1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন
৯ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৪ঠা শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শীতবস্ত্র নিয়ে রোগীদের পাশে দাঁড়ালেন ইউএনও বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক চিকিৎসা সহযোগিতা সম্প্রসারণ করল যুক্তরাষ্ট্র সুন্দরগঞ্জে ব্যবসায়ীর টাকা হত্যা চেষ্টা ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন গাইবান্ধায় ইকোসাইকেল প্রকল্প পরিচিতি ও সচেতনতা সভা ভোটারদের যাতায়াত ও আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে ১১ ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি অনুমোদন গাইবান্ধা-৫ আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী ও দলের মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী গণসংযোগ পলাশবাড়ীতে জমির ৯ লাখ টাকা ফেরত পেতে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন তারাগঞ্জে রংপুর-২ আসনের জামায়াতের উদ্যোগে বিশাল নির্বাচনী মিছিল সাদুল্লাপুরে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রচারণামূলক পথনাটক নিয়ে গাইবান্ধায় ভোটের মাঠে সুজন

কমনওয়েলথ উচ্চ পর্যায়ের গ্রুপে আরো প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্তের পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

  • আপডেট হয়েছে : শনিবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৮
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কমনওয়েলথ সচিবালয় পরিচালনা পর্যালোচনায় উচ্চ পর্যায়ের গ্রুপে এশিয়ার দেশসমূহ থেকে প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়ে বিভিন্ন অঞ্চলের সদস্য রাষ্ট্র অন্তর্ভুক্ত করে এই গ্রুপটিকে আরো প্রতিনিধিত্বশীল করার পরামর্শ দিয়েছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, কমনওয়েলথের কর্মকাণ্ড এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে সচিবালয়ের জ্ঞান ও বিশেষজ্ঞ দক্ষতাকে আমরা মূল্য দেই। আমরা মনে করি, সঠিক প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রসমূহের মতামতও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্যই গ্রুপে কমনওয়েলথের বিভিন্ন অঞ্চলের সদস্য রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে এই রাষ্ট্রসংঘকে আরো প্রতিনিধিত্বশীল করতে হবে।

শেখ হাসিনা শুক্রবার এখানে উইন্ডসর ক্যাসেলে সিএইচওজিএম রিট্রিটে কমনওয়েলথ নেতাদের সঙ্গে বিভিন্ন পারস্পরিক আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহ্সানুল করিম জানান, দিনব্যাপী রিট্রিটে উচ্চ পর্যায়ের গ্রুপের সম্প্রসারণ, অর্থায়ন ও কমনওয়েলথ সচিবালয় গভর্নেন্স এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে রিট্রিট অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। কমনওয়েলথ রাষ্ট্রসমূহের সরকার প্রধানগণ এতে উপস্থিত ছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বোর্ড অব গভর্নরের সাথে উন্মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রসমূহের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনার জন্য একটি প্রক্রিয়া থাকা উচিত।

তিনি বলেন, যখন সিএফটিসি সংকুচিত হয়ে আসছে এবং অন্যান্য অর্থায়নের উৎস নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে এমন সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, উদ্ভাবনী অর্থায়নসহ বিভিন্ন অর্থায়ন প্রক্রিয়া ও বিকল্পের দিকে মনোনিবেশ করা।

শেখ হাসিনা বলেন, উন্নয়ন কর্মসূচির অর্থায়নে বহুপক্ষীয় ব্যাংক থেকে স্বল্প সুদে বিনিয়োগ ঋণের জন্য রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টির আওতায় আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব চুক্তির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা যেতে পারে।

তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭২ সালের একটি বক্তব্যের উল্লেখ করে বলেন, ‘আসুন, জাতীয় সম্পদের অপচয় না করে তা জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে ব্যবহার করি।’

শেখ হাসিনা কানেক্টিভিটি সম্পর্কিত খসড়া ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, আমরা কানেক্টিভিটি ইস্যুটি দেখতে কমনওয়েলথে স্থান পেয়েছে দেখে আনন্দিত হয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দক্ষিণ এশিয়ায় একটির শান্তির স্থান সৃষ্টির জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে সহযোগিতা করতে চাই, যেখানে আমরা প্রতিবেশীদের সঙ্গে শান্তিতে পাশাপাশি বসবাস করতে পারবো এবং আমাদের জনগণের স্বার্থে গঠনমূলক-কৌশল প্রণয়নে কাজ করতে পারবো।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা কানেক্টিভিটিকে ব্যাপক অর্থে বিবেচনা করে থাকি। আমরা জ্ঞান, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি, জনগণ, সড়ক-রেল-আকাশ পথ, পণ্য পরিবহন, সেবা ও বিনিয়োগ আদান-প্রদান এসব কিছুকে সংযুক্ত করায় বিশ্বাস করি।

তিনি বলেন, ব্যবসা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও কানেক্টিভিটি একটি অধিকতর উজ্জ্বল ভবিষ্যতের চাবিকাঠি।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ-ভূটান-ভারত-নেপাল (বিবিআইএন) উপ-আঞ্চলিক কানেক্টিভিটি প্রজেক্ট বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা কানেক্টিভিটি এজেন্ডা প্রশ্নে একটি দ্রুত কর্মপরিকল্পনার ওপর গুরত্বারোপ করছি এবং এই পরিকল্পনার আওতায় মাল্টি সেক্টরাল অবকাঠামো প্রকল্পের জন্য কমনওয়েলথ অংশীদারিত্বের আহ্বান জানাচ্ছি।
প্রধানমন্ত্রী সাইবার ইস্যু বিষয়ে বলেন, আমরা এ নিয়ে সুবিধা ও চ্যালেঞ্জ উভয়েরই সম্মুখীন।

তিনি বলেন, একদিকে বিভিন্ন দেশে একটি অবাধ, গতিশীল ও নিরাপদ ইন্টারনেটের জন্য আমাদের আর্ন্তজাতিক ডাটা ইকোসিস্টেমে ‘উন্মুক্ততা’ সমর্থন করা প্রয়োজন।

অপরদিকে সাইবার হামলার হুমকি ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে সন্ত্রাসের বিস্তার মোকাবেলা তরুণ প্রজন্মের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণের কথা তুলে ধরেন।

তিনি কমনওয়েলথ সাইবার ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এই ঘোষণায় রূপরেখা হিসেবে সাইবার পরিচালনায় সহযোগিতার ক্ষেত্রে এই নীতি-আদর্শ ও দিক-নির্দেশনায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের জনগণের জন্য প্রযুক্তি, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সক্ষমতা বৃদ্ধি অবশ্যই অগ্রাধিকার পেতে পারে।’

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ আইসিটি খাতের উন্নয়নকে জাতীয় অগ্রাধিকারের একটি বিষয় হিসেবে গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, ডিজিটাল বিভাজন হ্রাস, দারিদ্র্য দূরীকরণ, টেকসই উন্নয়ন অর্জন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিনিময় এবং এ সংক্রান্ত সক্ষমতা বৃদ্ধিকে মৌলিক বিষয় বলে মনে করি।

তিনি এই ঘোষণার আশু বাস্তবায়নের জন্য সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে যথাযথ কর্ম পরিকল্পনা ও কর্মসূচি প্রণয়নের জন্য কমনওয়েলথ সচিবালয়ের প্রতি আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী কমনওয়েলথের সংস্কারের গুরুত্বের বিষয়ে বলেন, কমনওয়েলথের অনেক পুরানো বর্তমান গঠন কাঠামো ও বিন্যাস অপর্যাপ্ত এবং আমাদের প্রত্যাশা আংশিক পূরণ করতে পারে।

কমনওয়েলথের যে কোন পর্যালোচনা ও সংস্কার অবশ্যই সংস্থাটির ভবিষ্যৎ উন্নয়নের দিকে লক্ষ্য রেখে করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কমনওয়েলথকে অবশ্যই ক্রমবর্ধমানভাবে এর নিজের মধ্যে সংশ্লিষ্ট হতে হবে এবং অবশ্যই এর কর্মসূচিতে বেসরকারি খাত ও বিভিন্ন পেশাজীবী গ্রুপকে স্বাগত জানাতে বৃহত্তর ভূমিকা রাখতে হবে।

তিনি সংস্থাটিকে আরো কার্যকর করতে তিন দফা সুপারিশ পেশ করে বলেন, ‘এজন্য আমাদের সংস্থার (কমনওয়েলথ) পরিবর্তন এবং সম্ভবত নতুন করে যাত্রা শুরু করা প্রয়োজন।’

প্রথমে তিনি একটি কমনওয়েলথ উন্নয়ন তহবিল এবং সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য একটি প্লাটফর্ম গঠনের প্রস্তাব করেন।

দ্বিতীয়তঃ তিনি তৃণমূল পর্যায়ে কমনওয়েলথ মূল্যবোধ গ্রহণের মাধ্যমে কমনওয়েলথের রাজনৈতিক মূল্য সংরক্ষণ ও উন্নয়নে কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারী এসোসিয়েশনের ভূমিকা বাড়ানোর পরামর্শ দেন। তৃতীয়তঃ তিনি প্রয়োজনীয় সংস্কার প্রস্তাবের জন্য একটি বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের গ্রুপ গঠনের প্রস্তাব করেন।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft