1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৫০ পূর্বাহ্ন
১৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৪ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
সাদুল্লাপুরে জামায়াতের বিশাল জনসভা ও গণমিছিল মেধায় অনন্য দৃষ্টান্ত পলাশবাড়ীর মেয়ে মাইশার গাইবান্ধায় জিইউকে-এর উদ্যোগে তিন মাসব্যাপী কারিগরি প্রশিণের উদ্বোধন জামায়াতের নেতাদের ওপর ইচ্ছাকৃত সাইবার আক্রমণের অভিযোগ ‘গভীর ষড়যন্ত্রের’ দায়সারা স্বভাবে আটকে আছে পীরগঞ্জ উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিকগুলোর কাগুজে কাজ, বৈধ কাগজ ছাড়াই চলছে যাবতীয় কার্যক্রম! তারাগঞ্জে জাতীয় ছাত্র সমাজের অর্ধশত নেতা-কর্মীর জামায়াতে যোগদান সাদুল্যাপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত সাদুল্লাপুরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে সংবর্ধনা গোবিন্দগঞ্জে ৪২০ রাউন্ড কার্তুজসহ ৬৮টি আগ্নেয় অস্ত্র জমা সব দলকে নিয়ে নির্বাচন করলে রাজনৈতিক সমাধান ও স্থিতিশীলতা আসত-শামীম হায়দার পাটোয়ারী

খালেদা জিয়াকে চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ, পরবর্তী শুনানি ২৪ সেপ্টেম্বর

  • আপডেট হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
  • ৩৩ বার পড়া হয়েছে

বহুল আলোচিত জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে জেলকোড অনুযায়ী চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এছাড়া এই মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য ২৪-২৬ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান এই আদেশ দেন।

এর আগে দুপুর ১২ টায় একই আদালত খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে মামলার বিচার কার্যক্রম চলবে বলে আদেশ দেয়। একই সঙ্গে এ মামলায় খালেদা জিয়াকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে তার আইনজীবীরা এ মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করতে পারবেন বলেও আদেশ দিয়েছেন বিচারক।

বেলা সাড়ে ১১টা থেকে খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে জিয়া চ্যারিটেবল মামলা চালানো যাবে কি না, শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এতে রাষ্ট্রপক্ষে মোশাররফ হোসেন কাজল এবং খালেদা জিয়ার পক্ষে অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকদার ও আমিনুল ইসলাম শুনানিতে অংশ নেন।

শুনানি শেষে আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪০-এর এ ধারা অনুযায়ী আসামির অনুপস্থিতিতে মামলার কার্যক্রম চলবে বলে আদেশ দেন। এ ছাড়া খালেদা জিয়াকে বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর নির্দেশনা চেয়ে করা আবেদনের ওপর দুপুর ২টায় আদেশ দেওয়ার কথা জানায় আদালত।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার শুনানি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগার এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অসুস্থ থাকায় আজও শুনানিতে অংশ নিতে পারেননি খালেদা জিয়া।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় মোট আসামি চারজন। খালেদা জিয়া ছাড়া অপর তিন আসামি হলেন—খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছেন মোট ৩২ জন। ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা করা হয়।

গত ৪ সেপ্টেম্বর আইন মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে মামলার কার্যক্রম খালেদা জিয়া যেখানে বন্দি আছেন, সেই কারাগারের প্রশাসনিক ভবনে আদালত বসানোর তথ্য জানানো হয়। পরের দিন ৫ সেপ্টেম্বর মামলার কার্যক্রমে আইনজীবীরা না গেলেও খালেদা জিয়া হুইলচেয়ারে করে আদালতে আসেন।

সেদিন আদালতে ৩০ মিনিটের মতো ছিলেন খালেদা জিয়া। বিচারকের সামনে একটি হুইলচেয়ারে তিনি বসে থাকেন। এ সময় তাকে বিমর্ষ দেখাচ্ছিল। তার হাত-পা এবং মাথা কাঁপছিল। তার সঙ্গে গৃহকর্মী ফাতেমা ছিলেন। ফাতেমার হাতে ছিল একটি ছোট ব্যাগ।

এ সময় খালেদা জিয়া আদালতকে বলেন, ‘জজ সাহেবের কাছে কোনো কথা বা নিবেদন করা যায় না। উনি তারিখ দিয়ে উঠে চলে যান। আমাদের কারো কথা শুনেন না। সরকারের হুকুমে এবং নির্দেশে তিনি সব কিছু পরিচালনা করছেন। আমার পায়ে ব্যথা। ডাক্তার আমাকে পা সব সময় উঁচু করে রাখতে বলেছেন। হাতেও প্রচণ্ড ব্যথা। আমাকে জোর করে এখানে আনা হয়েছে। আমি খুবই অসুস্থ। আমি ঘন ঘন কোনো হাজিরা দিতে পারব না। রায় তো লেখাই আছে। আমার হাত-পা প্যারালাইজড হয়ে যাচ্ছে। আপনাদের যা ইচ্ছা রায় দেন, যত খুশি সাজা দিয়ে দেন।’

এরপর আর আদালতে শুনানিতে হাজির হতে পারেননি খালেদা জিয়া। দ্বিতীয় দিনের শুনানি মুলতবির আগে বিচারক আখতারুজ্জামান বলেন, ‘আমার কাছে একটি চিঠি এসেছে। এতে খালেদা জিয়া বলেছেন, তিনি আর আদালতে আসবেন না।’

এ অবস্থায় প্রধান আসামির অনুপস্থিতিতে জামিনের শুনানি কীভাবে হবে এবং মামলার কার্যক্রম চলতে পারে কি না, সে ব্যাপারে আইনগত ব্যাখ্যা হাজির করার জন্য আসামিপক্ষের আইনজীবীদের নির্দেশ দেন আদালত।

জবাবে খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, ‘খালেদা জিয়া যেহেতু কারাগারে আছেন আর আদালত কারাগারের ভেতরে, তাহলে দুটোই থাকছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে। সে কারণে উনি কেন আসতে পারেননি, কী বলেছেন সেটা আমরা এখনো নিশ্চিত না। আবার উনি যেহেতু আগের দিন বলেছেন, অনেক বেশি অসুস্থ, উনার শারীরিক অবস্থা এখন কী, সেটাও তাঁর সঙ্গে দেখা করা ছাড়া বলা সম্ভব না।’

এই পরিপ্রেক্ষিতেই বুধবা মামলার শুনানির শুরুতেই খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন তাঁর দুই আইনজীবী।

বৃহস্পতিবার শুনানিতে খালেদা জিয়ার আইনজীবী আদালতকে বলেন, ‘খালেদা জিয়া শারীরিক অসুস্থতার কারণে আদালতে আসতে চাইছেন না, নাকি অন্য কোনো কারণে তিনি আর এই মামলার যুক্তিতর্কে অংশ নিতে চাইছেন না—সেটি আমাদের জানা প্রয়োজন। উনার সঙ্গে সাক্ষাৎ না করে সেটি বলা সম্ভব না। তাই তার সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছি। সেই সময় পর্যন্ত আদালতে মামলার যুক্তিতর্ক মুলতবি করা হোক।’

জবাবে দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, ‘মামলার যুক্তিতর্ক শুরু করুন। প্রয়োজনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে খালেদা জিয়ার উপস্থিতি নির্ধারণ করা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে তিনি কারাগারে নিজের কক্ষে বসেই আদালতে সাক্ষ্য দিতে পারবেন এবং বিচারকাজ পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।’

এরপর বৃহস্পতিবার বিকেলে কারাগারে খালেদা জিয়ার কক্ষের সামনে গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করেন তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া ও মাসুদ আহমেদ তালুকদার।

কারাগার থেকে বের হওয়ার পর মাসুদ আহমেদ তালুকদার সাংবাদিকদে বলেন, খালেদা জিয়া আদালতে বসে বিচার কাজ শ্রবণ করার মতো সুস্থ নন বলেই গত দুটি তারিখে কারাগারে স্থাপিত আদালতে আসেননি। এই আদালতের ওপর তার আস্থা আছে। কিন্তু আদালতে হাজির হওয়ার মতো শারীরিক সুস্থতা তার নেই। খালেদা জিয়া দুদিন আগেও কারাকক্ষের বাথরুমে পড়ে গেছেন। সুস্থ না হয়ে আদালতে কী করে যাবেন বলে প্রশ্ন রেখেছেন খালেদা জিয়া। সুস্থ হওয়া সাপেক্ষে তিনি আদালতে আসবেন বলে জানিয়েছেন।

মাসুদ তালুকদার বলেন, খালেদা জিয়া বলেছেন, আমি গত দুটি তারিখে অসুস্থ ছিলাম। এ কারণে আদালতে যেতে পারিনি। জেল কর্তৃপক্ষ আমার বিষয়ে মিথ্যা কথা বলেছে। আমার ছেলে ও মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতেও না খেয়ে আমি সারাদিন আদালতে উপস্থিত ছিলাম। আমি কখনো আদালতের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করিনি। আমি নিজে হাঁটতে পারি না। খাওয়া-দাওয়া করতে পারি না। এ মুহূর্তে আমার জরুরি দরকার হলো চিকিৎসা। আমি সুস্থ হয়ে আদালতে যাব এবং মামলা মোকাবিলা করব।

কারাগারে নিজের কক্ষের সামনে হুইল চেয়ারে বসে আইনজীবীদের এসব কথা বলেন খালেদা জিয়া।সূত্র-আরটিএনএন

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft