
মিশরের শীর্ষ প্রশাসনিক আদালত দেশটিতে ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট ইউটিউব এক মাসের জন্য ব্লক করার জন্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।
হযরত মোহাম্মদ (সা.) কে বিতর্কিত একটি চলচ্চিত্র শেয়ারিং নিয়ে দীর্ঘ আপিল প্রক্রিয়া শেষে শনিবার এই রায় দেয়া হয় বলে দেশটির একজন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা জানান।
ভিডিও শেয়ারিং এই সাইটটিতে ‘ইনোসেন্স মুসলিম’ নামে বির্তকিত সিনেমো শেয়ার করা হলে ২০১৩ সালে দেশটির নিম্ন আদালত ইউটিউব ব্লক করার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু মামলাটি মিশরের জাতীয় টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আপীল করা হয় এবং এর রায়টি স্থগিত করা হয়।
২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া বিতর্কিত এই চলচ্চিত্রটিতে হযরত মোহাম্মদ (সা.)কে একজন ‘ধোঁকাবাজ ও যৌন নিপীড়নকারী’ হিসেবে তুলে ধরে এবং এর প্রতিবাদে সারা বিশ্বে বিশেষকরে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ব্যাপক আমেরিকা বিরোধী বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এতে অনন্ত ৩০ জন নিহত হয়েছিল।
মিশরের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক আদালতের এই রায়টিকে চূড়ান্ত বলে মনে করা হয় এবং এর বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। সূত্র: পাঞ্চএনজি ডটকম
আরো পড়ুন…
শিশুদের চর্বিযুক্ত খাবারে আগ্রহী করছে ইউটিউব সেলেব্রেটিরা
সোস্যাল মিডিয়ার জনপ্রিয় ব্যক্তিরা, বিশেষ করে ইউটিউবের জনপ্রিয় সেলিব্রেটিরা শিশুদের অস্বাস্থ্যকর খাবার খেতে উৎসাহী করছে। স্থুলতা বৃদ্ধির কারণ অনুসন্ধানে এই গবেষণাটি করা হয়েছে। গবেষণায় দেখা যায়, যে শিশুরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেলিব্রেটিদের অধিক চিনি ও চর্বিযুক্ত খাবার খেতে দেখেন, তাদের মধ্যে অধিক ক্যালরিযুক্ত খাবার জনপ্রিয় হয়ে উঠে। আর সাধারণ শিশুদের তুলনায় তাদের মধ্যে চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণের হার ২৬ শতাংশ বেশি বলেও গবেষণায় উঠে এসেছে।
ইউরোপিয়ান কংগ্রেসে ওই গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জাঙ্গফুডের বিজ্ঞাপন বন্ধ করতে যখন সারাবিশ্বব্যাপী আওয়াজ উঠেছে, তখন এ গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ কর হয়েছে। গবেষণায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সেলিব্রেটি জুয়েলা এবং অ্যালফি দায়েসকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জুয়েলার অন্তত এক কোটি ৯ লাখ ফলোয়ার রয়েছে। অন্যদিকে অ্যালফির রয়েছে ৪৬ লাখ।
গবেষণাকালে ১৭৬ শিশুরা তিনটি গ্রুপে ভাগ করে তিন ধরণের স্টিল ছবি দেখানো হয়। একভাগ শিশুরা সেলিব্রেটিদের খাওয়া অস্বাস্থ্যকর খাবারের চিত্র এবং অপর দুই অংশকে যথাক্রমে স্বাস্থ্যকর খাবার ও অখাদ্যকর পণ্যের স্টিল ছবি প্রদর্শন করা হয়। এরপর তাদের সামনে ফলমূল-জাঙ্কফুড, গাজর, আঙ্গুর, চকোলেট বাটন এবং জেলির মিস্টি রাখা হয়।
দেখা গেছে, যে শিশুরা জাঙ্কফুডযুক্ত ছবি দেখেছিল, তারা অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি ক্যালরিযুক্ত খাবার গ্রহণ করেছে। তারা ৪৪৮ ক্যালরি গ্রহণ করেছে। অন্যদিকে অপর দুই গ্রুপের মধ্যে ক্যালরি গ্রহণের হার মাত্র ৩৫৭ ক্যালরি। লিভারপুল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষক বলেন, শিশুরা মনে করেন, যারা এইসব খাবার খায়, তারাও তাদের প্রতিদিনের অংশ। তাই তারাও তাদের মতো অধিক ক্যালরিযুক্ত খাবার খেতে পছন্দ করেন। সূত্র: বিবিসি