1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
ফল ধ্বংস করা নিয়ে দুই বিশেষজ্ঞ যা বললেন - খবরবাড়ি24.com
বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৩ অপরাহ্ন
১১ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৬ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার গাইবান্ধায় জ্বালানি তেলের সংকট নিরসনে মতবিনিময় সভা ছেলেকে হাসপাতালে দেখতে গিয়ে গ্রেপ্তার বাবা, পাটগ্রামে সংঘর্ষের পর ৫ জন জেলহাজতে পলাশবাড়ীতে ইউএনও’র গাড়ির ধাক্কায় শিশু গুরুতর আহত, প্রশ্নের মুখে দায়িত্ব ও মানবিকতা সাদুল্লাপুরে হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ের স্বপ্ন পূরণ গোবিন্দগঞ্জে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র গাইবান্ধায় সকল জরুরী কার্যক্রম চলমান ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে গাইবান্ধার সদর উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সকল জরুরী কার্যক্রম চলমান গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে প্রাণখোলা ঈদ আড্ডা ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে সাদুল্লাপুর উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সকল জরুরী কার্যক্রম চলমান

ফল ধ্বংস করা নিয়ে দুই বিশেষজ্ঞ যা বললেন

  • আপডেট হয়েছে : রবিবার, ২৭ মে, ২০১৮
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

ভেজালবিরোধী ভ্রাম্যমাণ আদালত বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া মেনে ফলমূলে রাসায়নিকের উপস্থিতি পরীক্ষা করছে না বলে অভিমত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

তারা বলছেন, হাকিমের নির্দেশে যে হাজার হাজার মণ আম ও কলা ধ্বংস হচ্ছে তাতে শুধু জাতীয় ক্ষতিই হচ্ছে। বরং ফল পাঁকাতে কিছু রাসয়নিকের ব্যবহার বিশ্বব্যাপী বৈধ বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।

গত কয়েক বছরের মতো এবারও ভেজালবিরোধী ভ্রাম্যমাণ আদালত মৌসুমী ফল আম, লিচু বা কলা পাকাতে ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার হচ্ছে এমন অপরাধে ব্যবসায়ীদের জেল-জরিমানা এবং বিপুল পরিমাণ ফল ধ্বংস করছে। সম্প্রতি এ রমজানে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এমন অভিযান চালিয়ে নষ্ট করা হয় কয়েক হাজার মণ আম ও কলা।

এ ব্যাপারে ঢাকা মহানগরের নির্বাহী হাকিম মশিউর রহমান বলেন, এখন অধিকাংশ আমই অপরিপক্ব। অধিকাংশ আম কেটে দেখা যায়, ভিতরের আঁটিটি পর্যন্ত কেটে যাচ্ছে। এটা শক্ত না, একদম নরম। তার মানে, আমটা রাসায়নিক ব্যবহার করে পাকানো হয়েছে।

তবে ফল পাকাতে রাসায়নিকের ব্যবহার নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ ধরনের সিদ্ধান্তকে সরাসরি ভুল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. নাজমা শাহীন বলেন, ক্যালসিয়াম কার্বাইড, ইথোফিন, রাইপেনিং এজেন্ট এটা ফুড সায়েন্সে আছে, সারা পৃথিবীতেই এটা ব্যবহার হচ্ছে। তা নাহলে ফিলিপিন আর ব্রাজিলের কলা আমেরিকায় মানুষ খাচ্ছে কীভাবে?

‘যেটা বলা হচ্ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি, বিষ দিয়ে পাকানো হচ্ছে, এখন রাইপেনিং এজেন্টকে বিষ বলে তাহলে ফুড সায়েন্স কোথায় যাবে’ প্রশ্ন তোলেন ড, নাজমা।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তরের সদস্য ড. মো. ইকবাল রউফ মামুন বলেন, ‘কাঁচা আম আমি কিন্তু বাজার থেকে কিনে খাই। সুতরাং ওইটা যদি খেতে পারি, এটাকে পাকাব সেটা খেতে পারব না কেন?’

‘এটা ধ্বংস করাটা কিন্তু আমার মতে, এটা জাতীয় ক্ষতি। ওই আমগুলো অনিরাপদ তা নয়, স্বাদ কম’, বলেন ড. ইকবাল।

ক্ষতিকর রায়াসনিকের উপস্থিতি বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের তাৎক্ষণিক পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিশেষজ্ঞরা। এবিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিশেষজ্ঞদের বক্তব্যকে ব্যক্তিগত মত বলে মনে করেন।

এ সব বিষয়ে নির্বাহী হাকিম মশিউর রহমান বলেন, ‘আমরা বিশেষজ্ঞদের কথা মতো কাজ করি না। আমরা কাজ করি আইনের ভাষায়। আইনে যেখানে যেটা আছে সেভাবেই কাজ করি। বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন, এটা তাদের ব্যক্তিগত মতামত।’

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তরের সদস্য ড. মো. ইকবাল মনে করেন, ‘ইথোফিন বলেন আর ক্যালসিয়াম কার্বাইড বলেন, এটা তাৎক্ষণিক দেখে বা কিড দিয়ে মেজারমেন্ট করার কোনো উপায় নেই।

পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. নাজমা শাহীনও মনে করেন, ‘এটা গবেষণাগারে করতে হবে, মার্কেট প্লেসে করার কোনো বিষয় না।’

তাহলে নিরাপদ ফল খেতে হলে তদারকিটা কোথায় করতে হবে? সেটাও জানালেন এই দুই বিশেষজ্ঞ।

ড. ইকবাল বলেন, ‘আমের পুরোপুরি পুষ্টিগুণ যাতে মানুষ পায় সেজন্য কৃষি মন্ত্রণালয় একটি ক্যালেন্ডার করে দিয়েছে। বছরের কোন সময়ে আমগুলো পরিপক্ক হবে বা সেগুলো পাড়তে হবে। পরিপূর্ণ পরিপক্ক হলে পুরো নিউট্রেশনটা মানুষ পাবেন। সেটা না মানার জন্য কাউকে শাস্তি দেওয়া যেতে পারে।’

ড. নাজমা শাহীন বলেন, ‘একটা ফসল বাজারে নিয়ে আসার পর কিন্তু দেখার বিষয় না। সেখানে সঠিক কৃষিপ্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে কিনা সেটা দেখতে হলে চাষীর উৎপাদন থেকে শুরু করে বাজারে আসা পর্যন্ত যে প্রক্রিয়া তাতে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

এই দুই বিশেষজ্ঞ আরও বলেন, ফল-মূল ও খাদ্যপণ্যের মান ঠিক রাখতে সারা বছরই সংশ্লিষ্টদের তদারকি দরকার।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft