1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন
১৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১০ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পলাশবাড়ীর ঢোলভাঙ্গায় নির্বাচনী পথসভায়-ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক গাইবান্ধার বোনারপাড়া রেলওয়ে জংশন পরিদর্শন করেন জিআইবিআর ময়নুল ইসলাম গোবিন্দগঞ্জে ৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারী গ্রেফতার গাইবান্ধা জেলা ফেডারেশন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত দুবাই বিশ্বের প্রথম ‘গোল্ড স্ট্রিট’ তৈরি করতে যাচ্ছে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টিকিট পেল বাংলাদেশ দল বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র সরকার : মার্কিন রাষ্ট্রদূত পীরগঞ্জে শিক্ষাব্যবস্থায় জ্ঞানের আলো নিভে যাওয়ার নীরব সংকট তারাগঞ্জে সেনাবাহিনী–হাইওয়ে পুলিশের যৌথ অভিযান: রেজিস্ট্রেশন ও কাগজপত্রবিহীন যানবাহনে জরিমানা

‘এই বিরল আয়োজন’ ইসলাম সম্পর্কে ট্রাম্পের অতীত মুছে দিতে পারবে না

  • আপডেট হয়েছে : রবিবার, ২৯ জুলাই, ২০১৮
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে

 

গেল সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক মন্ত্রনালয় ‘ধর্মীয় স্বাধীনতা’ বিষয়ক এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। যদিও আয়োজনটি তড়িঘড়ি করে করা হয়, তার পরও যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান শাসন আমলে এরকম অনুষ্ঠানের আয়োজন করাটা একটি বিরল ঘটনা।

বর্তমান সময়ে ওয়াশিংটনে লক্ষনীয়ভাবে একটি দ্বিদলীয় সংস্থা হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক কমিশনের এধরনের বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রীগণ এবং ধর্মীয় নেতাগণ এই সম্মেলনে অংশ নেন এবং তারা জানান যে, জনগণের মনে এ ধারণা জন্ম দিতে হবে যে, রাজনীতি অবশ্যই এত দূরে পৌঁছাবে যে, এটা বিশ্বব্যাপী ধর্মীয় স্বাধীনতার উন্নয়নে কাজ করবে।

যদিও এটা বোঝার জন্য বিশেষজ্ঞ হওয়ার দরকার নেই যে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দল বর্তমানে ধর্মীয় স্বাধীনতার জন্য কাজ করে কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে জনমনে।

এটা খুবই সাধারণ বিষয়- ট্রাম্পের নির্বাচিত হওয়ার পেছনে গৌড়া খ্রিষ্টানগণ কাজ করেছেন। তখন কিছু সময়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয়টি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে পরিণত হয় এবং এটা যুক্তরাষ্ট্রের খ্রিষ্টান পন্থিদের জন্যই হয়েছে।

কিন্তু খ্রিষ্ট্রান পন্থিদের কর্তৃত্বের কারণে এটা একটি গন্ডির মধ্যে আঁটকে যায় বিশেষত রাজনীতিবিদ এবং ধর্মীয় পন্থিগণের মধ্যে অনেকটা পার্থক্য দেখা দেয়- যারা ইসলামের প্রতি তাদের বৈরী আচরণ প্রকাশ করে।

গত মাসে একটি সভায় স্যাম ব্রৌনব্যাক নামের সাবেক কেনসাস রাজ্যের সিনেটর এবং গভর্ণর যিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক একজন প্রতিনিধি যুক্তরাজ্যের কূটনৈতিক স্যার কিম ডারোচের সাথে লবিং করেন মুসলিম বিদ্বেষী কর্মী টমি রবিনসনের মুক্তির ব্যাপারে যিনি যুক্তরাজ্যের কারাগারে আটক রয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের একজন মুখপাত্র ব্রৌনব্যাকের ডারোচের সাথে বৈঠককে মিথ্যা রটনা আখ্যা দেন এবং পরে তিনি এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করেননি।

ব্রৌনব্যাকের উচিত তার মন্তব্য জানানো। যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ জানতে চায় যে, একজন নোংরা ধর্মান্ধের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কিসের এত স্বার্থ, যিনি ছিল ট্রাম্পের সাবেক একজন উপদেষ্টা এবং একজন বর্ণবাদী।

ব্রৌনব্যাক যিনি ট্রম্পের মুসলিম বিদ্বেষ ভাবাপন্ন মনোভাবের সাথে খুব কম দূরত্ব বজায় রাখেন এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক প্রতিনিধি নিযুক্ত হওয়ার মত সুযোগ গ্রহণ করেন তিনি ট্রাম্পের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাকেও সমর্থন করেন।

হোয়াইট হাউজ ধর্মীয় স্বাধীনতাকে খ্রিষ্টান পন্থিদের সাথে সমতায় আনার জন্য সম্প্রতিক সময়ে USCIRF এ তিনজনকে মনোনীত করে, এদের মধ্যে একজন হচ্ছেন উগ্র খ্রিষ্টান পন্থি রাজনৈতিক।

খ্রিষ্টান পন্থিদের সাথে সমতার ব্যাপারে ট্রাম্প একা নন। সিনেটের বড় অংশের নেতা মিচ ম্যাককোনেল USCIRF এ এমন ব্যক্তিকে (টনি পারকিনস) মনোনয়ন দেন যিনি ইসলাম সম্পর্কে ভাষায় প্রকাশ অযোগ্য মন্তব্য করেছেন।

রাজধানীতে এমন কেউই নেই যে ধর্ম সম্পর্কিত বিষয়ে রাজনীতির উর্ধ্বে উঠতে পেরেছেন। অবশ্য সিনেটের অন্য বড় অংশের নেতা USCIRF এ গেইল ম্যানসিন নামে এক নারীকে নিয়োগ দেন যিনি এ ব্যাপারে ব্যতিক্রম।

কিন্তু ট্রাম্পের ঘৃন্য মুসলিম বিদ্বেষী মনোভাব এবং তার কিছু সমর্থক যুক্তি দেয় যে, ধর্মীয় স্বাধীনতা গণতন্ত্রের কেন্দ্রে অবস্থান করে, এবং হাস্যকর ভাবেই তারা পুরো প্রকল্পটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই প্রকল্প এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা উভয়েই রাজনীতির উর্ধ্বে উঠতে পারবে কিনা আরো ভালো কিছু করার উদ্দেশ্যে।

উত্তর হচ্ছে হ্যাঁ। যদিও ট্রাম্প খ্রিষ্টান পন্থি দালালদের সাথে নিয়ে পুরোপুরি বিজয়ী হয় তথাপিও সুশিল সমাজ, নাগরিক সমাজ এবং বিশ্বাসীদেরকে নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে উৎসাহ দিবে।

হোয়াইট হাউজকে এ ব্যপারে ব্যর্থতার জন্য দোষ দেয়া খুব ঝূঁকি পূর্ণ হবে। Vermont University এর অধ্যাপক পিটার হেন বলেন, ধর্মীয় স্বাধীনতা প্রায়শ প্রতিনিধিত্ব করে ‘খুব উচ্চভাবেই প্রতিষ্ঠানকে তার পুরষ্কার দেয়’।

গত সপ্তাহে ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক সামিটে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রণ যারা গ্রহণ করেছেন তারা অবশ্যই জানবেন যে, ইসলাম সম্বন্ধে ট্রাম্পের অতীত ইতিহাস এটাই নির্দেশ করে যে, ট্রাম্পইজম এবং আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা দুটোর মধ্যকার বিস্তর পার্থক্য রয়েছে যেটা আমরা কোনোভাবেই এড়িয়ে যেতে পারি না।

সূত্র: রিলিজিয়ন নিউজ

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft