1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন
১৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১০ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পলাশবাড়ীর ঢোলভাঙ্গায় নির্বাচনী পথসভায়-ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক গাইবান্ধার বোনারপাড়া রেলওয়ে জংশন পরিদর্শন করেন জিআইবিআর ময়নুল ইসলাম গোবিন্দগঞ্জে ৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারী গ্রেফতার গাইবান্ধা জেলা ফেডারেশন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত দুবাই বিশ্বের প্রথম ‘গোল্ড স্ট্রিট’ তৈরি করতে যাচ্ছে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টিকিট পেল বাংলাদেশ দল বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র সরকার : মার্কিন রাষ্ট্রদূত পীরগঞ্জে শিক্ষাব্যবস্থায় জ্ঞানের আলো নিভে যাওয়ার নীরব সংকট তারাগঞ্জে সেনাবাহিনী–হাইওয়ে পুলিশের যৌথ অভিযান: রেজিস্ট্রেশন ও কাগজপত্রবিহীন যানবাহনে জরিমানা

‘আটক লোককে নিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে যাবেন না’ পুলিশকে মানবাধিকার কমিশন

  • আপডেট হয়েছে : শনিবার, ২৮ জুলাই, ২০১৮
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো মাদকবিরোধী অভিযানে যাবার সময় যেন গ্রেপ্তারকৃত লোককে নিয়ে না যায়- এই সুপারিশ করেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।

‘এসব অভিযানের সময় মানবাধিকারের বিষয়টা দেখতে হবে। আমরা আমাদের সংবিধান, সিআরপিসি, পুলিশ এ্যাক্ট, আন্তর্জাতিক আইন- এ সংক্রান্ত সবকিছু এক জায়গায় করে আমরা পুলিশ কর্মকর্তাদের বলছি যে এগুলো পালন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে’ – বলছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক।

এমন এক সময় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এ কথা বললো- যখন গত এক সপ্তাহের মধ্যেই বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলোয় মাদকবিরোধী অভিযানের সময় কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ অন্তত ৫ জন নিহত হবার খবর বেরিয়েছে।

আরেক হিসেবে দেখা যায়, গত মে মাস থেকে শুরু হওয়া দেশব্যাপী মাদকবিরোধী অভিযানে দু’শোরও বশি লোক নিহত হয়েছে।

এসব ঘটনার ব্যাপারে প্রায় সব সময়ই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রায় একই রকম ব্যাখ্যা বা বর্ণনা দেয়া হয়। তাতে বলা হয়, পুলিশ মাদকবিরোধী অভিযানে কাউকে আটক করে, তার পর তাকে নিয়ে আরেক দফা অভিযানে যায়, তখন মাদকব্যবসায়ীরা গুলি ছোঁড়ে, তাতে আটককৃত ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়।

এসব ঘটনা নিয়ে বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠনগুলো তীব্র সমালোচনা করেছে এবং তারা এগুলোকে বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড বলে আখ্যায়িত করে থাকে।

এ প্রেক্ষাপটেই বাংলাদেশের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে মাদক-বিরোধী অভিযানে না যাওয়ার সুপারিশ করেছে।

কমিশন বলছে, গ্রেপ্তার হওয়া কোন ব্যক্তিকে যদি সাথে নিতেই হয় তাহলে তাদের সাথে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকেও রাখতে হবে।

কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক এ ব্যাপারে বিবিসি বাংলাকে বলেন, এই সুপারিশ তারা করছেন এ জন্যেই যে এসব ঘটনা নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে।

‘মানুষের মনে সন্দেহ হচ্ছে। পুলিশ বলছে, তাদের ওপর আক্রমণ হচ্ছে, জানমাল রক্ষার্থে তারা গুলি করছে। আমরা বলছি, এমন কথা কোথাও নেই যে ম্যাজিস্ট্রেটকে নিয়ে যাওয়া যাবে না।’

বিবিসি বাংলার মিজানুর রহমান খানকে দেয়া সাক্ষাৎকারে হক বলেন, – ‘গুলি করার আদেশ ম্যাজিস্ট্রেটও দিতে পারে। না থাকলে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তা দিতে পারে। কিন্তু পরবর্তীকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে দিয়ে এর তদন্ত করাতে হয়।’

‘ঘটনাস্থল থেকে যে মালামাল জব্দ করা হয়, তাতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তির স্বাক্ষরও নিতে হয়। এ ব্যাপারগুলো নিশ্চিত করা গেলে আমরা মনে করি একটা চেক এ্যান্ড ব্যালান্স থাকবে’ – বলেন হক।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft