
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ধর্ম প্রচারক জাকির নায়েককে ভারতে ফেরানো নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ ভারতের বিদেশ মন্ত্রী। এই বিষয়ে ভারত সরকারের কোনও তথ্য প্রকাশ করা হবে না বলেও জানিয়ে দিয়েছেন বিদেশ মন্ত্রী সুষমা স্বরাজের দপ্তরের পক্ষ থেকে।
দু’ই বছর আগে সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়ার অভিযোগ ওঠে জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে।ঢাকার গুলশনে ঘটে যায় ভয়াবহ জঙ্গি হামলার। সেই হামলায় জড়িতরা জাকিরের বক্তব্য থেকেই হিংসায় অনুপ্রাণিত হয়েছিল এমন তথ্য প্রকাশ করে ভারত সরকার।
যখন জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠছে তখন তিনি বিদেশে ছিলেন। তারপর থেকে আর দেশে ফেরেননি।
সন্ত্রাসবাদে ইন্দন দেওয়ার পাশাপাশি আর্থিক ভাবেও সহায়তার অভিযোগ উঠে ডাঃ জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে। দু’ই ধরে তিনি ভারতের বাইরে একাধিক দেশে থেকেছেন। এই মুহূর্তে তিনি মালেশিয়ায় রয়েছেন।
মালয়েশিয়ার সঙ্গে ভারতের প্রত্যর্পণ চুক্তি থাকায় চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে জাকির নায়েককে দেশে ফেরানোর জন্য সরকারিভাবে আবেদন জানায় দিল্লি।
গত মাসের শুরু দিকে গুনজন ছড়িয়েছিলো যে ভারতে ফিরছেন জাকির নায়েক।সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত সেই খবরকে ভুল প্রমাণিত করে জাকির জানিয়ে দেয় যে, সে এই মুহূর্তে ভারতে ফিরছে না।
নায়েকের পাশে দাঁড়ান মালয়েশিয়ার প্রশাসন। খোদ প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মহম্মদ। যদিও ভারতের বিদেশমন্ত্রীর মুখপাত্র রবীশ কুমার জানিয়েছিলেন, জাকির নায়েককে দেশে ফেরানোর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে ভারত।
এই অবস্থায় তাকে নিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থান জানতে সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের এক প্রতিনিধি তথ্যের অধিকার আইনে আবেদন করেন।
জাকির নায়েকের প্রত্যর্পণের বিষয়ে মালয়েশিয়া সরকার কী জবাব দিয়েছে, তা জানতে চাওয়া হয়। উত্তরে বিদেশমন্ত্রীর তরফে ২০০৫ সালের তথ্যের অধিকার আইনের একাধিক ধারা উল্লেখ করে জানানো হয়, এই বিষয়ে কোনও তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
তথ্য সূত্র: কলকাতা ২৪