
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
সোমবার মিসরের ঐতিহ্যবাহী আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, যৌন হয়রানি ইসলামে নিষিদ্ধ এবং কোনো অবস্থাতেই একে বিবেচ্য বলে মনে করা হয় না।
বিবৃতিতে আরো জানায়, ‘সকল প্রকার যৌন হয়রানিকে ইসলামে নিষিদ্ধ করা হয়েছে এমনকি যদি তা কোনো চিহ্নের মাধ্যমে, কথা বার্তার মাধ্যমে বা শারীরিক ভাবেও করা হয়।’
মিসরে সম্প্রতি নারীদের পোশাকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বিভিন্ন যৌন হয়রানিমূলক আক্রমণের খবর দেশটির গণমাধ্যম এবং সোস্যাল মিডিয়াতে প্রকাশিত হওয়ার পরেই আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয় এই বিবৃতিটি দেয়।
‘যে কোনো অবস্থাতেই যৌন হয়রানি করা একটি অপরাধ এবং একে কোনোভাবেই বৈধতা দেয়া যায় না। কোনো অবস্থাতেই কোনো নারীর আচরণ তার পোশাক পরিধান করার পছন্দের কারণে তাকে যৌন হয়রানি করার বৈধতা দেয় না। এবং এটাকে তাদের প্রতি ভুলভাবে নেয়ার কোনো কারণ নেই, যাতে তাদের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা এবং সম্মান ক্ষুন্ন হয়।’
পবিত্র কুরআন এবং নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনী থেকে উদাহরণ দেয়ার মাধ্যমে আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয় তার বিবৃতিতে ইসলামের স্বর্ণ যুগে কিভাবে নারীরা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ভ্রমণ করতেন তা তুলে ধরার মাধ্যমে যৌন হয়রানি কতটা ক্ষতিকর সে সম্পর্কে সামাজিক সচেতনতা তৈরি করতে প্রচেষ্টা চালায়।
আল আজহার অবশ্য গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানায় যে তারা এমন কোনো খবর বা অন্য কোনো কিছু প্রকাশ না করে যাতে করে নারীর প্রতি যৌন হয়রানিমূলক আচরণে উৎসাহ দেয়া হতে পারে।
সম্প্রতি মিসরে বিভিন্ন ধরনের যৌন হয়রানির ঘটনা ঘটে এবং এসব ঘটনার জন্য নারীদের পোশাককে দায়ী করা হয় এবং এরই পরিপ্রেক্ষিতে আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয় এই বিবৃতিটি দেয়।
সূত্রঃ এহরাম