
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় ১৯৬৮ সালে স্থাপিত ১ একর ২০ শতাংশ জমির উপর নির্মিত বিদ্যালয়ের অফিস, ক্লাস রুম, খেলার মাঠ। ৪ শতাধিক শিক্ষার্থী ও ১৯ জন শিক্ষক কর্মচারি নিয়ে বিদ্যালয়টি চলছে।
গত ২০০২ সালে এক ভূয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগপ্রাপ্ত হয় তিন শিক্ষক এ তিনজন শিক্ষকের মধ্যে সহকারি শিক্ষক রেবতী বর্মনের ভূয়া সনদপত্র ও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সংযোজন করে নিয়োগপ্রাপ্ত হন তিনি।
এবিষয়ে রেবতি বর্মনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এতো দিন পরে এ নিয়োগের বিষয়ে কথা বলে কি হবে। আমার নিয়োগ ভূয়া হলে আমার সঙ্গে নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষকেরাও ভূয়া নিয়োগে নিয়োগপ্রাপ্ত হবে। এ বিষয়ে আপনার প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলেন বিস্তারিত জানতে পারবেন।
প্রধান শিক্ষক মাহফুজার রহমান জানান,সহকারি শিক্ষক রেবতী বর্মন নিয়োগ পাওয়ার সময় কালিন আমি সহকারি শিক্ষক ছিলাম তখন আমি নিয়োগ বোর্ডে ছিলাম না এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। সে সময়ে নিয়োগ বোর্ডে যারা ছিলো তারা অনেকেই পরলোকগত হয়েছে। কমিটির সদস্যরা পরলোকগত হলেও কাগজপত্রাদি তো হারায়নি এমন প্রশ্নের উত্তরে জানান,নিয়োগকালিন সময়ের কাগজ পত্রাদি যাচাই বাচাই করলে এর সত্যতা মিলবে।