1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ন
১৮ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৩ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
সাদুল্লাপুরে জামায়াতের বিশাল জনসভা ও গণমিছিল মেধায় অনন্য দৃষ্টান্ত পলাশবাড়ীর মেয়ে মাইশার গাইবান্ধায় জিইউকে-এর উদ্যোগে তিন মাসব্যাপী কারিগরি প্রশিণের উদ্বোধন জামায়াতের নেতাদের ওপর ইচ্ছাকৃত সাইবার আক্রমণের অভিযোগ ‘গভীর ষড়যন্ত্রের’ দায়সারা স্বভাবে আটকে আছে পীরগঞ্জ উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিকগুলোর কাগুজে কাজ, বৈধ কাগজ ছাড়াই চলছে যাবতীয় কার্যক্রম! তারাগঞ্জে জাতীয় ছাত্র সমাজের অর্ধশত নেতা-কর্মীর জামায়াতে যোগদান সাদুল্যাপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত সাদুল্লাপুরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে সংবর্ধনা গোবিন্দগঞ্জে ৪২০ রাউন্ড কার্তুজসহ ৬৮টি আগ্নেয় অস্ত্র জমা সব দলকে নিয়ে নির্বাচন করলে রাজনৈতিক সমাধান ও স্থিতিশীলতা আসত-শামীম হায়দার পাটোয়ারী

রংপুরের ধরলায় নদীর পানি বৃদ্ধি: হুমকিতে বিভিন্ন স্থাপনা

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে

রংপুর বিভাগের কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় ধরলা নদীর ভাঙন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। নির্মাণাধীন ধরলা সেতুর পশ্চিম প্রান্ত থেকে নদীর স্রোতে সোজাসুজি সোনাইকাজী গ্রামের ভূখণ্ডে আঘাত করার কারণে দুই দিনে ধরলার ভাঙনে নদী নিকটবর্তী সোনাইকাজী গ্রামের বেড়িবাঁধ, আবাদি জমি, বাগান, বাঁশঝাড়, বসতভিটাসহ নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। নির্মাণাধীন ধরলা সেতুর এক কিলোমিটার দক্ষিণে সোনাইকাজী এলাকায় ধরলা নদীর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। নির্মাণাধীন সেতুর এ্যাপ্রোচ সড়কে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে নদীর তীব্র স্রোতে সোজাসুজি এই এলাকায় আছড়ে পড়ছে। ফলে অব্যাহত ভাঙনের ফলে সোনাইকাজীর ১৫টি পরিবারের বসতভিটা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। মারাত্মক ভাঙনে হুমকির মুখে রয়েছে সোনাইকাজী মসজিদ, রামপ্রসাদ ও প্রাণকৃষ্ণ গ্রাম, মরানদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও প্রতিষ্ঠান। এলাকার হাছেন আলী জানান, দশ ভাইয়ের পয়ত্রিশ বিঘা জমি ছিল। নদী ভাঙনে সবকিছু বিলীন হয়ে গেছে। এখন আমরা নিঃস্ব। এ প্রসঙ্গে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম জানান, ধরলাসহ কুড়িগ্রামের বেশ কয়টি নদ-নদীর পানি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এখনও বিপদসীমা অতিক্রম করেনি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবেন্দ্র নাথ উরাও জানান, ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাঙন বৃদ্ধির খবর পেয়েছি। পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft