1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন
১১ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৬ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পীরগঞ্জের ৩ নং খনগাঁও ইউনিয়নের শান্তিনগরে নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা যখন ‘বিনোদন’;অনিয়ম-দুর্নীতির ছায়ায় ভবিষ্যৎ প্রজন্ম! ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের আহ্বান এটিএম আজহারুল ইসলামের সাদুল্লাপুরে নির্বাচনী সভায় ডাঃ সাদিকের অঙ্গীকার: উন্নয়ন ও নাগরিক সেবাই হবে অগ্রাধিকার কোকোর কবর জিয়ারত করেছেন তারেক রহমান বগুড়ায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও সিটি কর্পোরেশনের ঘোষণা জামায়াত আমিরের দ্রুত পোস্টাল ভোট দেওয়ার আহ্বান নির্বাচন কমিশনের পাটগ্রাম সীমান্তে বাংলাদেশি যুবককে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ গাইবান্ধাকে অগ্রাধিকার দিয়ে উত্তরাঞ্চলের উন্নয়ন করা হবে —আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান ত্রয়োদশ নির্বাচন, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে আত্মমর্যাদার সন্ধানে বিএমজেপি ও কমলাকান্ত রায়ের নতুন রাজনৈতিক যাত্রা আগামী কাল পলাশবাড়ীতে আসছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

রোজার সময় মুসলিমদের ছুটি নিতে বলে বিপাকে ডেনিশ মন্ত্রী

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ২৩ মে, ২০১৮
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

‘যে মুসলিমরা বাস চালান বা হাসপাতালে কাজ করেন – রমজানের সময় তাদের ছুটি নেয়া উচিত’ – এমন এক মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন ডেনিশ অভিবাসন মন্ত্রী ইনগার স্টোইবার্গ।

কট্টর অভিবাসন নীতি প্রণয়নের জন্য আলোচনায় আসা এই মন্ত্রী বলেছেন, মুসলমানরা রোজা রেখে কাজ করলে তারা সমাজের বাকি অংশের জন্য নিরাপত্তা হুমকি তৈরি করতে পারেন।

তার কথা, ‘সারা দিন ধরে রোজা রেখে কাজ করলে আধুনিক সমাজের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়।’

স্টোইবার্গ বিশেষ করে বাসচালক এবং হাসপাতাল কর্মী হিসেবে যারা কাজ করেন তাদের কথা বলেন।

কিন্তু মন্ত্রীর এ কথার পর সবচেয়ে আগে জবাব দিয়েছে বাস কোম্পানিগুলোই। তারা বলছে, রমজান নিয়ে তাদের কোন সমস্যা নেই।

স্টোইবার্গ এক নিবন্ধে লিখেছিলেন, ডেনমার্কে যে মুসলিমরা রোজা রাখছেন তারা ১৮ ঘন্টা খাদ্য বা পানি খেতে পারবেন না। কিন্তু আধুনিক ডেনমার্কে কাজের সময় কখনো কখনো লম্বা হয়, এবং অনেক সময় বিপজ্জনক যন্ত্র চালাতে হয়।

‘তাই’ – মন্ত্রী লেখেন – ‘কোন বাস চালক যদি ১০ ঘন্টার বেশি সময় কিছু না খেয়ে থাকেন তাহলে নিরাপত্তা এবং উৎপাদনশীলতা ব্যহত হতে পারে।’

‘তাই আমি আহ্বান জানাচ্ছি মুসলিমরা যেন রমজান মাসে কাজ থেকে ছুটি নেন – যাতে বাকি ডেনিশ সমাজের ওপর কোন নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে,’ বলেন মিজ স্টোইবার্গ।

কিন্তু এর জবাবে আভিভা নামে একটি বাস পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের মুখপাত্র পিয়া হামারশোই স্প্লিটর্ফ একটি পত্রিকাকে বলেছেন, ‘রোজা রেখে বাস চালানোর সময় ড্রাইভার দুর্ঘটনা ঘটিয়েছেন এমন কখনো ঘটে নি। কাজেই এটা আমাদের জন্য কোন সমস্যা নয়।’

ডেনমার্কের ট্রান্সপোর্ট ইউনিয়নও বলেছে, মন্ত্রী কি এমন একটি সমস্যা সৃষ্টি করতে চাইছেন যার কোন অস্তিত্ব নেই?

ডেনমার্কের মুসলিম ইউনিয়ন সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তা দিয়ে মন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিয়েছে তার উদ্বেগের জন্য। তার পর তারা বলছে, মুসলিমরা প্রাপ্ত বয়স্ক এবং এবং রোজা রাখার সময়েও তারা নিজেদের এবং সমাজের যত্ন নিতে সক্ষম।

আরো পড়ুন…
ভারতে ‘রমজান’ কীভাবে ‘রামাদান’ হয়ে উঠেছে
রোজার মাসকে ‘রমজান’ বলে, বাঙালিরা তো বটেই – মোটামুটি গোটা ভারতীয় উপমহাদেশেই মুসলিমরা প্রায় আবহমানকাল থেকে সেটাই জেনে এসেছেন।

কবি নজরুল ইসলামের লেখা গান ‘ও মন রমজানের ওই রোজার শেষে’ তো অমর হয়ে আছে। খবর বিবিসির

কিন্তু এখন রোজার মাসে আপনি যদি ভারতে কোনও সুপারমার্কেটে ঢুকতে যান, হয়তো আপনার চোখে পড়বে আপনাকে স্বাগত জানাবে ‘রামাদান করিম’ লেখা বিরাট ব্যানার বা পোস্টার। ‘রামাদান’ উপলক্ষে স্টোরে কী কী স্পেশাল অফার আছে, সেই লিফলেটও হয়তো হাতে গুঁজে দিয়ে যাবে কেউ!

হোয়াটসঅ্যাপে বা ইমেলেও এর মধ্যেই অনেকের ফোনে চলে এসেছে ‘রামাদান মুবারক’ বার্তা। কিন্তু ভারতের মুসলিমরা চিরকাল যাকে রমজান বলে জেনে এসেছেন, হালে সেটাই কীভাবে ধীরে ধীরে রামাদানে পরিণত হল?

‘আসলে ভারতে ইসলামের মূল স্রোত যখন প্রথম আসে, তখন তা ছিল প্রবলভাবে পারস্য ভাবধারায় প্রভাবিত। আর ফার্সিতে যেহেতু শব্দটা রমজান – যেখানে জ-য়ের উচ্চারণটা Z-র মতো – তাই ভারতীয়রাও সেটাই বলতো। বাংলায় Z উচ্চারণটা নেই বলে বাঙালি মুসলিম তো পরিষ্কার রমজান উচ্চারণ করত,’ জানাচ্ছেন রাজনৈতিক ইসলামের গবেষক ও ইতিহাসবিদ কিংশুক চ্যাটার্জি।

‘কিন্তু গত এক-দেড়শো বছর ধরেই ভারতীয় ইসলামে আরবিকরণের একটা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আরব দুনিয়ার সঙ্গে ভারতের যোগাযোগও হালে অনেক বেড়েছে। আরবিতে জ উচ্চারণটা নেই, তার জায়গায় ওরা বলে ধ আর Z-র মাঝামাঝি একটা কিছু – আর সেটা অনুসরণ করে ইদানীং ভারতেও রামাদান বলার চল শুরু হয়েছে’, বলছেন মিঃ চ্যাটার্জি।

অধ্যাপক চ্যাটার্জি আরও বলছিলেন, ‘আসলে এখন ইংরেজিতে লেখার সময় ফার্সির বদলে আরবি ট্রান্সলিটারেশনটাই বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে, সে কারণে Ramzan-র বদলে Ramadan লেখাটাই এখন বেশি চোখে পড়ছে।’

তবে ভারতীয় উপমহাদেশে যে মুসলিমরা উর্দুতে কথা বলেন, তাদের যে ‘রামাদানে’র বদলে ‘রমজান’ই বলা উচিত, তা নিয়ে কিছুকাল আগেই ক্যাম্পেন শুরু করেছিলেন পাকিস্তানি লেখক-অ্যাক্টিভিস্ট বীনা সারওয়ার।

হার্ভার্ডের সাবেক ছাত্রী সারওয়ারের যুক্তি ছিল, ‘উর্দুতে মূল শব্দটা রমজান। কিছুতেই রামাদান নয়। ঠিক যেভাবে আমাদের বলা উচিত খোদা হাফেজ, আল্লাহ হাফেজ নয়। এই ধরনের পাঁচমিশেলি শব্দ কিন্তু আরবিতেও নেই!’

সে সময় তার এই প্রস্তাব নিয়ে তর্কবিতর্কও হয়েছিল বিস্তর। তবে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, বীনা সারওয়ারের নিজের শহর করাচি-ই বলুন, অথবা ভারতের দিল্লি-হায়দ্রাবাদ – সর্বত্রই রমজানের বদলে ধীরে ধীরে আরও বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে রামাদান।

কিন্তু রমজান না কি রামাদান – মুসলিমদের জন্য কোনটা বলা বেশি শুদ্ধ? কিংবা বেশি ইসলামসম্মত?

‘দেখুন কোরানে তো রামাদান-ই বলা আছে, কাজেই ওটাই ঠিক মানতে হয়। ইসলামে শিক্ষিত লোকজন রামাদানই বলেন, যারা অতটা পড়াশুনো জানেন না তারা বলেন রমজান’, বলছিলেন দেওবন্দে দারুল উলুম মাদ্রাসার প্রধান মাওলানা আবদুল খালিক।

তবে সেই সঙ্গেই তিনি যোগ করেন, ‘পুঁথিগত উচ্চারণের বাইরেও অবশ্য সাধারণ মানুষের একটা নিজস্ব ‘জবান’ বা ভাষা মুখে মুখে তৈরি হয়ে যায়, তাতে যে ভাষার ব্যাকরণগত শুদ্ধতা সব সময় থাকে তা নয়। রমজান শব্দটাও সেভাবেই তৈরি হয়েছে বলে আমার বিশ্বাস, কাজেই সেটাকেও হয়তো পুরোপুরি ভুল বলা যায় না।’

তবে রমজান যেভাবে ধীরে ধীরে রামাদান হয়ে যাচ্ছে, সেটাকে ‘ক্রমবর্ধমান আরবি প্রভাবের’ চেয়ে বরং একটা ‘শুদ্ধিকরণের প্রবণতা’ হিসেবেই দেখছেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি ইতিহাস ও সংস্কৃতির অধ্যাপক কাজী সুফিওর রহমান।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft