1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৯ অপরাহ্ন
৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১লা শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পলাশবাড়ী পৌরশহরের উদয়সাগর গ্রামের পরিচিত মুখ মিন্টু মিয়ার ইন্তেকাল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ফুলছড়ির থানা পরিদর্শন করলেন এডিশনাল ডিআইজি আমীরে জামায়াতের জনসভা সফল করতে গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের সমন্বয় সভা ও মাঠ পরিদর্শন উর্বর কৃষি জমির মাটি উত্তোলনের অভিযোগে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,জনস্বার্থের মুখোমুখি অদৃশ্য শক্তি! বাংলাদেশি ফলের চাহিদা বাড়ছে বিদেশে ইভ্যালির রাসেল-নাসরিন কারাগারে ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপনে ৭১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা বরাদ্দ উপজেলা কৃষি অফিসের অনিয়ম: কৃষকের স্বপ্ন ও প্রকল্পের আস্থা ঝুঁকির মুখে পলাশবাড়ীতে সম্পত্তির লোভে বৃদ্ধ বাবা–মায়ের ওপর একমাত্র ছেলে ও পুত্রবধূর নৃশংস নির্যাতন, ছেলে গ্রেপ্তার

স্টিফেন হকিং দেখিয়েছেন শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কোন সমস্যা নয়

  • আপডেট হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ১৫ মার্চ, ২০১৮
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টিফেন হকিং শুধু পৃথিবী বিখ্যাত বিজ্ঞানীই ছিলেন না। একই সাথে তিনি ছিলেন পৃথিবীর সবচেয়ে সুপরিচিত শারীরিক প্রতিবন্ধী এক ব্যক্তি। একদিকে তার ছিল অসাধারণ মেধা এবং অন্যদিকে ছিল অচল দেহ।

তার বয়স যখন ২২ বছর তখন তিনি বিরল মোটর নিউরন রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন।

শরীরের যেসব শীরা মাংসপেশিকে নিয়ন্ত্রণ করে সেগুলো ধীরে-ধীরে অকেজো হয়ে যেতে থাকে। ফলে তিনি তার নিজের দেহের কাছে বন্দি হয়ে পড়েন।

হকিং-এর চিন্তার জগত ছিল অবারিত। হুইল চেয়ার বসে এবং কৃত্রিম কণ্ঠে কথা বলে স্টিফেন হকিং পৌঁছে যান তার চিন্তার সর্বোচ্চ শিখরে। শারীরিক প্রতিবন্ধীদের নিয়ে যে ধারণা প্রচলিত আছে সে বিষয়টি কি স্টিফেন হকিং বদলে দিয়েছিলেন?

হেনরি ফ্রেসার নামে একজন লিখেছেন, স্টিফেন হকিং ছিলেন শারীরিক প্রতিবন্ধী কিংবা সক্ষম – সবার জন্যই এক সত্যিকারের অনুপ্রেরণা। তিনি ছিলেন এমন অসাধারণ প্রতিভাবান ব্যক্তি যিনি অসাধ্য সাধন করেছেন।

অধ্যাপক হকিং-এর ছাত্র অধ্যাপক পল শেরার্ড মনে করেন, তিনি অন্য যে কারো চেয়ে বেশি কিছু করে দেখিয়েছেন।
হকিং প্রমাণ করেছেন মানুষের চেষ্টার কোন সীমা-পরিসীমা থাকে না।

স্টিফেন হকিং যে কাজ করতে পারবেন বলে মনে করতেন সেটিকে তার তীক্ষ দৃষ্টি থাকতো। এ কারণেই তিনি সবার কাছে অনুকরণীয় হয়ে উঠেছিলেন বলে উল্লেখ করেন মি: হকিং-এর ছাত্র অধ্যাপক শেরার্ড।

মোটর নিউরন রোগ নিয়ে সচেতনতা গড়ে তুলেছিলেন স্টিফেন হকিং। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা নিয়ে যে ধারণা প্রচলিত আছে সেটিকে বদলে দিয়েছে হকিং-এর জীবন।

ডাক্তাররা যা ধারণা করেছিলেন, হকিং তার চেয়ে প্রায় ৫০ বছর বেশি বেঁচে ছিলেন। সাধারণত মোটর নিউরন রোগে যারা আক্রান্ত হয় তারা দ্রুত মারা যায়।

একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিদ হিসেবে স্টিফেন হকিং -এর মন ছিল তার গবেষণাগার। তবে একটা প্রশ্ন থেকে যায়।

অক্সফোর্ড থেকে স্নাতক হওয়ার পর শারীরিক প্রতিবন্ধী না হয়ে হকিং যদি জন্মগত-ভাবে শারীরিক প্রতিবন্ধী হতেন তাহলে কী হতো?

বর্তমানে শারীরিকভাবে যারা প্রতিবন্ধী নয়, তারা যে সংখ্যায় বেকার আছে তার চেয়ে দ্বিগুণ সংখ্যায় বেকার হচ্ছে শারীরিক প্রতিবন্ধীরা।

যারা শারীরিক প্রতিবন্ধী তাদের প্রতি অধ্যাপক হকিং-এর পরামর্শ ছিল – যেটা অর্জন করা যাবে সেটিকেই দৃষ্টি দাও।

নিউইয়র্ক টাইমসের সাথে এক সাক্ষাৎকারে অধ্যাপক হকিং বলেছিলেন, যারা শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী তাদের প্রতি আমার উপদেশ হলো, তুমি এমন কাজের প্রতি দৃষ্টি দাও যেখানে ভালো করতে হলে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কোন প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে না। মানসিক দিক থেকে তুমি কখনো প্রতিবন্ধী হবে না।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft