1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন
৮ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৩রা শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
তারাগঞ্জে কৃত্রিমভাবে রাসায়নিক সার সংকট সৃষ্টির দা‌য়ে ব্যবসায়ীকে জরিমানা এবারের নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য আদর্শ তৈরি করবে : প্রধান উপদেষ্টা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধার ৫টি আসনে দলীয় প্রতীক পেলেন যারা মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০২৫ এর গেজেট প্রকাশ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৩ আসনে দলীয় প্রতীক পেলেন যারা গণভোট ২০২৬: সংস্কারের পথে জনমতের সন্ধান—বৈরচুনা থেকে যে বার্তা উঠে এল গোবিন্দগঞ্জে মসলার উন্নত জাত ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণ কল্পে মাঠ দিবস পলাশবাড়ী পৌরশহরের উদয়সাগর গ্রামের পরিচিত মুখ মিন্টু মিয়ার ইন্তেকাল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ফুলছড়ির থানা পরিদর্শন করলেন এডিশনাল ডিআইজি আমীরে জামায়াতের জনসভা সফল করতে গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের সমন্বয় সভা ও মাঠ পরিদর্শন

৮ নেতার অ্যাকাউন্টের তথ্য চেয়ে বিভিন্ন ব্যাংকে দুদকের নোটিশ

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ৪ এপ্রিল, ২০১৮
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে

সন্দেহজনক ব্যাংক লেনদেনের অভিযোগে বিএনপির ৮ শীর্ষ নেতাসহ ১০ জনের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য চেয়ে বিভিন্ন ব্যাংকে নোটিশ পাঠিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদক সূত্রে জানা যায়, যাদের অ্যাকাউন্টের তথ্য চাওয়া হয়েছে তারা হলেন- নজরুল ইসলাম খান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মির্জা আব্বাস, আবদুল আওয়াল মিন্টু, তাবিথ আউয়াল, যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, মোর্শেদ খান ও তার সন্তান ফয়সাল মোর্শেদ খান এবং ঢাকা ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান।

মানি লন্ডারিং ও সন্দেহজনক লেনদেনসহ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বিএনপির শীর্ষস্থানীয় আট নেতার বিরুদ্ধে ৩০ দিনের মধ্যে বিভিন্ন ব্যাংকে হিসাবে ১২৫ কোটি টাকার ‘সন্দেহজনক’ লেনদেনের একটি অভিযোগ তদন্তে নামে দুদক।

এর আগে বিএনপির শীর্ষ ১০ নেতার ব্যাংক লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য অনুসন্ধান প্রসঙ্গে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, দুদক কাউকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও হয়রানি করতে অনুসন্ধান বা তলব করে না। আর্থিক অনিয়মের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আমরা ব্যক্তির অপরাধকে গণ্য করি।
তিনি বলেন, যদি কোনো রাজনৈতিক নেতা তদন্তে নির্দোষ প্রমাণিত হন, তাহলে আমরা তাকে আইনের আওতায় আনবো না।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft