1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ন
১৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১০ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পলাশবাড়ীর ঢোলভাঙ্গায় নির্বাচনী পথসভায়-ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক গাইবান্ধার বোনারপাড়া রেলওয়ে জংশন পরিদর্শন করেন জিআইবিআর ময়নুল ইসলাম গোবিন্দগঞ্জে ৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারী গ্রেফতার গাইবান্ধা জেলা ফেডারেশন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত দুবাই বিশ্বের প্রথম ‘গোল্ড স্ট্রিট’ তৈরি করতে যাচ্ছে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টিকিট পেল বাংলাদেশ দল বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র সরকার : মার্কিন রাষ্ট্রদূত পীরগঞ্জে শিক্ষাব্যবস্থায় জ্ঞানের আলো নিভে যাওয়ার নীরব সংকট তারাগঞ্জে সেনাবাহিনী–হাইওয়ে পুলিশের যৌথ অভিযান: রেজিস্ট্রেশন ও কাগজপত্রবিহীন যানবাহনে জরিমানা

আবারও প্রমাণিত হলো, এই ইসি দিয়ে সুষ্ঠু ভোট হবে না: রিজভী

  • আপডেট হয়েছে : মঙ্গলবার, ৩১ জুলাই, ২০১৮
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে

‘আবারও প্রমাণিত হলো- এই অবৈধ সরকার এবং আজ্ঞাবাহী নির্বাচন কমিশনের নেতৃত্বে কখনোই সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসিচব রুহুল কবির রিজভী।

সোমবার বিকেলে ভোটগ্রহণ শেষে তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনের নানা অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসিচব বলেন, আবারও প্রমাণিত হয়েছে যে, এই সরকারের অধীনে ইসির পক্ষে কোনোভাবেই সুষ্ঠু ভোট করা সম্ভব নয়।

বিএনপি এই নেতা বলেন,‘গাজীপুর ও খুলনায় অল্প কিছু লোক ভোট দিতে পারলেও আজকে তিন সিটি নির্বাচনে সেটিও সম্ভব হয়নি। তবে সেদিন আর বেশি দূরে নয়, যখন জনগণের অধিকার কেড়ে নেওয়া দখলের রাজনীতির বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ জনতার প্রবল প্রতিরোধ যেকোনো মুহূর্তে ধূমকেতুর মতো আবির্ভূত হয়ে সরকারের মসনদকে উল্টে দিবে।’

রুহুল কবির রিজভী বলেন, বরিশাল সিটির বিএনপির মেয়র প্রার্থী ভোট বর্জণের ঘোষণা দিয়েছেন। সেখানকার একটি কেন্দ্র অনিয়মের অভিযোগে স্থগিত করা হয়েছে। সিলেট সিটি করপোরেশনের দুটি কেন্দ্র স্থগিত করা হয়েছে। সেখানকার বিএনপির প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন। রাজশাহীর ধানের শীষের মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলও এজেন্টদের বের করে দেওয়াসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ করেছেন।

আওয়ামী লীগ নেতার বক্তব্যের সমালোচনা করে নয়াপল্টনের সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘একচেটিয়া জালভোট ও ভোট সন্ত্রাসের কৃতিত্বে আত্মপ্রসাদ লাভ করেছে, আর সেজন্যই তারা উৎসবে মেতে উঠেছে। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে নিয়েছে পুলিশ।’

রুহুল কবির রিজভী আরো বলেন, ‘সিটি নির্বাচন নিয়ে আমরা যা আশঙ্কা করছিলাম আগে সেটিই আজ বাস্তবায়ন হয়েছে। কারণ অবৈধ সরকার ও তার আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশনার থাকলে সেখানে নির্বাচন তো নির্বাসনেই যাবে। এ সরকার ন্যূনতম ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। আজ তিন সিটির কোথাও ন্যূনতম সুষ্ঠু ভোটের খবর পাওয়া যায়নি।

ইসির সমালোচনা করে বিএনপি নেতা বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন করতে আসেনি। তারা এসেছে সরকারের হুকুম তামিল করার জন্যই। তাই সরকারি দলের ভোট ডাকাতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেও এ বিষয়ে তাদের কোনো বিকার নাই।’

সোমবার সকাল ৮টা থেকে রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি করপোরেশনে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোট চলে টানা ৪টা পর্যন্ত। নির্বাচন কমিশন থেকে জানানো হয়েছে, রাজশাহী সিটি করপোরেশনে তিন লাখ ১৮ হাজার ১৩৮ জন ভোটার রয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৫৬ হাজার ৮৫ ও নারী ভোটার এক লাখ ৬২ হাজার ৫৩ জন। বরিশাল সিটি করপোরেশনে দুই লাখ ৪২ হাজার ৬৬৬ জন ভোটার রয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ২১ হাজার ৪৩৬ ও নারী ভোটার এক লাখ ২০ হাজার ৭৩০ জন। সিলেট সিটি করপোরেশনে তিন লাখ ২১ হাজার ৭৩২ জন ভোটার রয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার লাখ ৭১ হাজার ৪৪৪ ও নারী ভোটার এক লাখ ৫০ হাজার ২৮৮ জন।

রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে চারজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন (নৌকা), বিএনপির মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. শফিকুল ইসলাম (হাতপাখা) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মুরাদ মোর্শেদ (হাতি)।

বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে ছয়জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ (নৌকা), বিএনপির মো. মজিবর রহমান সরোয়ার (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ওবায়দুর রহমান মাহবুব (হাতপাখা), বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আবুল কালাম আজাদ (কাস্তে), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের মনীষা চক্রবর্তী (মই) ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. ইকবাল হোসেন (লাঙ্গল)।

সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে সাতজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁরা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান (নৌকা), বিএনপির আরিফুল হক চৌধুরী (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ডা. মো. মোয়াজ্জেম হোসেন খান (হাতপাখা), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) মো. আবু জাফর (মই) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী এহসান মাহবুব জোবায়ের (টেবিল ঘড়ি), মো. এহসানুল হক তাহের (হরিণ) ও মো. বদরুজ্জামান সেলিম (বাস)। তিন সিটিতে ৫৩০ জন কাউন্সিলর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

রাজশাহী সিটিতে ৩০টি সাধারণ ও ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড রয়েছে। এখানে ১৩৮টি ভোটকেন্দ্র ও এক হাজার ২৬টি ভোটকক্ষ রয়েছে। বরিশাল সিটিতে ৩০টি সাধারণ ও ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড রয়েছে। এখানে ১২৩টি ভোটকেন্দ্র ও ৭৫০টি ভোটকক্ষ রয়েছে এবং সিলেট সিটিতে ২৭টি সাধারণ ও নয়টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড রয়েছে। এখানে ১৩৪টি ভোটকেন্দ্র ও ৯২৬টি ভোটকক্ষ রয়েছে।

রাজশাহী সিটিতে সৈয়দ আমিরুল ইসলাম, বরিশালে মুজিবুর রহমান ও সিলেটে মো. আলিমুজ্জামন রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন। এদিকে তিন সিটিতেই আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীরা দাবি করেছেন, সেখানে সুষ্ঠু ভোট হয়েছে। দলীয়ভাবে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেছেন, তিন সিটিতে ভোটের উৎসব বিরাজ করছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft