
গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলায় বিল্লাল ওরফে বিলু হত্যা মামলায় ১৩ জনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার দুপুরে গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক মো. ফজলে এলাহী ভূইয়া এ রায় ঘোষণা করেন।
গাজীপুর আদালতের অতিরিক্ত পিপি মো. মকবুল হোসেন কাজল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অন্যরা পলাতক রয়েছেন।
উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সালে কালীগঞ্জে বিল্লাল ওরফে বিলুকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে ওই ১৩ জন। এর পর এ ঘটনায় কালীগঞ্জ থানায় মামলা করা হয়। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ ১৩ জনের মৃত্যদণ্ড দেয়া হলো।
বিল্লাল ওরফে বিলু জাতীয় পার্টির সাবেক সাংসদ আনোয়ারা বেগমের স্বামী হত্যা মামলার আসামি। তিনি কালীগঞ্জের ন্যাশনাল জুটমিলের শ্রমিক ছিলেন।
আরও পড়ুন…..
চাঁদপুরের মাসুদ হত্যা মামলায় ৫ জনের ফাঁসি
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মাসুদ রানা (২৩) নামের এক তরুণ ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে পাঁচজনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া ৩ জনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার(২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মামুনুর রশীদ পাঁচ আসামির ফাঁসির আদেশ দেন। অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি সায়েদুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি ২০০৮ সালের। চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মাসুদ রানাকে হত্যার দায়ে পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
দণ্ডিতরা হলেন- মতলব উত্তরের ইয়ামিন বেপারী (২৪), পশ্চিম লুধুয়া গ্রামের আবদুল খালেক মোল্লা (৩২), ফারুক ওরফে নবী (২৫), আলী মুন্সী (২৮) ও দক্ষিণ লুধুয়া গ্রামের সেলিম মাঝি (২২)। রায় ঘোষণাকালে আসামি ফারুক ও আলী মুন্সী উপস্থিত ছিলেন। অন্যরা ঘটনার পর থেকে পলাতক।
অপর তিন আসামি পশ্চিম লুধুয়া গ্রামের কামাল হাওলাদার (৩০), কেরামত আলী মোল্লা (৫৫) ও চেরাগ আলী মোল্লাকে (৫২) বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
২০০৮ সালের ৫ অক্টোবর রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে মাসুদ রানাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ ডোবায় ফেলে দেয়া হয়। ১৫ অক্টোবর লাশ পেয়ে তার বাবা রবিউল মতলব উত্তর থানায় আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পুলিশ ২০০৯ সালের ৩০ মে এ মামলার অভিযোগপত্র দেয়।
চাঁদপুরে জামায়াতের মহিলা শাখার সাত কর্মীসহ ১১ নেতাকর্মী আটক
চাঁদপুরে জামায়াতের মহিলা শাখার সাত কর্মীসহ দলটির ১১ নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৩ অক্টোবর,২০১৭) দুপুরে চাঁদপুর শহরের প্রত্যাশাবাড়ি এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের আমির কাজী দীন মোহাম্মদ, চাঁদপুর জেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজীও রয়েছে।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওয়ালি উল্লাহ অলি জানান, আটককৃতরা প্রত্যাশাবাড়ি এলাকায় অবস্থিত জেলা জামায়াতের রোকন ও জামায়াত পরিচালিত আল আমিন একাডেমির শিক্ষক মো. হোসাইনের বাসায় গোপন বৈঠক করছেন- এমন খবরে তাদের আটক করা হয়।
তিনি আরো জানান, পুলিশ বাড়ির মালিক ও তার স্ত্রী আল-আমিন একাডেমি মহিলা শাখার অধ্যক্ষ ফেরদৌসী সুলতানাকেও আটক করেছে।
আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওয়ালি উল্লাহ অলি জানান।
এদিকে আটককৃতদের কোনো ছবি বা ফুটেজ সংগ্রহ করতে দেননি থানার অফিসার ইনচার্জ।