1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন
১৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১১ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
মেক্সিকোতে ফুটবল খেলায় সশস্ত্র হামলা: নিহত ১১, গ্রেফতার ৩ ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে আমদানি নীতি আদেশ ২০২৫-২০২৮ অনুমোদন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের পার্লামেন্টে শোক প্রস্তাব গৃহীত গাইবান্ধা সরকারি কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গাইবান্ধায় গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে আলোচনা সভা সাদুল্লাপুর মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত পীরগঞ্জে কোচিং সিন্ডিকেটের থাবা,শিক্ষার্থীরা কোচিংগুলো কাছে জিম্মি, শিক্ষা কি এখন আর মানুষ গড়ার কারখানা নয়? (পর্ব- ৩) পলাশবাড়ীতে আইএফআইসি ব্যাংকের মতবিনিময় সভা ১০০ কোটি টাকার আমানত মাইলফলকে আস্থার স্বীকৃতি পলাশবাড়ী উপজেলার বরিশাল দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী অনুষ্ঠান গোবিন্দগঞ্জে ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

শিক্ষার্থীদের ইচ্ছাকৃতভাবে বাসচাপা দিয়েছিলেন চালক মাসুম!

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ৮ আগস্ট, ২০১৮
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থীদের ইচ্ছাকৃতভাবে বাসচাপা দিয়েছিলেন বলে ঢাকার সিএমএম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন জাবালে নূর পরিবহনের চালক মাসুম বিল্লাহ।

বুধবার বিকেলে ঢাকার সিএমএম কোর্টে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি তিনি। এর আগে ০১ আগস্ট দুই শিক্ষার্থীকে পিষে মারার ঘটনায় ঘাতক চালক মাসুম বিল্লাহর সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

এদিকে রাজধানীর কুর্মিটোলায় উড়ালসেতুর ঢালে দুই শিক্ষার্থীকে চাপা দেওয়া বাসটির ব্রেক, ইঞ্জিন, চাকা সবই ঠিক ছিল। বেপরোয়া গতির কারণে বাসটি শিক্ষার্থীদের চাপা দিয়েছিল। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনটি মামলার তদন্তকারী সংস্থা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কাছে পাঠিয়েছে বিআরটিএ। বাসটির ফিটনেস ঠিক থাকলেও কোনো রুট পারমিট নেই বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। বাসের চালক মাসুম বিল্লাহর যাত্রীবাহী হালকা যান চালানোর লাইসেন্স রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনটি বাস প্রতিযোগিতামূলকভাবে চালালে দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত ও ১০-১২ জন আহত হন। শিক্ষার্থীদের চাপা দেয় টাটা কোম্পানির তৈরি ২০১৬ মডেলের (ঢাকা মেট্রো ব ১১-৯২৯৭) বাসটি। চাপা দেওয়া বাসটির ইঞ্জিন, স্টিয়ারিং হুইল, ব্রেক, সাসপেনসন ও চাকা ভালো রয়েছে। বাসের উইন্ডশিল্ড (সামনের কাচ), কিছু লাইট ও সামনের বাঁ পাশের অংশ দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাসটিতে এমন কোনো যান্ত্রিক গোলযোগ বা ত্রুটি নেই, যার কারণে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। চালকের দ্রুত ও বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর ফলে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

গত ২৯ জুলাই উড়ালসেতুর ঢালে বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের চাপা দেয় জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাস। এতে দুই শিক্ষার্থী নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হন। নিহত দুই শিক্ষার্থী হলো শহীদ রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের আবদুল করিম রাজীব ও দিয়া খানম। দিয়ার বাবা জাহাঙ্গীর আলম ৩০ বছর ধরে ঢাকা-রাজশাহী পথে দূরপাল্লার বাস চালাচ্ছেন। ঘটনার পর থেকে তিনি বলে আসছেন, বাসটির চালক অদক্ষ ও বেপরোয়া ছিলেন। দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর সারা দেশে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের বাস চাপা দেওয়ার ঘটনায় ক্যান্টনমেন্ট থানায় করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে দুর্ঘটনায় যুক্ত থাকা তিনটি বাস পরিদর্শন করে ৫ আগস্ট পুলিশের কাছে একটি প্রতিবেদন দেয় বিআরটিএ। বিআরটিএর মোটরযান পরিদর্শক সামসুদ্দিন আহমেদ এই প্রতিবেদন তৈরি করেন।

দুর্ঘটনায় যুক্ত থাকা তিনটি বাসের পাঁচজন কর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের কাছে দেয় র্যাব। তাঁরা হলেন চাপা দেওয়া বাসের চালক মাসুম বিল্লাহ এবং তার সহকারী (হেলপার) এনায়েত হোসেন, অন্য দুই বাসের তিন কর্মী মো. জোবায়ের, সোহাগ আলী ও রিপন হোসেন।

পুলিশ সূত্রগুলো জানায়, মাসুম বিল্লাহ চালকের সহকারী হিসেবে কাজ শুরু করার পর গত বছর হালকা যান চালানোর লাইসেন্স পান। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দাবি করেছেন, বাসটির ব্রেক ফেল করে নিয়ন্ত্রণ হারান।

মামলাটি এখন তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর ডিবির উত্তর বিভাগ। ডিবি উত্তরের উপকমিশনার মশিউর রহমান বলেন, সব দিক মিলিয়েই তদন্ত করছেন তারা। চালকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। চলতি মাসেই মামলার তদন্ত শেষ করে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হতে পারে।

উল্লেখ্য গত ২৫ জুলাইগত (রবিবার) দুপুরে রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কের কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনে এমইএস বাসস্ট্যান্ডে জাবালে নূর পরিবহনের বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হন। একই ঘটনায় আহত হন আরও ১০/১৫ শিক্ষার্থী। দুর্ঘটনার দিন থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করে আসছেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা।

নিহত দু্ই শিক্ষার্থী হলেন- শহীদ রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী দিয়া খানম মিম ও বিজ্ঞান বিভাগের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আব্দুল করিম রাজিব। ওই ঘটনায় জাবালে নূরের তিন গাড়ির দুই চালক ও দুই হেলপারকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১। তার আগে ওই ঘটনায় নিহত দিয়া খানম মিমের বাবা জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন। এ মামলা নং ৩৩(৭)১৮।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft