
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত একজন রুশ মডেল ও তার স্বামীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে। রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনে রাশিয়ান মডেল আনা শারিপো।
মডেল আনা শারিপো (৩০) রাশিয়ান সেনাবাহিনীর একজন প্রাক্তন জেনারেলের মেয়ে। শারিপো ও তার স্বামী অ্যালেক্স কিং (৪২) সম্প্রতি স্যালিসবারি শহরে নৈশভোজে অংশ নেন। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরই দুজনে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদেরকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাদের দেহে ইঁদুরের বিষ পাওয়া গেছে।
ওই রুশ মডেলের দাবি, তিনি ও তার স্বামীকে ব্রিটেনে বিষপ্রয়োগে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ২০০৬ সালে ইসরায়েলের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন এবং ২০০৮ সালে লন্ডনে পাড়ি জমান শারিপো।
তিনি বলেন, পুতিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা আমাকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। আমি পুতিনের বিরোধিতা করি এবং নিজের দেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছি, তাই তারা আমাকে হত্যা করতে চায়।
কিছুটা সুস্থ হয়ে শাপিরো হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে একটি হোটেলে সার্বক্ষণিক পুলিশ প্রহরায় রয়েছেন। কিন্তু তার স্বামী এখনো আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এর আগে সাবেক রুশ গুপ্তচর ও তার মেয়ে ইউলিয়াকে মার্চ মাসে ওই একই এলাকায় বিষপ্রয়োগে হত্যার চেষ্টা করা হয়। ব্রিটেন রাশিয়াকে এই হামলার জন্য দায়ী করেছে।
প্রকাশ্যে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সমালোচনা করায় তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে বলে মনে করেন শাপিরো।র ঘটনা ঘটলে বাংলাদেশ সরকার স্থানীয় সন্ত্রাসীদের দায়ী করে বলে উল্লেখ করে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ২০১৫ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত অন্তত ৪০টি হামলায় ভারতীয় উপমহাদেশীয় আল-কায়েদা (একিউআইএস) এবং আইএসআইএস দায় স্বীকার করেছে।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান (র্যাব) এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট যৌথ উদ্যোগে সন্দেহভাজন সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের ধরতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। এবং এতে অনেক সময় সন্দেহভাজন সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হত্যাও করা হয়। যেগুলোকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলোর আপত্তিও রয়েছে।
জাতিসংঘের নিয়মানুযায়ী, বাংলাদেশ তাদের সীমান্ত এবং বিমানন্দরের নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করে আসছে বলেও এতে বলা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের কট্টর ইসলামপন্থী সন্ত্রাসীরা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে তাদের মতাদর্শ প্রচার করে থাকে। এ দেশের বহু জঙ্গির নাম-পরিচিতি সন্ত্রাসী গঠনগুলোর ভিডিও, ওয়েবসাইট এবং বক্তৃতায় পাওয়া গেছে।
আগের বছরের তুলনায় ২০১৭ সালে সারা দুনিয়ায় সন্ত্রাসী হামলার পরিমাণ ২৩ শতাংশ কমেছে বলে প্রতিবেদনটিতে জানানো হয়। ২০১৬ সালের প্রতিবেদনেও দেখা যায়, ২০১৫ সালের তুলনায় সন্ত্রাসী হামলার পরিমাণ কম।
গত বছর সর্বমোট ১০০টি দেশে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে, তার মধ্যে ৫৯ শতাংশ হামলা হয়েছে মাত্র পাঁচটি দেশে। এগুলো হলো আফগানিস্তান, ভারত, ইরাক, পাকিস্তান ও ফিলিপাইন। আর এসব ঘটনায় নিহতদের ৭০ শতাংশই পাঁচটি দেশের নাগরিক। দেশগুলো হচ্ছে আফগানিস্তান, ইরাক, নাইজেরিয়া, সোমালিয়া ও সিরিয়া।