1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ন
১৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১১ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের আহ্বান তারেক রহমানের এনসিপি’র ৩৬ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা গণভোটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’র পক্ষে অবস্থান নিতে পারবেন না : নির্বাচন কমিশনার জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের ভাইস-চেয়ার নির্বাচিত বাংলাদেশ রংপুরে সমাবেশে যাবার পথে তারেক রহমানের পলাশবাড়ীতে সংক্ষিপ্ত যাত্রা বিরতি ফুলছড়িতে অস্ত্রসহ বিএনপি নেতা গ্রেফতার পীরগঞ্জে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক জিয়া পলাশবাড়ীতে গ্রীন ফিল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ নারী শিক্ষার্থী উত্ত্যক্তের অভিযোগ ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার প্রতিবাদে পলাশবাড়ীতে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন মেক্সিকোতে ফুটবল খেলায় সশস্ত্র হামলা: নিহত ১১, গ্রেফতার ৩

কেরালায় বন্যা-ভূমিধসে তিন শতাধিক নিহত, রেড অ্যালার্ট জারি বিমানবন্দর বন্ধ

  • আপডেট হয়েছে : শনিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৮
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

 

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কেরালায় টানা বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে কয়েক দিনে ৩২৪জনের মৃত্যু হয়েছে। বাড়ি-ঘর হারিয়ে দুই লক্ষাধিক মানুষ ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিয়েছে। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ান মৃতের এ সংখ্যা নিশ্চিত করেন।

রাজ্যে সরকার বলছে, ভূমিধসের কারণে সৃষ্ট ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপা পড়ে অধিকাংশের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার। এরই মধ্যে রাজ্যটির প্রায় দুইলাখের বেশি বাসিন্দা গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। জলাবদ্ধ ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার অধিবাসীদের সরিয়ে নিতে উদ্ধারকর্মীরা জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন বলে জানিয়েছে বিবিসি।

পূর্বাভাসে আরো বৃষ্টির সম্ভাবনায় রাজ্যজুড়ে রেড এলার্ট জারি করা হয়েছে। কেরালার বাণিজ্যিক রাজধানী কোচির অনেক এলাকা ডুবে যাওয়ায় সড়ক ও রেল যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। বন্যার পানিতে রানওয়ে ডুবে যাওয়ায় কোচি বিমানবন্দরের সব কার্যক্রম ২৬ অগাস্ট পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।

বন্যায় আটকে পড়া লোকজনদের উদ্ধারে এরই মধ্যে শত শত সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বৃদ্ধা ও শিশুদেরকে হেলিকপটারে করে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মুষলধারে হওয়া এ বৃষ্টি শনিবারের আগে থামবে না বলে পূর্বাভাসে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এক টুইটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শুক্রবার সন্ধ্যায় বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে কেরালা যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

টানা বৃষ্টিতে পানির চাপ বেড়ে যাওয়ায় কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন বাঁধ খুলে দিতে বাধ্য হলে কেরালার অধিকাংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়।

প্রায় এক শতকের মধ্যে কেরালায় এটি সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ।

আরও বৃষ্টি এবং বন্যা-ভূমিধসের আশঙ্কার দক্ষিণের এ রাজ্যটির ১৪টি জেলার ১৩টিতেই সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। জনসাধারণকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে নির্দেশ দিয়েছে পিনারাই বিজয়নের সরকার।

রাজ্যের সব স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে; অনেক জেলাতেই পর্যটকপ্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। বন্যায় আটকে পড়াদের উদ্ধারে হেলিকপ্টার, লাইফবোটের পাশাপাশি বিভিন্ন বাহিনীর হাজারও সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

“আমরা এমন কিছু প্রত্যক্ষ করছি, কেরালার ইতিহাসে আগে যা কখনোই দেখা যায়নি। প্রায় সব বাঁধ খুলে দেওয়া হয়েছে। যেসব প্ল্যান্টের মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হতো তার বেশিরভাগই তলিয়ে গেছে। মটর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে,” বলেন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ান।

পার্শ্ববর্তী রাজ্য তামিলনাড়ু একটি বাঁধের ফটক খুলে দিলে পরিস্থিতির অবনতি হয়; এটিকে রাজ্য সরকারের ব্যর্থতা হিসেবেও মেনে নিয়েছেন এ সিপিএম নেতা।

দুর্যোগ কবলিত ত্রিচুর, আলুভা ও মুভাত্তুপুঝায় আটকে পড়া মানুষদের হেলিকপ্টারে করে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে ভারতের সশস্ত্রবাহিনী। ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযানে নতুন করে সামরিক বাহিনীর তিনটি উইংকে নামানো হয়েছে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি। দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া বাহিনীর (এনডিআরএফ) ১২টি দল আগে থেকেই মোতায়েন আছে।

কেরালার মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেওয়া এক সতর্কবার্তায় পেরিয়ার ও চালাকুদি নদীর পানি বাড়তে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে আলুভার অবস্থাই সবচেয়ে বাজে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো। দক্ষিণের ইডুক্কি ও উত্তরের মালাপ্পুরাম ও কান্নুরে নতুন করে ভূমিধসের খবর পাওয়া গেছে।

সরকারি যানবাহন ছাড়া অন্য কোনো গাড়িকে পর্যটকদের অন্যতম পছন্দের স্থান মুন্নারে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। পম্পা নদীর পানির মাত্রা বেড়ে যাওয়ার শঙ্কায় সাবারিমালার পাহাড়ি মন্দিরের দিকে যেতেও জনসাধারণকে নিষেধ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৮ আগস্ট থেকে কেরালা রাজ্যে প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে বন্যা ও ভূমিধসের সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে রাজ্যটিতে এ পর্যন্ত ৩২৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।

বন্যা পরিস্থিতি ক্রমাগত অবনতি হতে থাকায় ও কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা না নেয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।

রাজ্যের বেশ কয়েকটি নদীর বিপদসীমার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে অনেক বাড়ি-ঘর ভেসে গেছে। বিভিন্ন জায়গায় ধসের কারণে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়েছে। কেরালার পাথনমথিটা, এরনাকুলম, ইদুকি, মালাপুরম, পালাকাদ, থ্রিসুর এলাকায় রেড অ্যালার্ট জারি করেছে ভারতীয় আবহাওয়া অফিস।

এছাড়াও রাজ্যের আলাফুজা, কোলাম, কোটায়মে কমলা এলাকায় বন্যা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ভারী বর্ষণের কারণে আগামী ২৬ অাগস্ট পর্যন্ত কেরালার কোচি বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা করেছে কর্তৃপক্ষ।

রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে ভারতের বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কোচি বিমানবন্দর চালু করা হবে না বলে জানিয়েছে।

সূত্র : বিবিসি ও এনডিটিভি অবলম্বনে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft