকার কমিশনের মুখপাত্র রাভিনা শ্যামদাসানি মঙ্গলবার জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, মায়ানমারে আইন ও আদালতকে ব্যবহার করে সরকার এবং সেনাবাহিনী সংবাদপত্রের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে যে রাজনৈতিক আক্রমণ চালাচ্ছে, এ প্রতিবেদন সেটিই বলছে।

তিনি বলেন, মায়ানমারে রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইনের পাশাপাশি টেলিযোগাযোগ এবং আমদানি-রফতানিবিষয়ক আইনও সাংবাদিকদের হয়রানির জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।

রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারের পরিসংখ্যান থেকে উদ্ধৃত করে রাভিনা শ্যামদাসানি বলেন, কেবল ২০১৭ সালেই মায়ানমারে অন্তত ২০ জন সাংবাদিককে এসব আইনে বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft