1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
এমন তাণ্ডব কখনো দেখিনি, হামলাকারীরা ছাত্র হতে পারে না: ঢাবি উপাচার্য - খবরবাড়ি24.com
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন
২৫শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২১শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
গোবিন্দগঞ্জে ৪ মাদক সেবনকারী গ্রেফতার : ভ্রাম্যমান আদালতে ৬ মাসের কারাদন্ড পলাশবাড়ীতে বিএনপির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল পলাশবাড়ীতে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ইফতার মাহফিল লালমনিরহাটে সিলিন্ডারবাহী ট্রাকে পুলিশের হানা, বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ আটক ২ দেশে আন্তর্জাতিক মানের সাংবাদিকতা সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের লক্ষ্য: তথ্যমন্ত্রী সংকোচ নয়, দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতে যৌন সচেতনতা প্রয়োজন : ডা. নুসরাত জাহান দৃষ্টি মাদকদ্রব্য আইনের মামলায় খালাস পেলেন কণ্ঠশিল্পী আসিফ শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি ১৫ এপ্রিল ‘আমার অনুমোদন ছাড়া ইরানের নতুন নেতা টিকবেন না’: ট্রাম্প হাদি হত্যা মামলার আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার জোর প্রচেষ্টা চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এমন তাণ্ডব কখনো দেখিনি, হামলাকারীরা ছাত্র হতে পারে না: ঢাবি উপাচার্য

  • আপডেট হয়েছে : সোমবার, ৯ এপ্রিল, ২০১৮
  • ৪৭ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনে সোমবার প্রথম প্রহরে (রাত ২টা) আগুন ধরিয়ে দিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছে। এতে ভিসি’র বাসভবনের কিছুই অবশিষ্ট ছিল না।

সব কিছুই তছনছ করে দেওয়া হয়েছে। এ দৃশ্য দেখে নির্বাক হয়ে গেছেন অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, হামলাকারীরা ছাত্র হতে পারে না। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র না, মুখোশধারী-বহিরাগত। আর কারা হামলা করেছে, তা আপনারা জানেন, দেখেছেন।

তিনি আরো বলেন, অনেক আন্দোলন দেখেছি। কিন্তু এমন তাণ্ডব দেখিনি। হত্যার পরিকল্পনাই ছিল হয়তো। নইলে বেডরুমে ঘুমন্ত মানুষগুলোর ওপরে এভাবে হামলা হতে পারে না। ওরা কিছুই আর অবশিষ্ট রাখেনি। ঘরে পা রাখারও উপায় নেই।

তিনি বলেন, কোটা সংস্কার সম্পূর্ণ সরকারের এখতিয়ার। আমরা এখানে কিই-বা করতে পারি। এই ঘটনার দুঃখ জানানোর ভাষা নেই।

এদিকে মধ্যরাতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ধাওয়া দিয়ে টিএসসির ভেতরে ঢুকিয়ে দিয়েছেন ছাত্রলীগের কর্মীরা। পরে র্যা ব এবং পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

আরো পড়ুন…
ঢাকায় কোটা সংস্কার দাবিতে আন্দোলনকারীদের পুলিশের লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস
ঢাকা: বাংলাদেশে চাকরির ক্ষেত্রে কোটা সংস্কারের দাবিতে ঢাকার শাহবাগে রোববার বেশ ধরনের বিক্ষোভ হলেও শেষপর্যন্ত পুলিশের বাধার কারণে ছত্রভঙ্গ হয়ে গেছে আন্দোলনকারীরা।

সিভিল সার্ভিস বিসিএস সহ সকল সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থায় নিয়োগের প্রচলিত ব্যবস্থার সংস্কার দাবি করে রোববার দুপুর থেকে শাহবাগে অবস্থান নেয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থী। খবর বিবিসি

তবে রাত আটটার দিকে সেখানে গিয়ে পুলিশ তাদের সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়ে এবং লাঠিচার্জ করে।

ধানমন্ডি জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার আব্দুল্লাহেল কাফি জানিয়েছেন, ‘পরিস্থিতি শান্ত, আন্দোলনকারীরা স্থান ত্যাগ করেছে এবং বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে গেছে।’

শিক্ষার্থীদের এই বিক্ষোভে কোনও বিশৃঙ্খলা ছিল কি-না জানতে চাইলে পুলিশ কর্মকর্তা কাফি বলছিলেন, ‘তারা দুপুর থেকে সেখানে অবস্থান নিয়েছিল এবং সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস ছিল রোববার। সেকারণে আমরা তাদের সরিয়ে দিয়েছি।’

তবে আদোলনরত শিক্ষার্থীদের একজন মোসুমি মৌ বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, পুলিশি বাধার পরও তারা আবার ছোট ছোট গ্রুপে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছেন।

এর আগে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা শনিবার সন্ধ্যায় শাহবাগ এলাকা থেকে জানিয়েছিলেন, কোনও একটি ঘোষণা না আসা পর্যন্ত অবস্থান করবেন তারা। সেইসাথে সোমবার তারা নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করবেন বলেও জানাচ্ছেন।

বাংলাদেশে সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ বিভিন্ন ধরনের কোটা চালু আছে। শিক্ষার্থীরা বলছেন, সে সমস্ত কোটাকে কমিয়ে আনার দাবিতে চলমান আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় তারা শাহবাগে মিছিল ও সমাবেশ করছেন।

বেসরকারি স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এর ছাত্র খান মোহাম্মদ শরীফ বলছিলেন, ‘অনেকদিন ধরেই আমরা জনমত তৈরির চেষ্টা করছিলাম। এর আগে ছয়বার আন্দোলন করে রাস্তায় নেমেছি। এখন সারা বাংলাদেশে দাবি আদায়ে কমিটি হয়েছে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যতক্ষণ পর্যন্ত এ আন্দোলন সফল না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা আন্দোলনে থাকবো।’

আন্দোলনকারী‌ একটি সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ-এর যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ উজ্জ্বল জানিয়েছেন, তাদের মূল দাবি কোটা ব্যবস্থার যৌক্তিক সংস্কার।

তিনি জানান, এ নিয়ে সাতবার তারা রাস্তায় নেমেছেন। কারণ বর্তমানে প্রচলিত নানা রকমের কোটার ফাঁদে পড়ে মেধা নিয়েও অনেক শিক্ষার্থী সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় ভালো ক্যাডার পাচ্ছে না।

তিনি বলেন, ‘চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা মেধাবীদের সাথে রাষ্ট্রের বঞ্চনা। তাই পাঁচ দফা দাবি নিয়ে আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো।’

‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র সংরক্ষণ পরিষদ’ এর ব্যানারে যে পাঁচটি বিষয়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন চলছে সেগুলো হল –

•কোটা-ব্যবস্থা ১০ শতাংশে নামিয়ে আনা (আন্দোলনকারীরা বলছেন ৫৬% কোটার মধ্যে ৩০ শতাংশই মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বরাদ্দ। সেটিকে ১০% এ নামিয়ে আনতে হবে)

•কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে মেধাতালিকা থেকে শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া

•সরকারি চাকরিতে সবার জন্য অভিন্ন বয়স-সীমা- ( মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে চাকরীর বয়স-সীমা ৩২ কিন্তু সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য ৩০। সেখানে অভিন্ন বয়স-সীমার দাবি আন্দোলনরতদের।)

•কোটায় কোনও ধরনের বিশেষ পরীক্ষা নেয়া, যাবে না ( কিছু ক্ষেত্রে সাধারণ শিক্ষার্থীরা চাকরি আবেদনই করতে পারেন না কেবল কোটায় অন্তর্ভুক্তরা পারে)

•চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় একাধিকবার কোটার সুবিধা ব্যবহার করা যাবে না।

যদিও কোটা নিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে গত মার্চ মাসের শুরুতে সরকারি সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছিল যে, সরকারি চাকরিতে সরাসরি নিয়োগে কোটার কোনও পদ যোগ্য প্রার্থীর অভাবে পূরণ করা না গেলে, সেসব পদ মেধাতালিকা থেকে পূরণ করা হবে । জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সে বিষয়ে একটি আদেশও জারি করে।

কিন্তু এখন শিক্ষার্থীরা বলছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুসারে তারা দেখেছেন, শেষপর্যন্ত কোটা থেকেই কোটা পূরণ করা হবে।

মোঃ উজ্জ্বল যেমনটা বলেন, ‘এক ধরনের কোটা থেকে পূরণ না হলে আরেক কোটা থেকে, তা না হলে আরেক কোটা থেকে এভাবে নেয়া হবে। সর্বশেষ ধাপে গিয়ে মেধাবীদের কথা বলা হয়েছে’।

তবে একদিকে কোটা পদ্ধতি নিয়ে আন্দোলন-বিক্ষোভ জোরালো হচ্ছে ঠিকই কিন্তু কোটা পদ্ধতির পুরোপুরি সংস্কারের পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছে জনপ্রশাসন কর্তৃপক্ষ।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!