1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:১৬ পূর্বাহ্ন
১৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১০ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পলাশবাড়ীর ঢোলভাঙ্গায় নির্বাচনী পথসভায়-ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক গাইবান্ধার বোনারপাড়া রেলওয়ে জংশন পরিদর্শন করেন জিআইবিআর ময়নুল ইসলাম গোবিন্দগঞ্জে ৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারী গ্রেফতার গাইবান্ধা জেলা ফেডারেশন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত দুবাই বিশ্বের প্রথম ‘গোল্ড স্ট্রিট’ তৈরি করতে যাচ্ছে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টিকিট পেল বাংলাদেশ দল বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র সরকার : মার্কিন রাষ্ট্রদূত পীরগঞ্জে শিক্ষাব্যবস্থায় জ্ঞানের আলো নিভে যাওয়ার নীরব সংকট তারাগঞ্জে সেনাবাহিনী–হাইওয়ে পুলিশের যৌথ অভিযান: রেজিস্ট্রেশন ও কাগজপত্রবিহীন যানবাহনে জরিমানা

সুন্দরগঞ্জের এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যা মামলায় স্ত্রীসহ ২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছে আদালত

  • আপডেট হয়েছে : মঙ্গলবার, ২৪ জুলাই, ২০১৮
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যা মামলায় আদালতে আজ ২৪ জুলাই মঙ্গলবার নিহতের স্ত্রী সৈয়দা খুরশিদ জাহান স্মৃতিসহ ২ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। গাইবান্ধার জেলা ও দায়রা জজ রাশেদা সুলতানার আদালতে এ স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

গাইবান্ধার পাবলিক প্রসিকিউটর শফিকুল ইসলাম শফিক সাংবাদিকদের জানান, ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন তার বাড়ির ড্রয়িং রুমে অবস্থানকালে একদল দুর্বৃত্ত ওই রুমে ঢুকে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। এসময় গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই রাতেই তিনি মারা যান। পরে তার ছোট বোন ফাহমিদা বুলবুল কাকলী বাদী হয়ে সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ দীর্ঘ তদন্তের পর হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।
চার্জশীটে উল্লেখ্য করা হয়, হত্যার মুল পরিকল্পনাকারী ছিলেন জাতীয় পাটি নেতা ওই এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকতা ডাঃ কর্ণেল আব্দুল কাদের খান। ওই চার্জশীটে হত্যাকান্ডে ৮ জনকে আসামি হিসেবে সনাক্ত করা হয়। পুলিশ কাদের খান সহ ৭ জনকে গ্রেফতার করতে পারলেও অপর আসামি চন্দন কুমার রায়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়নি। সে ভারতে পালিয়ে গেছে।

আদালতে নিহতের স্ত্রী সৈয়দা খুরশিদ জাহান স্মৃতি সহ ৪ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহন করার কথা থাকলেও স্বাক্ষীদের মধ্যে আব্দুল কাফি বিদেশে অবস্থান করায় ও বেনজির আহমেদ লিংকন মারা যাওয়ায় নিহত এমপি লিটনের স্ত্রী সৈয়দা খুরশিদ জাহান স্মৃতি ও প্রতিবেশি আল ইবনে রাজ্জাক ওরফে নয়ন সহ ২ জনের সাক্ষ্য গ্রহন করা হয়।

স্বাক্ষীরা হত্যাকান্ড পরবর্তী পরিস্থিতিসহ গুরুতর আহত এমপি লিটনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া পর্যন্ত ঘটনার বর্ণনা দেন। এ দু’জনসহ চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত ১১জন তাদের স্বাক্ষ্য প্রদান করেন।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft